রাঙ্গা ও পনিরের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক

রাঙ্গা ও পনিরের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

মনোনয়ন বাণিজ্য ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য (এমপি) পদে দলীয় মনোনয়ন পাইয়ে দিতে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন এবং ওই অর্থ স্থানান্তর ও নগদায়নের অভিযোগে এ মামলা করা হবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে দুদকরে মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য দিয়েছেন। একই সঙ্গে রাঙ্গার সম্পদের উৎস যাচাইয়ে তার নামে থাকা সম্পদের বিবরণী জমার নোটিশ জারির সুপারিশ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মশিউর রহমান রাঙ্গা জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব ও প্রেসিডিয়াম সদস্য। অন্যদিকে পনির উদ্দিন আহমেদ ছিলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য। পনির উদ্দিন আহমেদ ‘মেসার্স জলিল বিড়ি ফ্যাক্টরি’ ও ‘হক স্পেশালের’ (পরিবহন ব্যবসা) স্বত্বাধিকারী।
দুদকের অভিযোগ, ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর ইসলামী ব্যাংকের কুড়িগ্রাম শাখা থেকে রংপুর শাখায় ২০ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরে সোনালী ব্যাংকের কুড়িগ্রাম শাখা থেকে সংসদ ভবন শাখার একটি হিসাবে কয়েক দফায় আরও অর্থ জমা দেওয়া হয়।
দুদকের ভাষ্য, ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর ২৫ লাখ টাকা করে দুই দফায় মোট ৫০ লাখ টাকা, ১৯ নভেম্বর ৫০ লাখ টাকা, ২২ নভেম্বর ৪০ লাখ টাকা এবং ২৫ নভেম্বর ১০ লাখ টাকা নগদ জমা দেওয়া হয়। এভাবে মোট ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা নগদ জমা ও তোলা হয়। অন্যান্য লেনদেনসহ সব মিলিয়ে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে লেনদেনের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।
দুদক জানায়, মশিউর রহমান ও পনিরের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১, ১৬৫ ও ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭–এর ৫(২) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা অনুযায়ী মামলা করা হবে।

মনোনয়ন বাণিজ্য ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য (এমপি) পদে দলীয় মনোনয়ন পাইয়ে দিতে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন এবং ওই অর্থ স্থানান্তর ও নগদায়নের অভিযোগে এ মামলা করা হবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে দুদকরে মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য দিয়েছেন। একই সঙ্গে রাঙ্গার সম্পদের উৎস যাচাইয়ে তার নামে থাকা সম্পদের বিবরণী জমার নোটিশ জারির সুপারিশ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মশিউর রহমান রাঙ্গা জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব ও প্রেসিডিয়াম সদস্য। অন্যদিকে পনির উদ্দিন আহমেদ ছিলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য। পনির উদ্দিন আহমেদ ‘মেসার্স জলিল বিড়ি ফ্যাক্টরি’ ও ‘হক স্পেশালের’ (পরিবহন ব্যবসা) স্বত্বাধিকারী।
দুদকের অভিযোগ, ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর ইসলামী ব্যাংকের কুড়িগ্রাম শাখা থেকে রংপুর শাখায় ২০ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরে সোনালী ব্যাংকের কুড়িগ্রাম শাখা থেকে সংসদ ভবন শাখার একটি হিসাবে কয়েক দফায় আরও অর্থ জমা দেওয়া হয়।
দুদকের ভাষ্য, ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর ২৫ লাখ টাকা করে দুই দফায় মোট ৫০ লাখ টাকা, ১৯ নভেম্বর ৫০ লাখ টাকা, ২২ নভেম্বর ৪০ লাখ টাকা এবং ২৫ নভেম্বর ১০ লাখ টাকা নগদ জমা দেওয়া হয়। এভাবে মোট ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা নগদ জমা ও তোলা হয়। অন্যান্য লেনদেনসহ সব মিলিয়ে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে লেনদেনের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।
দুদক জানায়, মশিউর রহমান ও পনিরের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১, ১৬৫ ও ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭–এর ৫(২) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা অনুযায়ী মামলা করা হবে।

রাঙ্গা ও পনিরের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক
নিজস্ব প্রতিবেদক

মনোনয়ন বাণিজ্য ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা ও কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য (এমপি) পদে দলীয় মনোনয়ন পাইয়ে দিতে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেন এবং ওই অর্থ স্থানান্তর ও নগদায়নের অভিযোগে এ মামলা করা হবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে দুদকরে মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য দিয়েছেন। একই সঙ্গে রাঙ্গার সম্পদের উৎস যাচাইয়ে তার নামে থাকা সম্পদের বিবরণী জমার নোটিশ জারির সুপারিশ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মশিউর রহমান রাঙ্গা জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব ও প্রেসিডিয়াম সদস্য। অন্যদিকে পনির উদ্দিন আহমেদ ছিলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য। পনির উদ্দিন আহমেদ ‘মেসার্স জলিল বিড়ি ফ্যাক্টরি’ ও ‘হক স্পেশালের’ (পরিবহন ব্যবসা) স্বত্বাধিকারী।
দুদকের অভিযোগ, ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর ইসলামী ব্যাংকের কুড়িগ্রাম শাখা থেকে রংপুর শাখায় ২০ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরে সোনালী ব্যাংকের কুড়িগ্রাম শাখা থেকে সংসদ ভবন শাখার একটি হিসাবে কয়েক দফায় আরও অর্থ জমা দেওয়া হয়।
দুদকের ভাষ্য, ২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর ২৫ লাখ টাকা করে দুই দফায় মোট ৫০ লাখ টাকা, ১৯ নভেম্বর ৫০ লাখ টাকা, ২২ নভেম্বর ৪০ লাখ টাকা এবং ২৫ নভেম্বর ১০ লাখ টাকা নগদ জমা দেওয়া হয়। এভাবে মোট ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা নগদ জমা ও তোলা হয়। অন্যান্য লেনদেনসহ সব মিলিয়ে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে লেনদেনের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক।
দুদক জানায়, মশিউর রহমান ও পনিরের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৬১, ১৬৫ ও ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭–এর ৫(২) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা অনুযায়ী মামলা করা হবে।


আদর্শেন্যায়ভিত্তিকসমাজগড়ারআহ্বানরাষ্ট্রপতির-CznNewsLab-25c269.jpg)






