ভ্রমণ বিলের সঙ্গে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দিতে হবে টিকিট-ভাউচার

ভ্রমণ বিলের সঙ্গে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দিতে হবে টিকিট-ভাউচার
নিজস্ব প্রতিবেদক

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীগণের সরকারি ভ্রমণের খরচের বিল দাখিল ও অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে নতুন এক গুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এখন থেকে ভ্রমণের বিল তোলার জন্য বোর্ডিং পাস, হোটেল ভাউচারসহ সব ধরণের খরচের সঠিক প্রমাণ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সফর শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে অগ্রিম নেওয়া টাকা সমন্বয় না করলে পরবর্তী ভ্রমণের জন্য আর নতুন কোনো বাজেট দেওয়া হবে না।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসেবা শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়।
জারি করা পরিপত্রে জানানো হয়, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা সরকারি প্রয়োজনে দেশ ও দেশের বাইরে যেসব সফর করেন, ভ্রমণ শেষে প্রকৃত খরচের টাকা পেতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে প্রয়োজনীয় প্রমাণকসহ হিসাব পেশ করতে হবে।
বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে সরকারপ্রধানের অনুমোদন করা সারসংক্ষেপের কপি এবং দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের জারি করা অফিস আদেশের কপি বিলের সঙ্গে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
যাতায়াত ও অবস্থানকালীন খরচের ক্ষেত্রেও দেওয়া হয়েছে নির্দেশনা। গাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত টিকিটের মূল কপি, বিমানে ভ্রমণের জন্য টিকিটের পাশাপাশি বোর্ডিং পাস, অনুমোদিত ভ্রমণের বিস্তারিত সময়সূচি এবং হোটেলে থাকার ক্ষেত্রে পরিশোধ করা বিলের আসল কপি জমা দিতে হবে। বিদেশে সফরের ক্ষেত্রে দেশীয় টাকার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের হিসাব এবং অপরাপর খরচের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ভাউচার বা প্রমাণক দেওয়া জরুরি করা হয়েছে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়, সরকারপ্রধানের কাছ থেকে অনুমোদিত সময়সীমার অতিরিক্ত সময় কেউ যদি সফর বাড়িয়ে থাকেন, তবে বর্ধিত সময়ের খরচের জন্য পুনরায় অনুমোদন নিতে হবে।
সফর শুরুর আগে অগ্রিম অর্থ নেওয়ার বিষয়ে অর্থ বিভাগের সর্বশেষ নির্দেশনা মানতে হবে। একই সঙ্গে ভ্রমণের পর নির্ধারিত এক মাসের মধ্যে অগ্রিম হিসাবের চূড়ান্ত সমন্বয় বিল জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
পুরোনো কোনো ভ্রমণের অগ্রিম টাকা সমন্বয় না থাকলে পরবর্তী সফরের জন্য কোনো অর্থ ছাড় করা হবে না। এছাড়া টাকা পাওয়ার সুবিধার্থে হাতে পর্যাপ্ত সময় রেখে অগ্রিম বরাদ্দের হিসাব জমা দিতে বলা হয়েছে। সবশেষে, প্রতিটি বিলের মূল কপিসহ মোট তিন সেট আবেদন জমা দিতে হবে এবং সঙ্গে থাকা যাবতীয় ফটোকপি অবশ্যই যথাযথভাবে সত্যায়িত হতে হবে।

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীগণের সরকারি ভ্রমণের খরচের বিল দাখিল ও অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে নতুন এক গুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এখন থেকে ভ্রমণের বিল তোলার জন্য বোর্ডিং পাস, হোটেল ভাউচারসহ সব ধরণের খরচের সঠিক প্রমাণ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সফর শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে অগ্রিম নেওয়া টাকা সমন্বয় না করলে পরবর্তী ভ্রমণের জন্য আর নতুন কোনো বাজেট দেওয়া হবে না।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসেবা শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়।
জারি করা পরিপত্রে জানানো হয়, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা সরকারি প্রয়োজনে দেশ ও দেশের বাইরে যেসব সফর করেন, ভ্রমণ শেষে প্রকৃত খরচের টাকা পেতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে প্রয়োজনীয় প্রমাণকসহ হিসাব পেশ করতে হবে।
বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে সরকারপ্রধানের অনুমোদন করা সারসংক্ষেপের কপি এবং দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের জারি করা অফিস আদেশের কপি বিলের সঙ্গে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
যাতায়াত ও অবস্থানকালীন খরচের ক্ষেত্রেও দেওয়া হয়েছে নির্দেশনা। গাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত টিকিটের মূল কপি, বিমানে ভ্রমণের জন্য টিকিটের পাশাপাশি বোর্ডিং পাস, অনুমোদিত ভ্রমণের বিস্তারিত সময়সূচি এবং হোটেলে থাকার ক্ষেত্রে পরিশোধ করা বিলের আসল কপি জমা দিতে হবে। বিদেশে সফরের ক্ষেত্রে দেশীয় টাকার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের হিসাব এবং অপরাপর খরচের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ভাউচার বা প্রমাণক দেওয়া জরুরি করা হয়েছে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়, সরকারপ্রধানের কাছ থেকে অনুমোদিত সময়সীমার অতিরিক্ত সময় কেউ যদি সফর বাড়িয়ে থাকেন, তবে বর্ধিত সময়ের খরচের জন্য পুনরায় অনুমোদন নিতে হবে।
সফর শুরুর আগে অগ্রিম অর্থ নেওয়ার বিষয়ে অর্থ বিভাগের সর্বশেষ নির্দেশনা মানতে হবে। একই সঙ্গে ভ্রমণের পর নির্ধারিত এক মাসের মধ্যে অগ্রিম হিসাবের চূড়ান্ত সমন্বয় বিল জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
পুরোনো কোনো ভ্রমণের অগ্রিম টাকা সমন্বয় না থাকলে পরবর্তী সফরের জন্য কোনো অর্থ ছাড় করা হবে না। এছাড়া টাকা পাওয়ার সুবিধার্থে হাতে পর্যাপ্ত সময় রেখে অগ্রিম বরাদ্দের হিসাব জমা দিতে বলা হয়েছে। সবশেষে, প্রতিটি বিলের মূল কপিসহ মোট তিন সেট আবেদন জমা দিতে হবে এবং সঙ্গে থাকা যাবতীয় ফটোকপি অবশ্যই যথাযথভাবে সত্যায়িত হতে হবে।

