ইরান দল যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবে ম্যাচের আগের দিন

ইরান দল যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবে ম্যাচের আগের দিন
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের প্রভাব কিছুটা হলেও যে এবারের বিশ্বকাপে পড়বে, তা আগেই অনুমান করা হয়েছিল। সেই প্রভাব বিশ্বকাপ শুরুর আগেই পড়তে শুরু করেছে। ‘জি’ গ্রুপে থাকা ইরানের গ্রুপ পর্বের সবকটি ম্যাচই হবে যুক্তরাষ্ট্রে। তাই দলটির বেজক্যাম্পও ছিল সেখানে। কিন্তু বিশ্বকাপ শুরুর কিছুদিন আগে ইরান দল হঠাৎ করেই তাদের বেজক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে মেক্সিকোতে নিয়ে যায়।
মেক্সিকোর তিহুয়ানা শহর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ম্যাচগুলো খেলবে তারা। কিন্তু দুইদিন আগে মেক্সিকোতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবুলফজল পাসান্দিদাহরের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম খবর দিয়েছিল যে ইরান দলকে ম্যাচের দিনই শুধু যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে। ম্যাচ খেলে সেদিনই আবার ফিরে যেতে তিহুয়ানার বেজক্যাম্পে। কিন্তু ইরানের এই অভিযোগ সত্যি নয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি)। তারা বলেছে, ইরান দল ম্যাচের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবে। বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘ প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড) ট্রাম্পের উদারতায় ইরান দল ম্যাচের এক দিন আগেই ভেন্যুতে পৌঁছানোর সুযোগ পাবে।’
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের মুখপাত্র আমির মেহদি আলাভি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ফিফার নিয়ম মেনেই পুরো দল একটি ভাড়া করা বিমানে যুক্তরাষ্ট্রে যাবে।’ তাঁর এই বিবৃতি প্রকাশ করে ইরানের বার্তা সংস্থা আইএসএনএ। সেই বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের এক দিন আগে দল ভেন্যুতে পৌঁছাবে। তবে পরের দুটি ম্যাচের ক্ষেত্রে আমরা দুই দিন আগেই ভেন্যুতে চলে যাব।’
এর আগে ইরান ফুটবল দলের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। ইরানি রাষ্ট্রদূত ফেডারেশনের কিছু কর্মকর্তার ভিসা বাতিলের তীব্র সমালোচনাও করেছিলেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, যাদের ভিসা দেওয়া হয়েছে, তাদের রাতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করায় কোনো সমস্যা নেই, ‘তাদের ভিসায় এমন কোনো শর্ত নেই যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে।’
‘জি’ গ্রুপে ইরান তাদের ম্যাচ তিনটি খেলবে নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিসরের বিপক্ষে। ১৫ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এবারের বিশ্বকাপে ইরানের প্রথম ম্যাচটি লস অ্যাঞ্জেলেসের সফি স্টেডিয়ামে। ২১ জুন বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচটিও একই ভেন্যুতে। ২৬ জুন গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচটি মিসরের বিপক্ষে ইরান খেলবে সিয়াটলের লুমেন ফিল্ড স্টেডিয়ামে।
বাংলাদেশ সময় ১১ জুন রাত ১টায় মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকায় মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এবারের বিশ্বকাপ।

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের প্রভাব কিছুটা হলেও যে এবারের বিশ্বকাপে পড়বে, তা আগেই অনুমান করা হয়েছিল। সেই প্রভাব বিশ্বকাপ শুরুর আগেই পড়তে শুরু করেছে। ‘জি’ গ্রুপে থাকা ইরানের গ্রুপ পর্বের সবকটি ম্যাচই হবে যুক্তরাষ্ট্রে। তাই দলটির বেজক্যাম্পও ছিল সেখানে। কিন্তু বিশ্বকাপ শুরুর কিছুদিন আগে ইরান দল হঠাৎ করেই তাদের বেজক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে মেক্সিকোতে নিয়ে যায়।
মেক্সিকোর তিহুয়ানা শহর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ম্যাচগুলো খেলবে তারা। কিন্তু দুইদিন আগে মেক্সিকোতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবুলফজল পাসান্দিদাহরের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম খবর দিয়েছিল যে ইরান দলকে ম্যাচের দিনই শুধু যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে। ম্যাচ খেলে সেদিনই আবার ফিরে যেতে তিহুয়ানার বেজক্যাম্পে। কিন্তু ইরানের এই অভিযোগ সত্যি নয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি)। তারা বলেছে, ইরান দল ম্যাচের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবে। বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘ প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড) ট্রাম্পের উদারতায় ইরান দল ম্যাচের এক দিন আগেই ভেন্যুতে পৌঁছানোর সুযোগ পাবে।’
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের মুখপাত্র আমির মেহদি আলাভি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ফিফার নিয়ম মেনেই পুরো দল একটি ভাড়া করা বিমানে যুক্তরাষ্ট্রে যাবে।’ তাঁর এই বিবৃতি প্রকাশ করে ইরানের বার্তা সংস্থা আইএসএনএ। সেই বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের এক দিন আগে দল ভেন্যুতে পৌঁছাবে। তবে পরের দুটি ম্যাচের ক্ষেত্রে আমরা দুই দিন আগেই ভেন্যুতে চলে যাব।’
এর আগে ইরান ফুটবল দলের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। ইরানি রাষ্ট্রদূত ফেডারেশনের কিছু কর্মকর্তার ভিসা বাতিলের তীব্র সমালোচনাও করেছিলেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, যাদের ভিসা দেওয়া হয়েছে, তাদের রাতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করায় কোনো সমস্যা নেই, ‘তাদের ভিসায় এমন কোনো শর্ত নেই যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে।’
‘জি’ গ্রুপে ইরান তাদের ম্যাচ তিনটি খেলবে নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিসরের বিপক্ষে। ১৫ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এবারের বিশ্বকাপে ইরানের প্রথম ম্যাচটি লস অ্যাঞ্জেলেসের সফি স্টেডিয়ামে। ২১ জুন বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচটিও একই ভেন্যুতে। ২৬ জুন গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচটি মিসরের বিপক্ষে ইরান খেলবে সিয়াটলের লুমেন ফিল্ড স্টেডিয়ামে।
বাংলাদেশ সময় ১১ জুন রাত ১টায় মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকায় মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এবারের বিশ্বকাপ।

