ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বেড়ে ৮ বছর

ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বেড়ে ৮ বছর
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে আট বছর করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। খুচরা ঋণ বৃদ্ধি ও সাধারণ গ্রাহকদের ঋণ প্রাপ্তি সহজ করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে ভোক্তা ঋণের প্রবৃদ্ধি ব্যাংকের সামগ্রিক ঋণ প্রবৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে গেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে যে ‘কারণ ব্যাখ্যা’র বিধিনিষেধ ছিল, সেটাও প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এক প্রজ্ঞাপনে এসব বিষয়ে নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
এদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহকদের মাসিক কিস্তির পরিমাণ কমবে এবং সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের জন্য ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়া আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাংকগুলো ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। তবে ব্যাংকের জমা থাকা টাকার বিপরীতে দেওয়া ঋণ এই সীমার বাইরে থাকবে। আগে ব্যাংকগুলো ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারতো।
অন্যদিকে, দেশি অটোমোবাইল শিল্পের বিকাশের স্বার্থে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গাড়ি কিনতে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত অটো লোন (গাড়ি ঋণ) দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে জীবাশ্ম জ্বালানির গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা ঋণ পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘অটো লোন’ দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থায়ন–সুবিধা সর্বোচ্চ ৬০: ৪০ ঋণ ইকুইটি অনুপাতে প্রদান করতে হবে। তবে হাইব্রিড, বৈদ্যুতিক ও দেশে উৎপাদিত গাড়ি কেনার জন্য অর্থায়ন–সুবিধা সর্বোচ্চ ৮০: ২০ ঋণ ইকুইটি অনুপাতে দেওয়া যাবে, অর্থাৎ এক কোটি টাকার গাড়ির ক্ষেত্রের ব্যাংক গ্রাহককে ৬০ লাখ টাকা ঋণ দিতে পারবে। আর বাকি ৪০ লাখ টাকা দিতে হবে গ্রাহককে।
তবে একই দামের হাইব্রিড বা ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রে গ্রাহক ব্যাংক থেকে ৮০ লাখ টাকা ঋণ নিতে পারবে। আর গ্রাহককে দিতে হবে মাত্র ২০ লাখ টাকা।

ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে আট বছর করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। খুচরা ঋণ বৃদ্ধি ও সাধারণ গ্রাহকদের ঋণ প্রাপ্তি সহজ করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে ভোক্তা ঋণের প্রবৃদ্ধি ব্যাংকের সামগ্রিক ঋণ প্রবৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে গেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে যে ‘কারণ ব্যাখ্যা’র বিধিনিষেধ ছিল, সেটাও প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এক প্রজ্ঞাপনে এসব বিষয়ে নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
এদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহকদের মাসিক কিস্তির পরিমাণ কমবে এবং সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের জন্য ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়া আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাংকগুলো ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। তবে ব্যাংকের জমা থাকা টাকার বিপরীতে দেওয়া ঋণ এই সীমার বাইরে থাকবে। আগে ব্যাংকগুলো ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারতো।
অন্যদিকে, দেশি অটোমোবাইল শিল্পের বিকাশের স্বার্থে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গাড়ি কিনতে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত অটো লোন (গাড়ি ঋণ) দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে জীবাশ্ম জ্বালানির গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা ঋণ পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘অটো লোন’ দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থায়ন–সুবিধা সর্বোচ্চ ৬০: ৪০ ঋণ ইকুইটি অনুপাতে প্রদান করতে হবে। তবে হাইব্রিড, বৈদ্যুতিক ও দেশে উৎপাদিত গাড়ি কেনার জন্য অর্থায়ন–সুবিধা সর্বোচ্চ ৮০: ২০ ঋণ ইকুইটি অনুপাতে দেওয়া যাবে, অর্থাৎ এক কোটি টাকার গাড়ির ক্ষেত্রের ব্যাংক গ্রাহককে ৬০ লাখ টাকা ঋণ দিতে পারবে। আর বাকি ৪০ লাখ টাকা দিতে হবে গ্রাহককে।
তবে একই দামের হাইব্রিড বা ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রে গ্রাহক ব্যাংক থেকে ৮০ লাখ টাকা ঋণ নিতে পারবে। আর গ্রাহককে দিতে হবে মাত্র ২০ লাখ টাকা।

ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বেড়ে ৮ বছর
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যক্তিগত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে আট বছর করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। খুচরা ঋণ বৃদ্ধি ও সাধারণ গ্রাহকদের ঋণ প্রাপ্তি সহজ করতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে ভোক্তা ঋণের প্রবৃদ্ধি ব্যাংকের সামগ্রিক ঋণ প্রবৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে গেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে যে ‘কারণ ব্যাখ্যা’র বিধিনিষেধ ছিল, সেটাও প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এক প্রজ্ঞাপনে এসব বিষয়ে নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
এদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহকদের মাসিক কিস্তির পরিমাণ কমবে এবং সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের জন্য ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়া আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাংকগুলো ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। তবে ব্যাংকের জমা থাকা টাকার বিপরীতে দেওয়া ঋণ এই সীমার বাইরে থাকবে। আগে ব্যাংকগুলো ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারতো।
অন্যদিকে, দেশি অটোমোবাইল শিল্পের বিকাশের স্বার্থে বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত গাড়ি কিনতে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত অটো লোন (গাড়ি ঋণ) দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে জীবাশ্ম জ্বালানির গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা ঋণ পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘অটো লোন’ দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থায়ন–সুবিধা সর্বোচ্চ ৬০: ৪০ ঋণ ইকুইটি অনুপাতে প্রদান করতে হবে। তবে হাইব্রিড, বৈদ্যুতিক ও দেশে উৎপাদিত গাড়ি কেনার জন্য অর্থায়ন–সুবিধা সর্বোচ্চ ৮০: ২০ ঋণ ইকুইটি অনুপাতে দেওয়া যাবে, অর্থাৎ এক কোটি টাকার গাড়ির ক্ষেত্রের ব্যাংক গ্রাহককে ৬০ লাখ টাকা ঋণ দিতে পারবে। আর বাকি ৪০ লাখ টাকা দিতে হবে গ্রাহককে।
তবে একই দামের হাইব্রিড বা ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রে গ্রাহক ব্যাংক থেকে ৮০ লাখ টাকা ঋণ নিতে পারবে। আর গ্রাহককে দিতে হবে মাত্র ২০ লাখ টাকা।

‘বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন নতুন উদ্যোক্তারা’

