‘পীর’ শামীম হত্যার ঘটনায় ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা

‘পীর’ শামীম হত্যার ঘটনায় ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ০৯

নিহত মো. আব্দুর রহমান ওরফে শামীম রেজা। ছবি: সংগৃহীত
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দরবার শরিফে হামলায় চালিয়ে ‘পীর’ মো. আব্দুর রহমান ওরফে শামীম রেজাকে (৫৭) হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা কাঠমিস্ত্রি রাজীব দফাদারকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়া আরও অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।
গতকাল সোমবার দিবাগত ১০টার দিকে নিহত শামীমের বড় ভাই ফজলুর রহমান সান্টু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় এ হত্যা মামলা করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শামিম শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকাল পৌনে তিনটার দিকে ফিলিপনগরে তার দরবারে অবস্থান করছিলেন। এ সময় এজাহারনামীয় আসামি রাজীবসহ অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে হাতে লোহার রড, হাঁসুয়া, দা, ছুরি, কুড়াল, বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটাম নিয়ে দরবার শরিফে প্রবেশ করেন। তারা দরবারের দরজা, জানালা ভাঙচুর করেন।
এসময় রাজীবসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা দরবার শরিফের দ্বিতীয় তলায় প্রবেশ করে জোবায়ের (৩১) নামের একজনকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটান। এরপর রাজীব লোহার রড দিয়ে আব্দুর রহমানের কোমর বরাবর এবং হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করেন।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অজ্ঞাতনামা আসামিরা শামীমকে এলোপাতাড়িভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার ওপর, ডান চোয়ালের কাছে, ঠোঁটের মধ্যে, থুতনিতে, পিঠের বাঁ পাশে ও ডান পায়ের হাঁটুর পেছনে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন এবং বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটাম দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করেন। সে সময় শামীমের চিৎকারে দরবার শরিফের পরিচারিকা জামিরন দৌড়ে গেলে আসামিরা তার ওপর হামলা চালায়। এসময় তাকেও হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ দেয়, কোপটি বাঁ হাত দিয়ে ঠেকালে বাঁ কবজির ওপরের অংশের মাংস কেটে রক্তাক্ত হয়।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা দরবার শরিফ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে আনুমানিক ২০ লাখ টাকার ক্ষতি করে। তারা শামীমের দরবার শরিফে থাকা স্টিলের আলমারি ভেঙে নগদ ১০ লাখ টাকা এবং ৪ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার তার করা হয়নি। তবে মামলার আসামিদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, পবিত্র কোরআন ও ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে গত ১১ এপ্রিল দুপুরের দিকে ‘পীর’ শামীম রেজার দরবার শরিফে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন স্থানীয়রা। এ সময় বিক্ষুব্ধরা দরবারের দোতলার একটি কক্ষ থেকে বের করে এনে শামীর রেজাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেন। আহত হন শামীমের দুই অনুসারী।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দরবার শরিফে হামলায় চালিয়ে ‘পীর’ মো. আব্দুর রহমান ওরফে শামীম রেজাকে (৫৭) হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা কাঠমিস্ত্রি রাজীব দফাদারকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়া আরও অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।
গতকাল সোমবার দিবাগত ১০টার দিকে নিহত শামীমের বড় ভাই ফজলুর রহমান সান্টু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় এ হত্যা মামলা করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শামিম শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকাল পৌনে তিনটার দিকে ফিলিপনগরে তার দরবারে অবস্থান করছিলেন। এ সময় এজাহারনামীয় আসামি রাজীবসহ অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে হাতে লোহার রড, হাঁসুয়া, দা, ছুরি, কুড়াল, বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটাম নিয়ে দরবার শরিফে প্রবেশ করেন। তারা দরবারের দরজা, জানালা ভাঙচুর করেন।
এসময় রাজীবসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা দরবার শরিফের দ্বিতীয় তলায় প্রবেশ করে জোবায়ের (৩১) নামের একজনকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটান। এরপর রাজীব লোহার রড দিয়ে আব্দুর রহমানের কোমর বরাবর এবং হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করেন।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অজ্ঞাতনামা আসামিরা শামীমকে এলোপাতাড়িভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার ওপর, ডান চোয়ালের কাছে, ঠোঁটের মধ্যে, থুতনিতে, পিঠের বাঁ পাশে ও ডান পায়ের হাঁটুর পেছনে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন এবং বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটাম দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করেন। সে সময় শামীমের চিৎকারে দরবার শরিফের পরিচারিকা জামিরন দৌড়ে গেলে আসামিরা তার ওপর হামলা চালায়। এসময় তাকেও হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ দেয়, কোপটি বাঁ হাত দিয়ে ঠেকালে বাঁ কবজির ওপরের অংশের মাংস কেটে রক্তাক্ত হয়।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা দরবার শরিফ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে আনুমানিক ২০ লাখ টাকার ক্ষতি করে। তারা শামীমের দরবার শরিফে থাকা স্টিলের আলমারি ভেঙে নগদ ১০ লাখ টাকা এবং ৪ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার তার করা হয়নি। তবে মামলার আসামিদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, পবিত্র কোরআন ও ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে গত ১১ এপ্রিল দুপুরের দিকে ‘পীর’ শামীম রেজার দরবার শরিফে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন স্থানীয়রা। এ সময় বিক্ষুব্ধরা দরবারের দোতলার একটি কক্ষ থেকে বের করে এনে শামীর রেজাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেন। আহত হন শামীমের দুই অনুসারী।