ইরান দল যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবে ম্যাচের আগের দিন
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের প্রভাব কিছুটা হলেও যে এবারের বিশ্বকাপে পড়বে, তা আগেই অনুমান করা হয়েছিল। সেই প্রভাব বিশ্বকাপ শুরুর আগেই পড়তে শুরু করেছে। ‘জি’ গ্রুপে থাকা ইরানের গ্রুপ পর্বের সবকটি ম্যাচই হবে যুক্তরাষ্ট্রে। তাই দলটির বেজক্যাম্পও ছিল সেখানে। কিন্তু বিশ্বকাপ শুরুর কিছুদিন আগে ইরান দল হঠাৎ করেই তাদের বেজক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে মেক্সিকোতে নিয়ে যায়।
মেক্সিকোর তিহুয়ানা শহর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ম্যাচগুলো খেলবে তারা। কিন্তু দুইদিন আগে মেক্সিকোতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবুলফজল পাসান্দিদাহরের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম খবর দিয়েছিল যে ইরান দলকে ম্যাচের দিনই শুধু যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে। ম্যাচ খেলে সেদিনই আবার ফিরে যেতে তিহুয়ানার বেজক্যাম্পে। কিন্তু ইরানের এই অভিযোগ সত্যি নয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি)। তারা বলেছে, ইরান দল ম্যাচের আগের দিন যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবে। বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘ প্রেসিডেন্ট (ডোনাল্ড) ট্রাম্পের উদারতায় ইরান দল ম্যাচের এক দিন আগেই ভেন্যুতে পৌঁছানোর সুযোগ পাবে।’
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের মুখপাত্র আমির মেহদি আলাভি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ফিফার নিয়ম মেনেই পুরো দল একটি ভাড়া করা বিমানে যুক্তরাষ্ট্রে যাবে।’ তাঁর এই বিবৃতি প্রকাশ করে ইরানের বার্তা সংস্থা আইএসএনএ। সেই বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ‘নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের এক দিন আগে দল ভেন্যুতে পৌঁছাবে। তবে পরের দুটি ম্যাচের ক্ষেত্রে আমরা দুই দিন আগেই ভেন্যুতে চলে যাব।’
এর আগে ইরান ফুটবল দলের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। ইরানি রাষ্ট্রদূত ফেডারেশনের কিছু কর্মকর্তার ভিসা বাতিলের তীব্র সমালোচনাও করেছিলেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, যাদের ভিসা দেওয়া হয়েছে, তাদের রাতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করায় কোনো সমস্যা নেই, ‘তাদের ভিসায় এমন কোনো শর্ত নেই যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে।’
‘জি’ গ্রুপে ইরান তাদের ম্যাচ তিনটি খেলবে নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিসরের বিপক্ষে। ১৫ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এবারের বিশ্বকাপে ইরানের প্রথম ম্যাচটি লস অ্যাঞ্জেলেসের সফি স্টেডিয়ামে। ২১ জুন বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচটিও একই ভেন্যুতে। ২৬ জুন গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচটি মিসরের বিপক্ষে ইরান খেলবে সিয়াটলের লুমেন ফিল্ড স্টেডিয়ামে।
বাংলাদেশ সময় ১১ জুন রাত ১টায় মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকায় মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এবারের বিশ্বকাপ।

ইরান ফুটবল দলের ১৪ কর্মকর্তা ভিসা না পাওয়ার কারণ কি


