বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কেনাকাটায় অনিয়ম তদন্তে সংসদীয় কমিটি গঠন

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কেনাকাটায় অনিয়ম তদন্তে সংসদীয় কমিটি গঠন
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ আদায়সহ প্রয়োজনীয় কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে আয়োজিত সংসদীয় কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব কমিটির সভাপতি ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
বৈঠকে বিএমইউয়ের হাসপাতাল অংশের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের হিসাব সংক্রান্ত ‘কমপ্লায়েন্স অডিট রিপোর্টে’ উত্থাপিত অনুচ্ছেদ ১ থেকে ৮ পর্যন্ত মোট আটটি অডিট আপত্তি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।
দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে অডিট আপত্তির সঙ্গে জড়িত অর্থ দ্রুত আদায় করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেয় কমিটি।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টির তৎকালীন কেনাকাটা কার্যক্রমে ব্যবহৃত দরপত্রের স্পেসিফিকেশন যথাযথ ছিল কি না– তা পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির সদস্য ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান, মো. ফজলে হুদা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজিএইচএস) এই তদন্ত কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্রয়ের দরপত্রে উল্লিখিত স্পেসিফিকেশন ও কেনাকাটার নিরপেক্ষতা যাচাই করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এছাড়া, বৈঠকে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের রিপোর্টভুক্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অনিষ্পন্ন অডিট আপত্তির বিষয়েও বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এসব আপত্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার পক্ষ থেকে অর্থ আদায়, সমন্বয়, অবলোপন, প্রমার্জন, নিয়মিতকরণ, ভূতাপেক্ষ অনুমোদন ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পর যেসব নিষ্পত্তিমূলক জবাব দাখিল করা হয়েছিল, সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করা হয়।
সংসদীয় কমিটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা এসব অডিট আপত্তির মধ্য থেকে ১০টি আপত্তি বিস্তারিত পর্যালোচনা করে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া লিখিত জবাব ও উপস্থাপিত দাপ্তরিক প্রমাণক সন্তোষজনক প্রমাণিত হওয়ায় বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ওই ১০টি আপত্তি চূড়ান্ত নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকে সংসদীয় কমিটির সদস্য মো. আমানউল্লাহ আমান, কমিটির সদস্য ও হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, এ কে এম ফজলুল হক মিলন, মো. হাফিজ ইব্রাহিম, ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান, এস কে আজিজুল বারী, মো. মনজুরুল ইসলাম, মো. ফজলে হুদা, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এবং মো. রুহুল আমিন অংশ নেন।
রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধ, সরকারি তহবিলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং ঝুলে থাকা অডিট আপত্তিগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও স্বচ্ছতা আরও জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ আদায়সহ প্রয়োজনীয় কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে আয়োজিত সংসদীয় কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব কমিটির সভাপতি ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
বৈঠকে বিএমইউয়ের হাসপাতাল অংশের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের হিসাব সংক্রান্ত ‘কমপ্লায়েন্স অডিট রিপোর্টে’ উত্থাপিত অনুচ্ছেদ ১ থেকে ৮ পর্যন্ত মোট আটটি অডিট আপত্তি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।
দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে অডিট আপত্তির সঙ্গে জড়িত অর্থ দ্রুত আদায় করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেয় কমিটি।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টির তৎকালীন কেনাকাটা কার্যক্রমে ব্যবহৃত দরপত্রের স্পেসিফিকেশন যথাযথ ছিল কি না– তা পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির সদস্য ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান, মো. ফজলে হুদা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজিএইচএস) এই তদন্ত কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্রয়ের দরপত্রে উল্লিখিত স্পেসিফিকেশন ও কেনাকাটার নিরপেক্ষতা যাচাই করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এছাড়া, বৈঠকে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের রিপোর্টভুক্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অনিষ্পন্ন অডিট আপত্তির বিষয়েও বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এসব আপত্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার পক্ষ থেকে অর্থ আদায়, সমন্বয়, অবলোপন, প্রমার্জন, নিয়মিতকরণ, ভূতাপেক্ষ অনুমোদন ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পর যেসব নিষ্পত্তিমূলক জবাব দাখিল করা হয়েছিল, সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করা হয়।
