ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের অপেক্ষায় সিলেট

ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের অপেক্ষায় সিলেট
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

বর্ষার আগমনী ছোঁয়ায় পাহাড়ি ঝরনা পেয়েছে নতুন রূপ। তাতে নতুন করে সাজছে সিলেট। ঈদের আগে পর্যটন এলাকাগুলোতে ব্যবসায়ীরা পর্যটকদের অপেক্ষায় আছেন। গেল কয়েকদিনের বৃষ্টিতে স্বচ্ছ হয়ে উঠেছে পানির ধারা, সবুজে মোড়া চা-বাগানগুলোও যেন আরও উজ্জ্বল। এই আবহেই আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সিলেটের পর্যটন খাতে ফিরছে প্রাণচাঞ্চল্য।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এবারের ঈদে প্রায় ১০ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটতে পারে সিলেটে। এতে ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকার ব্যবসার সম্ভাবনা দেখছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। যার অধিকাংশ আসবে হোটেল খাত থেকে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত সিলেট সব সময়ই ভ্রমণপ্রেমীদের অন্যতম গন্তব্য। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের কারণে জাফলং, রাতারগুল, বিছনাকান্দি ও ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর এর মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলো নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। স্বচ্ছ পানির সঙ্গে পাথরের মেলবন্ধন তৈরি করেছে দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ, যা পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়াচ্ছে। এছাড়া লালাখাল, পাংথুমাই ঝরনা, উৎমা ছড়া ও তুরুং ছড়ার মতো স্পটগুলোও এখন পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব সিলেট এর সভাপতি হুমায়ুন কবির লিটন বলেন, ‘ইতোমধ্যে সিলেটের প্রায় ৮৫ শতাংশ আবাসিক হোটেল ও মোটেল বুকিং হয়ে গেছে। দেড় বছর ধরে বিভিন্ন কারণে পর্যটন খাতটা স্থবির ছিল। তবে এবার পরিস্থিতি বদলেছে। ঈদের সময় পর্যটনের সুবাতাস বইবে বলে আমরা আশাবাদী।’
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কিছু এলাকায় বালু-পাথর লুটপাটের ঘটনায় পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির কারণে পর্যটকদের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে।
স্থানীয় ট্যুর গাইড মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত কয়েক বছর পর্যটক কম থাকায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলাম। তবে এবার ঈদের আগেই বুকিং ও যোগাযোগ বেড়েছে। পর্যটকদের ভালো সেবা দিতে পারলে ভবিষ্যতেও তারা ফিরে আসবেন।’
হোটেল-রেস্টুরেন্ট, পরিবহন খাত ও ট্যুর অপারেটররা ইতোমধ্যে পর্যটক বরণে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
নগরের জিন্দাবাজার এলাকার হোটেল গোল্ডেন সিটি এর ব্যবস্থাপক মিষ্টু দত্ত বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে আমাদের বেশিরভাগ কক্ষ আগেই বুকিং হয়ে গেছে। এবার পর্যটকদের আগ্রহ একটু বেশি মনে হচ্ছে।’
সিলেটের পাহাড়, নদী, ঝরনা ও বিস্তীর্ণ চা-বাগানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রতি বছরই ঈদের ছুটিতে দেশি পর্যটকদের টানে। গত কয়েক বছরে নানা কারণে সেই ধারায় ভাটা পড়লেও এবারের সাড়া নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে।
পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, এই ঈদ শুধু পর্যটকদের ভ্রমণ আনন্দই বাড়াবে না, দীর্ঘদিনের মন্দা কাটিয়ে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বর্ষার আগমনী ছোঁয়ায় পাহাড়ি ঝরনা পেয়েছে নতুন রূপ। তাতে নতুন করে সাজছে সিলেট। ঈদের আগে পর্যটন এলাকাগুলোতে ব্যবসায়ীরা পর্যটকদের অপেক্ষায় আছেন। গেল কয়েকদিনের বৃষ্টিতে স্বচ্ছ হয়ে উঠেছে পানির ধারা, সবুজে মোড়া চা-বাগানগুলোও যেন আরও উজ্জ্বল। এই আবহেই আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সিলেটের পর্যটন খাতে ফিরছে প্রাণচাঞ্চল্য।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এবারের ঈদে প্রায় ১০ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটতে পারে সিলেটে। এতে ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকার ব্যবসার সম্ভাবনা দেখছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। যার অধিকাংশ আসবে হোটেল খাত থেকে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত সিলেট সব সময়ই ভ্রমণপ্রেমীদের অন্যতম গন্তব্য। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের কারণে জাফলং, রাতারগুল, বিছনাকান্দি ও ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর এর মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলো নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। স্বচ্ছ পানির সঙ্গে পাথরের মেলবন্ধন তৈরি করেছে দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ, যা পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়াচ্ছে। এছাড়া লালাখাল, পাংথুমাই ঝরনা, উৎমা ছড়া ও তুরুং ছড়ার মতো স্পটগুলোও এখন পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব সিলেট এর সভাপতি হুমায়ুন কবির লিটন বলেন, ‘ইতোমধ্যে সিলেটের প্রায় ৮৫ শতাংশ আবাসিক হোটেল ও মোটেল বুকিং হয়ে গেছে। দেড় বছর ধরে বিভিন্ন কারণে পর্যটন খাতটা স্থবির ছিল। তবে এবার পরিস্থিতি বদলেছে। ঈদের সময় পর্যটনের সুবাতাস বইবে বলে আমরা আশাবাদী।’
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কিছু এলাকায় বালু-পাথর লুটপাটের ঘটনায় পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির কারণে পর্যটকদের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে।
স্থানীয় ট্যুর গাইড মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত কয়েক বছর পর্যটক কম থাকায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলাম। তবে এবার ঈদের আগেই বুকিং ও যোগাযোগ বেড়েছে। পর্যটকদের ভালো সেবা দিতে পারলে ভবিষ্যতেও তারা ফিরে আসবেন।’
হোটেল-রেস্টুরেন্ট, পরিবহন খাত ও ট্যুর অপারেটররা ইতোমধ্যে পর্যটক বরণে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
নগরের জিন্দাবাজার এলাকার হোটেল গোল্ডেন সিটি এর ব্যবস্থাপক মিষ্টু দত্ত বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে আমাদের বেশিরভাগ কক্ষ আগেই বুকিং হয়ে গেছে। এবার পর্যটকদের আগ্রহ একটু বেশি মনে হচ্ছে।’
সিলেটের পাহাড়, নদী, ঝরনা ও বিস্তীর্ণ চা-বাগানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রতি বছরই ঈদের ছুটিতে দেশি পর্যটকদের টানে। গত কয়েক বছরে নানা কারণে সেই ধারায় ভাটা পড়লেও এবারের সাড়া নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে।
পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, এই ঈদ শুধু পর্যটকদের ভ্রমণ আনন্দই বাড়াবে না, দীর্ঘদিনের মন্দা কাটিয়ে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের অপেক্ষায় সিলেট
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