‘পীর’ শামীম হত্যার ঘটনায় ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা
কুষ্টিয়া সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ০৯

নিহত মো. আব্দুর রহমান ওরফে শামীম রেজা। ছবি: সংগৃহীত
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দরবার শরিফে হামলায় চালিয়ে ‘পীর’ মো. আব্দুর রহমান ওরফে শামীম রেজাকে (৫৭) হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা কাঠমিস্ত্রি রাজীব দফাদারকে প্রধান আসামি করা হয়। এছাড়া আরও অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।
গতকাল সোমবার দিবাগত ১০টার দিকে নিহত শামীমের বড় ভাই ফজলুর রহমান সান্টু বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় এ হত্যা মামলা করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শামিম শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকাল পৌনে তিনটার দিকে ফিলিপনগরে তার দরবারে অবস্থান করছিলেন। এ সময় এজাহারনামীয় আসামি রাজীবসহ অজ্ঞাতনামা ১৮০ থেকে ২০০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে হাতে লোহার রড, হাঁসুয়া, দা, ছুরি, কুড়াল, বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটাম নিয়ে দরবার শরিফে প্রবেশ করেন। তারা দরবারের দরজা, জানালা ভাঙচুর করেন।
এসময় রাজীবসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা দরবার শরিফের দ্বিতীয় তলায় প্রবেশ করে জোবায়ের (৩১) নামের একজনকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটান। এরপর রাজীব লোহার রড দিয়ে আব্দুর রহমানের কোমর বরাবর এবং হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করেন।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অজ্ঞাতনামা আসামিরা শামীমকে এলোপাতাড়িভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার ওপর, ডান চোয়ালের কাছে, ঠোঁটের মধ্যে, থুতনিতে, পিঠের বাঁ পাশে ও ডান পায়ের হাঁটুর পেছনে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেন এবং বাঁশের লাঠি ও কাঠের বাটাম দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করেন। সে সময় শামীমের চিৎকারে দরবার শরিফের পরিচারিকা জামিরন দৌড়ে গেলে আসামিরা তার ওপর হামলা চালায়। এসময় তাকেও হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ দেয়, কোপটি বাঁ হাত দিয়ে ঠেকালে বাঁ কবজির ওপরের অংশের মাংস কেটে রক্তাক্ত হয়।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা দরবার শরিফ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে আনুমানিক ২০ লাখ টাকার ক্ষতি করে। তারা শামীমের দরবার শরিফে থাকা স্টিলের আলমারি ভেঙে নগদ ১০ লাখ টাকা এবং ৪ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার তার করা হয়নি। তবে মামলার আসামিদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, পবিত্র কোরআন ও ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে গত ১১ এপ্রিল দুপুরের দিকে ‘পীর’ শামীম রেজার দরবার শরিফে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন স্থানীয়রা। এ সময় বিক্ষুব্ধরা দরবারের দোতলার একটি কক্ষ থেকে বের করে এনে শামীর রেজাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেন। আহত হন শামীমের দুই অনুসারী।
/এফআর/

চালবোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, নিহত ৭
নির্ভয়ে গাইতে পারার প্রত্যাশা জানিয়ে ছায়ানটের বর্ষবরণ