সংসদীয় কমিটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা এসব অডিট আপত্তির মধ্য থেকে ১০টি আপত্তি বিস্তারিত পর্যালোচনা করে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া লিখিত জবাব ও উপস্থাপিত দাপ্তরিক প্রমাণক সন্তোষজনক প্রমাণিত হওয়ায় বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ওই ১০টি আপত্তি চূড়ান্ত নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকে সংসদীয় কমিটির সদস্য মো. আমানউল্লাহ আমান, কমিটির সদস্য ও হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, এ কে এম ফজলুল হক মিলন, মো. হাফিজ ইব্রাহিম, ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান, এস কে আজিজুল বারী, মো. মনজুরুল ইসলাম, মো. ফজলে হুদা, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এবং মো. রুহুল আমিন অংশ নেন।
রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধ, সরকারি তহবিলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং ঝুলে থাকা অডিট আপত্তিগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও স্বচ্ছতা আরও জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কেনাকাটায় অনিয়ম তদন্তে সংসদীয় কমিটি গঠন
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) হাসপাতালে কেনাকাটায় অনিয়ম তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থ আদায়সহ প্রয়োজনীয় কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে আয়োজিত সংসদীয় কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব কমিটির সভাপতি ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
বৈঠকে বিএমইউয়ের হাসপাতাল অংশের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের হিসাব সংক্রান্ত ‘কমপ্লায়েন্স অডিট রিপোর্টে’ উত্থাপিত অনুচ্ছেদ ১ থেকে ৮ পর্যন্ত মোট আটটি অডিট আপত্তি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।
দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে অডিট আপত্তির সঙ্গে জড়িত অর্থ দ্রুত আদায় করার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেয় কমিটি।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টির তৎকালীন কেনাকাটা কার্যক্রমে ব্যবহৃত দরপত্রের স্পেসিফিকেশন যথাযথ ছিল কি না– তা পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির সদস্য ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান, মো. ফজলে হুদা এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজিএইচএস) এই তদন্ত কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্রয়ের দরপত্রে উল্লিখিত স্পেসিফিকেশন ও কেনাকাটার নিরপেক্ষতা যাচাই করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এছাড়া, বৈঠকে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের রিপোর্টভুক্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অনিষ্পন্ন অডিট আপত্তির বিষয়েও বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এসব আপত্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার পক্ষ থেকে অর্থ আদায়, সমন্বয়, অবলোপন, প্রমার্জন, নিয়মিতকরণ, ভূতাপেক্ষ অনুমোদন ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পর যেসব নিষ্পত্তিমূলক জবাব দাখিল করা হয়েছিল, সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করা হয়।
সংসদীয় কমিটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা এসব অডিট আপত্তির মধ্য থেকে ১০টি আপত্তি বিস্তারিত পর্যালোচনা করে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া লিখিত জবাব ও উপস্থাপিত দাপ্তরিক প্রমাণক সন্তোষজনক প্রমাণিত হওয়ায় বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে ওই ১০টি আপত্তি চূড়ান্ত নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকে সংসদীয় কমিটির সদস্য মো. আমানউল্লাহ আমান, কমিটির সদস্য ও হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, এ কে এম ফজলুল হক মিলন, মো. হাফিজ ইব্রাহিম, ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান, এস কে আজিজুল বারী, মো. মনজুরুল ইসলাম, মো. ফজলে হুদা, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এবং মো. রুহুল আমিন অংশ নেন।
রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধ, সরকারি তহবিলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং ঝুলে থাকা অডিট আপত্তিগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও স্বচ্ছতা আরও জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়।

১০ সংসদীয় কমিটির একটিরও সভাপতি পদ পায়নি বিরোধী দল







