যুবদল নেতার কার্যালয়ে ৪ তরুণকে মারধর, চুল কেটে পুলিশে সোপর্দ

যুবদল নেতার কার্যালয়ে ৪ তরুণকে মারধর, চুল কেটে পুলিশে সোপর্দ
সিজেডএন ডেস্ক

রাজশাহী নগরীতে চুরির অভিযোগ তুলে চার তরুণকে একটি যুবদল নেতার কার্যালয়ে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মারধর এবং মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে আহত অবস্থায় তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে নগরের শাহমখদুম থানার আলিফ-লাম-মীম ভাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলটি রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য মো. শাকিলুর রহমানের (রন) কার্যালয় বলে জানা গেছে। বুধবার দুপুরে ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
নির্যাতনের শিকার চার তরুণ হলেন হুমায়ুন কবির (মিম), মো. আলিফ, আবদুস সামাদ ও দেব। তাঁদের বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। সবাই রাজশাহী নগরের শাহমখদুম এলাকার বাসিন্দা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৩৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চার তরুণকে একটি কক্ষের ভেতরে বসিয়ে কাঠের টুকরা দিয়ে মারধর করা হচ্ছে। এ সময় তারা কান্নাকাটি করে প্রাণভিক্ষা চাইছিলেন। পরে তাদের মাথার চুল ট্রিমার দিয়ে কেটে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীদের পরিবারের দাবি, স্থানীয় কয়েকটি দোকানে সিগারেট চুরির সন্দেহে চার তরুণকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর যুবদল নেতার কার্যালয়ের শাটার নামিয়ে তাঁদের লাঠি, লাথি ও ঘুষি দিয়ে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে মাথার চুল কেটে দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হুমায়ুন কবিরের মা লিপি ইসলাম বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে তার ছেলেকে চুরি করতে দেখা যায়নি। শুধু ওই এলাকা দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা গেছে। তবুও তাঁকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমার ছেলে অপরাধ করে থাকলে পুলিশে দেওয়া যেত। কিন্তু শাটার নামিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যেভাবে মারধর করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত ছিলেন, যাদের মধ্যে যুবদল ও ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকজনের নামও উল্লেখ করেছেন তাঁরা।
তবে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য শাকিলুর রহমান দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি বলেন, এলাকায় ধারাবাহিক চুরির ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন কয়েকজনকে আটক করে তার কার্যালয়ে নিয়ে আসে। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন এবং পুলিশে খবর দেন।
মারধরের বিষয়ে তিনি বলেন, “দলীয় কার্যালয়ে এ ধরনের ঘটনা হওয়া ঠিক হয়নি। তবে আমি সেখানে পৌঁছানোর আগেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল।”
এদিকে চুরির অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় চার তরুণকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকেও নির্যাতনের ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, চুরির অভিযোগে স্থানীয় লোকজন চার তরুণকে আটক করে মারধর করেছিল। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেয়। চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহী নগরীতে চুরির অভিযোগ তুলে চার তরুণকে একটি যুবদল নেতার কার্যালয়ে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মারধর এবং মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে আহত অবস্থায় তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে নগরের শাহমখদুম থানার আলিফ-লাম-মীম ভাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলটি রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য মো. শাকিলুর রহমানের (রন) কার্যালয় বলে জানা গেছে। বুধবার দুপুরে ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
নির্যাতনের শিকার চার তরুণ হলেন হুমায়ুন কবির (মিম), মো. আলিফ, আবদুস সামাদ ও দেব। তাঁদের বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। সবাই রাজশাহী নগরের শাহমখদুম এলাকার বাসিন্দা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৩৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চার তরুণকে একটি কক্ষের ভেতরে বসিয়ে কাঠের টুকরা দিয়ে মারধর করা হচ্ছে। এ সময় তারা কান্নাকাটি করে প্রাণভিক্ষা চাইছিলেন। পরে তাদের মাথার চুল ট্রিমার দিয়ে কেটে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীদের পরিবারের দাবি, স্থানীয় কয়েকটি দোকানে সিগারেট চুরির সন্দেহে চার তরুণকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর যুবদল নেতার কার্যালয়ের শাটার নামিয়ে তাঁদের লাঠি, লাথি ও ঘুষি দিয়ে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে মাথার চুল কেটে দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হুমায়ুন কবিরের মা লিপি ইসলাম বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে তার ছেলেকে চুরি করতে দেখা যায়নি। শুধু ওই এলাকা দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা গেছে। তবুও তাঁকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমার ছেলে অপরাধ করে থাকলে পুলিশে দেওয়া যেত। কিন্তু শাটার নামিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যেভাবে মারধর করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত ছিলেন, যাদের মধ্যে যুবদল ও ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকজনের নামও উল্লেখ করেছেন তাঁরা।
তবে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য শাকিলুর রহমান দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি বলেন, এলাকায় ধারাবাহিক চুরির ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন কয়েকজনকে আটক করে তার কার্যালয়ে নিয়ে আসে। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন এবং পুলিশে খবর দেন।
মারধরের বিষয়ে তিনি বলেন, “দলীয় কার্যালয়ে এ ধরনের ঘটনা হওয়া ঠিক হয়নি। তবে আমি সেখানে পৌঁছানোর আগেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল।”
এদিকে চুরির অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় চার তরুণকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকেও নির্যাতনের ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, চুরির অভিযোগে স্থানীয় লোকজন চার তরুণকে আটক করে মারধর করেছিল। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেয়। চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুবদল নেতার কার্যালয়ে ৪ তরুণকে মারধর, চুল কেটে পুলিশে সোপর্দ
সিজেডএন ডেস্ক