ভ্রমণ বিলের সঙ্গে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দিতে হবে টিকিট-ভাউচার
নিজস্ব প্রতিবেদক

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীগণের সরকারি ভ্রমণের খরচের বিল দাখিল ও অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে নতুন এক গুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এখন থেকে ভ্রমণের বিল তোলার জন্য বোর্ডিং পাস, হোটেল ভাউচারসহ সব ধরণের খরচের সঠিক প্রমাণ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সফর শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে অগ্রিম নেওয়া টাকা সমন্বয় না করলে পরবর্তী ভ্রমণের জন্য আর নতুন কোনো বাজেট দেওয়া হবে না।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসেবা শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়।
জারি করা পরিপত্রে জানানো হয়, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা সরকারি প্রয়োজনে দেশ ও দেশের বাইরে যেসব সফর করেন, ভ্রমণ শেষে প্রকৃত খরচের টাকা পেতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে প্রয়োজনীয় প্রমাণকসহ হিসাব পেশ করতে হবে।
বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে সরকারপ্রধানের অনুমোদন করা সারসংক্ষেপের কপি এবং দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের জারি করা অফিস আদেশের কপি বিলের সঙ্গে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
যাতায়াত ও অবস্থানকালীন খরচের ক্ষেত্রেও দেওয়া হয়েছে নির্দেশনা। গাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে প্রকৃত টিকিটের মূল কপি, বিমানে ভ্রমণের জন্য টিকিটের পাশাপাশি বোর্ডিং পাস, অনুমোদিত ভ্রমণের বিস্তারিত সময়সূচি এবং হোটেলে থাকার ক্ষেত্রে পরিশোধ করা বিলের আসল কপি জমা দিতে হবে। বিদেশে সফরের ক্ষেত্রে দেশীয় টাকার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের হিসাব এবং অপরাপর খরচের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ভাউচার বা প্রমাণক দেওয়া জরুরি করা হয়েছে।
পরিপত্রে আরও বলা হয়, সরকারপ্রধানের কাছ থেকে অনুমোদিত সময়সীমার অতিরিক্ত সময় কেউ যদি সফর বাড়িয়ে থাকেন, তবে বর্ধিত সময়ের খরচের জন্য পুনরায় অনুমোদন নিতে হবে।
সফর শুরুর আগে অগ্রিম অর্থ নেওয়ার বিষয়ে অর্থ বিভাগের সর্বশেষ নির্দেশনা মানতে হবে। একই সঙ্গে ভ্রমণের পর নির্ধারিত এক মাসের মধ্যে অগ্রিম হিসাবের চূড়ান্ত সমন্বয় বিল জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
পুরোনো কোনো ভ্রমণের অগ্রিম টাকা সমন্বয় না থাকলে পরবর্তী সফরের জন্য কোনো অর্থ ছাড় করা হবে না। এছাড়া টাকা পাওয়ার সুবিধার্থে হাতে পর্যাপ্ত সময় রেখে অগ্রিম বরাদ্দের হিসাব জমা দিতে বলা হয়েছে। সবশেষে, প্রতিটি বিলের মূল কপিসহ মোট তিন সেট আবেদন জমা দিতে হবে এবং সঙ্গে থাকা যাবতীয় ফটোকপি অবশ্যই যথাযথভাবে সত্যায়িত হতে হবে।

১৬ ডিসেম্বর শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী







