শিরোনাম

বিয়ের মামলায় খালাস নাসির-তামিমা

সিটিজেন ডেস্ক
সিটিজেন ডেস্ক
বিয়ের মামলায় খালাস নাসির-তামিমা
তামিমা সুলতানা তাম্মি ও নাসির হোসেন

তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় খালাস পেয়েছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন।

২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন তাম্মির সাবেক স্বামী রাকিব হাসান। অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাকিবের সঙ্গে বিয়ে হয় তামিমার। তাদের ৮ বছরের সন্তানও আছে। তবে ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তার সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক থাকা অবস্থায় নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা, যা ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইনে অবৈধ।

অভিযোগে আরও বলা হয়, নাসির তামিমাকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন। তাদের এমন কার্যকলাপ রাকিবের জন্য চরম মানহানিকর এবং তার ৮ বছর বয়সী কন্যার জন্য মানসিক বিপর্যয়কর।

গত ৬ মে এ মামলায় বাদী ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়। তখন মামলার রায়ের তারিখ (১০ জুন) ধার্য করেন আদালত। সে অনুযায়ী আজ রায় হলো।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালত এ মামলায় নাসির-তামিমাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। ফলে এখন আর বলার সুযোগ নেই যে তাদের বিয়ে অবৈধ।

অন্যদিকে ন্যায়বিচার পাননি বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান। এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।

২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এরপর একই বছরের ৬ মার্চ মহানগর দায়রা জজ আদালতে নাসির ও তামিমা অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করেন। অন্যদিকে সুমি আক্তারকে অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করেন বাদীপক্ষ।

২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের রিভিশন আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মেদ মামলাটির বিচার চলবে বলে আদেশ দেন। এরপর নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

মামলাটি তদন্ত করে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ২০২২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

/জেএইচ/