বঙ্গোপসাগরে ৩ ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১৩

বঙ্গোপসাগরে ৩ ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১৩
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ও লঘুচাপের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়া এবং উত্তাল ঢেউয়ের তাণ্ডবে গত চার দিনে ৩টি মাছধরা ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত ১৩ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা।
তিনি জানান, বুধবার বেলা ১টার দিকে চর বিজয়-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ৬ জেলে নিয়ে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যায়। এই ঘটনায় ট্রলারের মালিক মাসুদ মাঝি উদ্ধার হলেও এখনো ৫ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
এছাড়া গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে দুইটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যায়। এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ২ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন– কালাম পাইকার ও শহীদ। তারা দুইজনই তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে তালতলী উপজেলার ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র থেকে দুইটি মাছ ধরার ট্রলার কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ইলিশ শিকারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তপন জোমাদ্দারের মালিকানাধীন ট্রলারে ১৩ জন এবং আলমগীর খলিফার মালিকানাধীন ট্রলারে ৫ জেলে ছিলেন।
জেলেরা জানান, রাতে হঠাৎ সাগর উত্তাল হয়ে উঠলে প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলার দুটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। ঢেউয়ের তোড়ে আলমগীর খলিফার মালিকানাধীন ট্রলারটি ডুবে গেলে ওই ট্রলারের জেলেরা জীবন বাঁচাতে তপন জোমাদ্দারের ট্রলারে ওঠেন। একপর্যায়ে প্রচণ্ড ঢেউয়ে দ্বিতীয় ট্রলারটিও ডুবে গেলে জেলেরা সাগরে ভাসতে থাকেন।
রাত ৩টার দিকে অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার ১৬ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। অন্য ২ জনের সন্ধান মেলেনি এখনো।
ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মজিবুর রহমান ফরাজী বলেন, ‘দুই জন জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। প্রশাসনের পাশাপাশি আমাদের সমিতির পক্ষ থেকেও নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে কোস্ট গার্ড এবং নৌ পুলিশকে অবহিত করেছি। তবে সাগর উত্তাল থাকায় উদ্ধার অভিযানে বেগ পেতে হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া ১৬ জেলের চিকিৎসার বিষয়ে আমরা পটুয়াখালীর মহিপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খোঁজখবর নিচ্ছি।'
কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ড অভিযান চালাচ্ছে।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ও লঘুচাপের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়া এবং উত্তাল ঢেউয়ের তাণ্ডবে গত চার দিনে ৩টি মাছধরা ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত ১৩ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা।
তিনি জানান, বুধবার বেলা ১টার দিকে চর বিজয়-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ৬ জেলে নিয়ে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যায়। এই ঘটনায় ট্রলারের মালিক মাসুদ মাঝি উদ্ধার হলেও এখনো ৫ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
এছাড়া গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে দুইটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যায়। এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ২ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন– কালাম পাইকার ও শহীদ। তারা দুইজনই তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে তালতলী উপজেলার ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র থেকে দুইটি মাছ ধরার ট্রলার কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ইলিশ শিকারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তপন জোমাদ্দারের মালিকানাধীন ট্রলারে ১৩ জন এবং আলমগীর খলিফার মালিকানাধীন ট্রলারে ৫ জেলে ছিলেন।
জেলেরা জানান, রাতে হঠাৎ সাগর উত্তাল হয়ে উঠলে প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলার দুটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। ঢেউয়ের তোড়ে আলমগীর খলিফার মালিকানাধীন ট্রলারটি ডুবে গেলে ওই ট্রলারের জেলেরা জীবন বাঁচাতে তপন জোমাদ্দারের ট্রলারে ওঠেন। একপর্যায়ে প্রচণ্ড ঢেউয়ে দ্বিতীয় ট্রলারটিও ডুবে গেলে জেলেরা সাগরে ভাসতে থাকেন।
রাত ৩টার দিকে অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার ১৬ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। অন্য ২ জনের সন্ধান মেলেনি এখনো।
ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মজিবুর রহমান ফরাজী বলেন, ‘দুই জন জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। প্রশাসনের পাশাপাশি আমাদের সমিতির পক্ষ থেকেও নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে কোস্ট গার্ড এবং নৌ পুলিশকে অবহিত করেছি। তবে সাগর উত্তাল থাকায় উদ্ধার অভিযানে বেগ পেতে হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া ১৬ জেলের চিকিৎসার বিষয়ে আমরা পটুয়াখালীর মহিপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খোঁজখবর নিচ্ছি।'
কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ড অভিযান চালাচ্ছে।

বঙ্গোপসাগরে ৩ ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ১৩
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ ও লঘুচাপের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়া এবং উত্তাল ঢেউয়ের তাণ্ডবে গত চার দিনে ৩টি মাছধরা ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত ১৩ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা।
তিনি জানান, বুধবার বেলা ১টার দিকে চর বিজয়-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ৬ জেলে নিয়ে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যায়। এই ঘটনায় ট্রলারের মালিক মাসুদ মাঝি উদ্ধার হলেও এখনো ৫ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
এছাড়া গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে দুইটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যায়। এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ২ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন– কালাম পাইকার ও শহীদ। তারা দুইজনই তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে তালতলী উপজেলার ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র থেকে দুইটি মাছ ধরার ট্রলার কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ইলিশ শিকারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তপন জোমাদ্দারের মালিকানাধীন ট্রলারে ১৩ জন এবং আলমগীর খলিফার মালিকানাধীন ট্রলারে ৫ জেলে ছিলেন।
জেলেরা জানান, রাতে হঠাৎ সাগর উত্তাল হয়ে উঠলে প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলার দুটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। ঢেউয়ের তোড়ে আলমগীর খলিফার মালিকানাধীন ট্রলারটি ডুবে গেলে ওই ট্রলারের জেলেরা জীবন বাঁচাতে তপন জোমাদ্দারের ট্রলারে ওঠেন। একপর্যায়ে প্রচণ্ড ঢেউয়ে দ্বিতীয় ট্রলারটিও ডুবে গেলে জেলেরা সাগরে ভাসতে থাকেন।
রাত ৩টার দিকে অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার ১৬ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। অন্য ২ জনের সন্ধান মেলেনি এখনো।
ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মজিবুর রহমান ফরাজী বলেন, ‘দুই জন জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। প্রশাসনের পাশাপাশি আমাদের সমিতির পক্ষ থেকেও নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে কোস্ট গার্ড এবং নৌ পুলিশকে অবহিত করেছি। তবে সাগর উত্তাল থাকায় উদ্ধার অভিযানে বেগ পেতে হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া ১৬ জেলের চিকিৎসার বিষয়ে আমরা পটুয়াখালীর মহিপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খোঁজখবর নিচ্ছি।'
কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ড অভিযান চালাচ্ছে।




