ঝিকরগাছায় মা-শিশুর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পুলিশে হেফাজতে

ঝিকরগাছায় মা-শিশুর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পুলিশে হেফাজতে
বেনাপোল সংবাদদাতা

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় নাভারণ ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামে মা ও তার শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে গৃহবধূ রেবেকা খাতুন ও তার ছেলে সোহরাব হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে মা ও শিশুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত রেবেকার স্বামী জনি মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।
শ্বশুর রবিউল ইসলাম ও শাশুড়ি পরিছন বেগম বলেন, জমি বিক্রি নিয়ে রেবেকার বোন সাফিয়া বেগমের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরে রেবেকা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নিহতের বোন সাফিয়া বেগম। তিনি বলেন, জনি মিয়া মাদকাসক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে তার বোনের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে রেবেকা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।
ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা যাবে।

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় নাভারণ ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামে মা ও তার শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে গৃহবধূ রেবেকা খাতুন ও তার ছেলে সোহরাব হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে মা ও শিশুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত রেবেকার স্বামী জনি মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।
শ্বশুর রবিউল ইসলাম ও শাশুড়ি পরিছন বেগম বলেন, জমি বিক্রি নিয়ে রেবেকার বোন সাফিয়া বেগমের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরে রেবেকা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নিহতের বোন সাফিয়া বেগম। তিনি বলেন, জনি মিয়া মাদকাসক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে তার বোনের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে রেবেকা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।
ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা যাবে।

ঝিকরগাছায় মা-শিশুর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পুলিশে হেফাজতে
বেনাপোল সংবাদদাতা

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় নাভারণ ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামে মা ও তার শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে গৃহবধূ রেবেকা খাতুন ও তার ছেলে সোহরাব হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে মা ও শিশুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত রেবেকার স্বামী জনি মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।
শ্বশুর রবিউল ইসলাম ও শাশুড়ি পরিছন বেগম বলেন, জমি বিক্রি নিয়ে রেবেকার বোন সাফিয়া বেগমের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরে রেবেকা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নিহতের বোন সাফিয়া বেগম। তিনি বলেন, জনি মিয়া মাদকাসক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে তার বোনের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। স্বামীর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে রেবেকা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।
ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা যাবে।




