টাকার লোভে ইসমাইলকে হত্যা করে বাসচালক ও ২ সহকারী: পুলিশ

টাকার লোভে ইসমাইলকে হত্যা করে বাসচালক ও ২ সহকারী: পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য পেয়েছে পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ইসমাইল হোসেন নামের ওই ব্যক্তি জামালপুর থেকে গাজীপুরে আসার জন্য বাসে উঠেছিলেন। মাঝপথে ভাড়া দেওয়ার সময় তার কাছে মোটা অংকের টাকা থাকার বিষয়টি টের পেয়ে যায় বাসটির সুপারভাইজার। টাকা লুটে নিতেই তাকে হত্যা করে বাসের চালক ও দুই সহকারী।
ঘটনার পরদিন শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ‘রাজ ক্লাসিক’ নামের ওই বাসটি শনাক্তের পর জব্দ করে পুলিশ। এরপর বাসের চালক সোহেল রানা, সুপারভাইজার সাজু ওরফে মিলন এবং বাসের সহকারী মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নাম না জানা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন মরদেহের মুখে টেপ লাগানো ছিল। পরনে ছিল অটোরিকশা চালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট আর লুঙ্গি।
তার আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে শনিবার পুলিশ জানতে পারে, ৫০ বছর বয়সি ওই ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার লাশ শনাক্ত করেন ইসমাইলের ছেলে হাসান।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রির ৫ লাখ টাকা নিয়ে গ্রামের বাড়ি জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন ইসমাইল। সেই টাকা এবং সঙ্গে থাকা দুটি মোবাইল ফোনও খোয়া গেছে।
সেদিন রাতেই মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বাসটি জব্দসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার ‘রহস্য উদঘাটনের’ কথা জানায় পুলিশ।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে জানাতে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার হওয়ার লাশের মুখে এবং দুই হাতে টেপ প্যাঁচানো ছিল এবং গলায় কালো দাগ দেখা গেছে। ওই ব্যক্তিকে হত্যা করে গাড়িতে করে ফেলে দেওয়া হয়েছে ধারণা করে তদন্তে নামে পুলিশ। এক্সপ্রেসওয়ের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও পর্যালোচনা করে একটি বাসের গতিবিধি নিয়ে সন্দেহ হয়।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পুলিশ কর্মকর্তা ফারুক বলেন, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জামালপুর থেকে বাসটিতে উঠেছিলেন ইসমাইল। জামালপুর থেকে ঢাকা আসার পথে বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ওঠানামা করে। এক পর্যায়ে সুপারভাইজার সাজু ইসমাইলের কাছ থেকে ভাড়া চান। ইসমাইল লুঙ্গিতে গুঁজে রাখা টাকা বের করে ভাড়া দিয়েছিলেন। তখন তার কাছে বেশি পরিমাণ টাকা থাকার বিষয়টি খেয়াল করেন সাজু।
ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বলেন, পরবর্তীতে বাসচালককে সাজু জানায় যে, ওই ব্যক্তির কাছে অনেক টাকা আছে। সে কোনো বেপারী হতে পারে, সুতরাং তার কাছে আরো টাকা পাওয়া যেতে পারে ধারণা করে তারা। পরে বাসচালক তার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা করে। সে অনুযায়ী চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডে ইসমাইলকে না নামিয়ে বাসের অন্যান্য যাত্রীদের গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে নামিয়ে দেয়। ইসমাইলকে নিয়ে বাসটি ঢাকার দিকে আসতে থাকে।
তিনি বলেন, এক পর্যায়ে সুপারভাইজার এবং হেলপার মিলে ইসমাইলের মুখ এবং হাত টেপ দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং গামছা পেঁচিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে।
মো. ফারুক আরও বলেন, এয়ারপোর্ট থেকে এক্সপ্রেসওয়ে ধরেই বনানীতে আসে বাসটি। আবার তারা উল্টো পথে এয়ারপোর্টের দিকে যাওয়ার পথে পিলার নম্বর ১৭৯ এবং ১৮০ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি জায়গায় ইসমাইলের লাশ ফেলে চলে যায়। পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তির এবং অন্যান্য সোর্সের সহায়তায় বাসটি জব্দসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি বলেন, মামলায় ইসমাইলের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা লুটের কথা বলা হলেও গ্রেপ্তাররা দাবি করেছে, তারা আড়াই লাখ টাকা নিয়েছে। তারা টাকা খরচ করে ফেলেছে বলেও দাবি করেছে। তাদেরকে রিমান্ডে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে টাকাটা কোথায় আছে তা জানা যাবে।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য পেয়েছে পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ইসমাইল হোসেন নামের ওই ব্যক্তি জামালপুর থেকে গাজীপুরে আসার জন্য বাসে উঠেছিলেন। মাঝপথে ভাড়া দেওয়ার সময় তার কাছে মোটা অংকের টাকা থাকার বিষয়টি টের পেয়ে যায় বাসটির সুপারভাইজার। টাকা লুটে নিতেই তাকে হত্যা করে বাসের চালক ও দুই সহকারী।