বর্ষার আগমনী ছোঁয়ায় পাহাড়ি ঝরনা পেয়েছে নতুন রূপ। তাতে নতুন করে সাজছে সিলেট। ঈদের আগে পর্যটন এলাকাগুলোতে ব্যবসায়ীরা পর্যটকদের অপেক্ষায় আছেন। গেল কয়েকদিনের বৃষ্টিতে স্বচ্ছ হয়ে উঠেছে পানির ধারা, সবুজে মোড়া চা-বাগানগুলোও যেন আরও উজ্জ্বল। এই আবহেই আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সিলেটের পর্যটন খাতে ফিরছে প্রাণচাঞ্চল্য।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এবারের ঈদে প্রায় ১০ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটতে পারে সিলেটে। এতে ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকার ব্যবসার সম্ভাবনা দেখছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। যার অধিকাংশ আসবে হোটেল খাত থেকে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত সিলেট সব সময়ই ভ্রমণপ্রেমীদের অন্যতম গন্তব্য। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের কারণে জাফলং, রাতারগুল, বিছনাকান্দি ও ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর এর মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলো নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। স্বচ্ছ পানির সঙ্গে পাথরের মেলবন্ধন তৈরি করেছে দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ, যা পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বাড়াচ্ছে। এছাড়া লালাখাল, পাংথুমাই ঝরনা, উৎমা ছড়া ও তুরুং ছড়ার মতো স্পটগুলোও এখন পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব সিলেট এর সভাপতি হুমায়ুন কবির লিটন বলেন, ‘ইতোমধ্যে সিলেটের প্রায় ৮৫ শতাংশ আবাসিক হোটেল ও মোটেল বুকিং হয়ে গেছে। দেড় বছর ধরে বিভিন্ন কারণে পর্যটন খাতটা স্থবির ছিল। তবে এবার পরিস্থিতি বদলেছে। ঈদের সময় পর্যটনের সুবাতাস বইবে বলে আমরা আশাবাদী।’
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কিছু এলাকায় বালু-পাথর লুটপাটের ঘটনায় পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির কারণে পর্যটকদের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে।
স্থানীয় ট্যুর গাইড মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত কয়েক বছর পর্যটক কম থাকায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলাম। তবে এবার ঈদের আগেই বুকিং ও যোগাযোগ বেড়েছে। পর্যটকদের ভালো সেবা দিতে পারলে ভবিষ্যতেও তারা ফিরে আসবেন।’
হোটেল-রেস্টুরেন্ট, পরিবহন খাত ও ট্যুর অপারেটররা ইতোমধ্যে পর্যটক বরণে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
নগরের জিন্দাবাজার এলাকার হোটেল গোল্ডেন সিটি এর ব্যবস্থাপক মিষ্টু দত্ত বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে আমাদের বেশিরভাগ কক্ষ আগেই বুকিং হয়ে গেছে। এবার পর্যটকদের আগ্রহ একটু বেশি মনে হচ্ছে।’
সিলেটের পাহাড়, নদী, ঝরনা ও বিস্তীর্ণ চা-বাগানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রতি বছরই ঈদের ছুটিতে দেশি পর্যটকদের টানে। গত কয়েক বছরে নানা কারণে সেই ধারায় ভাটা পড়লেও এবারের সাড়া নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে।
পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, এই ঈদ শুধু পর্যটকদের ভ্রমণ আনন্দই বাড়াবে না, দীর্ঘদিনের মন্দা কাটিয়ে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।