রাজশাহী নগরীতে চুরির অভিযোগ তুলে চার তরুণকে একটি যুবদল নেতার কার্যালয়ে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মারধর এবং মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে আহত অবস্থায় তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে নগরের শাহমখদুম থানার আলিফ-লাম-মীম ভাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলটি রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য মো. শাকিলুর রহমানের (রন) কার্যালয় বলে জানা গেছে। বুধবার দুপুরে ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
নির্যাতনের শিকার চার তরুণ হলেন হুমায়ুন কবির (মিম), মো. আলিফ, আবদুস সামাদ ও দেব। তাঁদের বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। সবাই রাজশাহী নগরের শাহমখদুম এলাকার বাসিন্দা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৩৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চার তরুণকে একটি কক্ষের ভেতরে বসিয়ে কাঠের টুকরা দিয়ে মারধর করা হচ্ছে। এ সময় তারা কান্নাকাটি করে প্রাণভিক্ষা চাইছিলেন। পরে তাদের মাথার চুল ট্রিমার দিয়ে কেটে দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীদের পরিবারের দাবি, স্থানীয় কয়েকটি দোকানে সিগারেট চুরির সন্দেহে চার তরুণকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর যুবদল নেতার কার্যালয়ের শাটার নামিয়ে তাঁদের লাঠি, লাথি ও ঘুষি দিয়ে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে মাথার চুল কেটে দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হুমায়ুন কবিরের মা লিপি ইসলাম বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে তার ছেলেকে চুরি করতে দেখা যায়নি। শুধু ওই এলাকা দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা গেছে। তবুও তাঁকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমার ছেলে অপরাধ করে থাকলে পুলিশে দেওয়া যেত। কিন্তু শাটার নামিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যেভাবে মারধর করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত ছিলেন, যাদের মধ্যে যুবদল ও ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকজনের নামও উল্লেখ করেছেন তাঁরা।
তবে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য শাকিলুর রহমান দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি বলেন, এলাকায় ধারাবাহিক চুরির ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন কয়েকজনকে আটক করে তার কার্যালয়ে নিয়ে আসে। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন এবং পুলিশে খবর দেন।
মারধরের বিষয়ে তিনি বলেন, “দলীয় কার্যালয়ে এ ধরনের ঘটনা হওয়া ঠিক হয়নি। তবে আমি সেখানে পৌঁছানোর আগেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল।”
এদিকে চুরির অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় চার তরুণকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকেও নির্যাতনের ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, চুরির অভিযোগে স্থানীয় লোকজন চার তরুণকে আটক করে মারধর করেছিল। পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসা দেয়। চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