ঘটনার পরদিন শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ‘রাজ ক্লাসিক’ নামের ওই বাসটি শনাক্তের পর জব্দ করে পুলিশ। এরপর বাসের চালক সোহেল রানা, সুপারভাইজার সাজু ওরফে মিলন এবং বাসের সহকারী মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নাম না জানা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন মরদেহের মুখে টেপ লাগানো ছিল। পরনে ছিল অটোরিকশা চালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট আর লুঙ্গি।
তার আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে শনিবার পুলিশ জানতে পারে, ৫০ বছর বয়সি ওই ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার লাশ শনাক্ত করেন ইসমাইলের ছেলে হাসান।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রির ৫ লাখ টাকা নিয়ে গ্রামের বাড়ি জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন ইসমাইল। সেই টাকা এবং সঙ্গে থাকা দুটি মোবাইল ফোনও খোয়া গেছে।
সেদিন রাতেই মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বাসটি জব্দসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার ‘রহস্য উদঘাটনের’ কথা জানায় পুলিশ।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে জানাতে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার হওয়ার লাশের মুখে এবং দুই হাতে টেপ প্যাঁচানো ছিল এবং গলায় কালো দাগ দেখা গেছে। ওই ব্যক্তিকে হত্যা করে গাড়িতে করে ফেলে দেওয়া হয়েছে ধারণা করে তদন্তে নামে পুলিশ। এক্সপ্রেসওয়ের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও পর্যালোচনা করে একটি বাসের গতিবিধি নিয়ে সন্দেহ হয়।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পুলিশ কর্মকর্তা ফারুক বলেন, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জামালপুর থেকে বাসটিতে উঠেছিলেন ইসমাইল। জামালপুর থেকে ঢাকা আসার পথে বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ওঠানামা করে। এক পর্যায়ে সুপারভাইজার সাজু ইসমাইলের কাছ থেকে ভাড়া চান। ইসমাইল লুঙ্গিতে গুঁজে রাখা টাকা বের করে ভাড়া দিয়েছিলেন। তখন তার কাছে বেশি পরিমাণ টাকা থাকার বিষয়টি খেয়াল করেন সাজু।
ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বলেন, পরবর্তীতে বাসচালককে সাজু জানায় যে, ওই ব্যক্তির কাছে অনেক টাকা আছে। সে কোনো বেপারী হতে পারে, সুতরাং তার কাছে আরো টাকা পাওয়া যেতে পারে ধারণা করে তারা। পরে বাসচালক তার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা করে। সে অনুযায়ী চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডে ইসমাইলকে না নামিয়ে বাসের অন্যান্য যাত্রীদের গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে নামিয়ে দেয়। ইসমাইলকে নিয়ে বাসটি ঢাকার দিকে আসতে থাকে।
তিনি বলেন, এক পর্যায়ে সুপারভাইজার এবং হেলপার মিলে ইসমাইলের মুখ এবং হাত টেপ দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং গামছা পেঁচিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে।
মো. ফারুক আরও বলেন, এয়ারপোর্ট থেকে এক্সপ্রেসওয়ে ধরেই বনানীতে আসে বাসটি। আবার তারা উল্টো পথে এয়ারপোর্টের দিকে যাওয়ার পথে পিলার নম্বর ১৭৯ এবং ১৮০ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি জায়গায় ইসমাইলের লাশ ফেলে চলে যায়। পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তির এবং অন্যান্য সোর্সের সহায়তায় বাসটি জব্দসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি বলেন, মামলায় ইসমাইলের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা লুটের কথা বলা হলেও গ্রেপ্তাররা দাবি করেছে, তারা আড়াই লাখ টাকা নিয়েছে। তারা টাকা খরচ করে ফেলেছে বলেও দাবি করেছে। তাদেরকে রিমান্ডে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে টাকাটা কোথায় আছে তা জানা যাবে।

