মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবার মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় গ্রেপ্তার
আদালত প্রতিবেদক

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবার মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় গ্রেপ্তার
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৭: ২৯

আদালত প্রাঙ্গণে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। ফাইল ছবি
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে ১০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১১ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই মোক্তার হোসেন।
সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল হাদী গত ২৫ মার্চ এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। কয়েক দফা শুনানি পিছিয়ে সোমবার বিষয়টি আদালতে ওঠে। এদিন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করা হলে রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন শুনানি করেন। পরে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত বছরের ২৮ আগস্ট বনানী থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন সিআইডির এসআই মনিরুজ্জামান। মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীসহ ৩৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সরকার নির্ধারিত ফি ছিল ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা। কিন্তু মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর প্রতিষ্ঠান ‘ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনাল’ প্রত্যেক কর্মীর কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা করে আদায় করে। এ ছাড়া পাসপোর্ট, কোভিড টেস্ট, মেডিকেল ও পোশাক বাবদ আরও প্রায় ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ৯ হাজার ৩৭২ জন কর্মীর কাছ থেকে জনপ্রতি অতিরিক্ত ১ লাখ ৭ হাজার ৫১০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এভাবে প্রতিষ্ঠানটি মোট ১০০ কোটি ৭৫ লাখ ৮৩ হাজার ৭২০ টাকা আত্মসাৎ করেছে। ২০১৬ সালের ১৮ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ৩০ মে পর্যন্ত সময়ে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ গ্রহণ, হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আসামিরা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এই ঘটনায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। বর্তমানে আসামি জেল হাজতে আটক থাকায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।
গত ২৩ মার্চ বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার একটি বাড়ি থেকে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের মামলায় তাকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে হত্যা ও আরও কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। সর্বশেষ ৭ মে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে ১০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১১ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই মোক্তার হোসেন।
সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল হাদী গত ২৫ মার্চ এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। কয়েক দফা শুনানি পিছিয়ে সোমবার বিষয়টি আদালতে ওঠে। এদিন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করা হলে রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন শুনানি করেন। পরে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত বছরের ২৮ আগস্ট বনানী থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন সিআইডির এসআই মনিরুজ্জামান। মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীসহ ৩৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সরকার নির্ধারিত ফি ছিল ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা। কিন্তু মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর প্রতিষ্ঠান ‘ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনাল’ প্রত্যেক কর্মীর কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা করে আদায় করে। এ ছাড়া পাসপোর্ট, কোভিড টেস্ট, মেডিকেল ও পোশাক বাবদ আরও প্রায় ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ৯ হাজার ৩৭২ জন কর্মীর কাছ থেকে জনপ্রতি অতিরিক্ত ১ লাখ ৭ হাজার ৫১০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এভাবে প্রতিষ্ঠানটি মোট ১০০ কোটি ৭৫ লাখ ৮৩ হাজার ৭২০ টাকা আত্মসাৎ করেছে। ২০১৬ সালের ১৮ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ৩০ মে পর্যন্ত সময়ে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ গ্রহণ, হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আসামিরা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এই ঘটনায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। বর্তমানে আসামি জেল হাজতে আটক থাকায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।
গত ২৩ মার্চ বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার একটি বাড়ি থেকে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের মামলায় তাকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে হত্যা ও আরও কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। সর্বশেষ ৭ মে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবার মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় গ্রেপ্তার
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ মে ২০২৬, ১৭: ২৯

আদালত প্রাঙ্গণে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। ফাইল ছবি
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে ১০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১১ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই মোক্তার হোসেন।
সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল হাদী গত ২৫ মার্চ এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। কয়েক দফা শুনানি পিছিয়ে সোমবার বিষয়টি আদালতে ওঠে। এদিন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করা হলে রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন শুনানি করেন। পরে আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত বছরের ২৮ আগস্ট বনানী থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন সিআইডির এসআই মনিরুজ্জামান। মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীসহ ৩৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সরকার নির্ধারিত ফি ছিল ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা। কিন্তু মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর প্রতিষ্ঠান ‘ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনাল’ প্রত্যেক কর্মীর কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা করে আদায় করে। এ ছাড়া পাসপোর্ট, কোভিড টেস্ট, মেডিকেল ও পোশাক বাবদ আরও প্রায় ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ৯ হাজার ৩৭২ জন কর্মীর কাছ থেকে জনপ্রতি অতিরিক্ত ১ লাখ ৭ হাজার ৫১০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এভাবে প্রতিষ্ঠানটি মোট ১০০ কোটি ৭৫ লাখ ৮৩ হাজার ৭২০ টাকা আত্মসাৎ করেছে। ২০১৬ সালের ১৮ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ৩০ মে পর্যন্ত সময়ে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ গ্রহণ, হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আসামিরা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এই ঘটনায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। বর্তমানে আসামি জেল হাজতে আটক থাকায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।
গত ২৩ মার্চ বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার একটি বাড়ি থেকে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের মামলায় তাকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে হত্যা ও আরও কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। সর্বশেষ ৭ মে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
/এফসি/

চিকিৎসা শেষে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী আবার ৩ দিনের রিমান্ডে


