তাবিজের কথা বলে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

তাবিজের কথা বলে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

তাবিজের কথা বলে এক নারীকে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব নামে এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।
মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব মাধবখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ও উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশে তার একটি ওষুধের দোকান রয়েছে।
মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মহসিন হাওলাদার বিষয়টির নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, তার ভাইয়ের ছেলের জন্য তাবিজ দেওয়ার কথা বলে জামায়াত নেতা মোস্তাফিজুর রহমান গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তাকে ঘরে ডেকে আনেন। এসময় জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নারীর স্বামী ও ৯ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এক বছর আগে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়। একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে পরিচয়। পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে ওই নারী প্রায়ই তার কাছে তাবিজ নিতে আসতেন।
বৃহস্পতিবার সকালে জামায়াত নেতা তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে পাঠিয়ে দেন। এরপর সন্ধ্যার দিকে ওই নারীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। প্রায় ঘণ্টা দুয়েক তারা ঘরের ভেতরে অবস্থান করেন। একপর্যায়ে ওই ঘর থেকে নারীর চিৎকার শুনতে পেয়ে আশপাশের লোকজন জড়ো হন। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। ঘটনাস্থল থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুবকে আটক করে পুলিশ। এই ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেলে মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে নারী বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন। আসামি মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তাবিজের কথা বলে এক নারীকে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব নামে এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।
মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব মাধবখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ও উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশে তার একটি ওষুধের দোকান রয়েছে।
মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মহসিন হাওলাদার বিষয়টির নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, তার ভাইয়ের ছেলের জন্য তাবিজ দেওয়ার কথা বলে জামায়াত নেতা মোস্তাফিজুর রহমান গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তাকে ঘরে ডেকে আনেন। এসময় জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নারীর স্বামী ও ৯ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এক বছর আগে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়। একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে পরিচয়। পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে ওই নারী প্রায়ই তার কাছে তাবিজ নিতে আসতেন।
বৃহস্পতিবার সকালে জামায়াত নেতা তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে পাঠিয়ে দেন। এরপর সন্ধ্যার দিকে ওই নারীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। প্রায় ঘণ্টা দুয়েক তারা ঘরের ভেতরে অবস্থান করেন। একপর্যায়ে ওই ঘর থেকে নারীর চিৎকার শুনতে পেয়ে আশপাশের লোকজন জড়ো হন। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। ঘটনাস্থল থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুবকে আটক করে পুলিশ। এই ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেলে মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে নারী বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন। আসামি মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তাবিজের কথা বলে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

তাবিজের কথা বলে এক নারীকে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব নামে এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালি ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।
মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব মাধবখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ও উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশে তার একটি ওষুধের দোকান রয়েছে।
মাধবখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মহসিন হাওলাদার বিষয়টির নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, তার ভাইয়ের ছেলের জন্য তাবিজ দেওয়ার কথা বলে জামায়াত নেতা মোস্তাফিজুর রহমান গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর তাকে ঘরে ডেকে আনেন। এসময় জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নারীর স্বামী ও ৯ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এক বছর আগে স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়। একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে পরিচয়। পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে ওই নারী প্রায়ই তার কাছে তাবিজ নিতে আসতেন।
বৃহস্পতিবার সকালে জামায়াত নেতা তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে পাঠিয়ে দেন। এরপর সন্ধ্যার দিকে ওই নারীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। প্রায় ঘণ্টা দুয়েক তারা ঘরের ভেতরে অবস্থান করেন। একপর্যায়ে ওই ঘর থেকে নারীর চিৎকার শুনতে পেয়ে আশপাশের লোকজন জড়ো হন। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন। ঘটনাস্থল থেকে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুবকে আটক করে পুলিশ। এই ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেলে মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে নারী বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন। আসামি মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গার্লস কলেজে শিক্ষকতা, জামায়াত নেতাকে অব্যাহতি