টাকার লোভে ইসমাইলকে হত্যা করে বাসচালক ও ২ সহকারী: পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য পেয়েছে পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ইসমাইল হোসেন নামের ওই ব্যক্তি জামালপুর থেকে গাজীপুরে আসার জন্য বাসে উঠেছিলেন। মাঝপথে ভাড়া দেওয়ার সময় তার কাছে মোটা অংকের টাকা থাকার বিষয়টি টের পেয়ে যায় বাসটির সুপারভাইজার। টাকা লুটে নিতেই তাকে হত্যা করে বাসের চালক ও দুই সহকারী।
ঘটনার পরদিন শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ‘রাজ ক্লাসিক’ নামের ওই বাসটি শনাক্তের পর জব্দ করে পুলিশ। এরপর বাসের চালক সোহেল রানা, সুপারভাইজার সাজু ওরফে মিলন এবং বাসের সহকারী মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নাম না জানা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন মরদেহের মুখে টেপ লাগানো ছিল। পরনে ছিল অটোরিকশা চালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট আর লুঙ্গি।
তার আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে শনিবার পুলিশ জানতে পারে, ৫০ বছর বয়সি ওই ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার লাশ শনাক্ত করেন ইসমাইলের ছেলে হাসান।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রির ৫ লাখ টাকা নিয়ে গ্রামের বাড়ি জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন ইসমাইল। সেই টাকা এবং সঙ্গে থাকা দুটি মোবাইল ফোনও খোয়া গেছে।
সেদিন রাতেই মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বাসটি জব্দসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার ‘রহস্য উদঘাটনের’ কথা জানায় পুলিশ।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে জানাতে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার হওয়ার লাশের মুখে এবং দুই হাতে টেপ প্যাঁচানো ছিল এবং গলায় কালো দাগ দেখা গেছে। ওই ব্যক্তিকে হত্যা করে গাড়িতে করে ফেলে দেওয়া হয়েছে ধারণা করে তদন্তে নামে পুলিশ। এক্সপ্রেসওয়ের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ভিডিও পর্যালোচনা করে একটি বাসের গতিবিধি নিয়ে সন্দেহ হয়।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পুলিশ কর্মকর্তা ফারুক বলেন, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জামালপুর থেকে বাসটিতে উঠেছিলেন ইসমাইল। জামালপুর থেকে ঢাকা আসার পথে বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ওঠানামা করে। এক পর্যায়ে সুপারভাইজার সাজু ইসমাইলের কাছ থেকে ভাড়া চান। ইসমাইল লুঙ্গিতে গুঁজে রাখা টাকা বের করে ভাড়া দিয়েছিলেন। তখন তার কাছে বেশি পরিমাণ টাকা থাকার বিষয়টি খেয়াল করেন সাজু।
ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বলেন, পরবর্তীতে বাসচালককে সাজু জানায় যে, ওই ব্যক্তির কাছে অনেক টাকা আছে। সে কোনো বেপারী হতে পারে, সুতরাং তার কাছে আরো টাকা পাওয়া যেতে পারে ধারণা করে তারা। পরে বাসচালক তার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা করে। সে অনুযায়ী চন্দ্রা বাসস্ট্যান্ডে ইসমাইলকে না নামিয়ে বাসের অন্যান্য যাত্রীদের গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে নামিয়ে দেয়। ইসমাইলকে নিয়ে বাসটি ঢাকার দিকে আসতে থাকে।
তিনি বলেন, এক পর্যায়ে সুপারভাইজার এবং হেলপার মিলে ইসমাইলের মুখ এবং হাত টেপ দিয়ে বেঁধে ফেলে এবং গামছা পেঁচিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে।
মো. ফারুক আরও বলেন, এয়ারপোর্ট থেকে এক্সপ্রেসওয়ে ধরেই বনানীতে আসে বাসটি। আবার তারা উল্টো পথে এয়ারপোর্টের দিকে যাওয়ার পথে পিলার নম্বর ১৭৯ এবং ১৮০ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি জায়গায় ইসমাইলের লাশ ফেলে চলে যায়। পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তির এবং অন্যান্য সোর্সের সহায়তায় বাসটি জব্দসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি বলেন, মামলায় ইসমাইলের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা লুটের কথা বলা হলেও গ্রেপ্তাররা দাবি করেছে, তারা আড়াই লাখ টাকা নিয়েছে। তারা টাকা খরচ করে ফেলেছে বলেও দাবি করেছে। তাদেরকে রিমান্ডে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে টাকাটা কোথায় আছে তা জানা যাবে।

এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ: মেয়ের বিয়ের জন্য টাকা নিয়ে ফিরছিলেন ইসমাইল







