কর্মচারীকে মারধর, কুড়িগ্রাম পৌরসভার সিইও প্রত্যাহার

কর্মচারীকে মারধর, কুড়িগ্রাম পৌরসভার সিইও প্রত্যাহার
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. ফজলে রাব্বীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রবিবার (১৬ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব সগীর হোসেনের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
পৌরসভার দুই কর্মচারীকে মারধর ও অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার পর ফজলে রাবাবীকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম কুদরত-এ-খুদা এ তথ্য জানান।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর সিইও রাব্বী তার আবাসিক কক্ষে পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক রশিদ এবং পরিচ্ছন্নতা শাখার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আনারুল ইসলামকে গালিগালাজ ও মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী দুই কর্মচারী। এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে কর্মবিরতিতে যান পৌরসভার কর্মচারীরা। অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দেন তারা। এতে পৌরসভার দাপ্তারিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
এ ঘটনার পর কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাধ অভিযুক্ত সিইও ফজলে রাব্বীকে অপসারণে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থার আশ্বাস দেন। ওই দিনই তিনি মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠান। ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে দুই দিনের মাথায় সিইও ফজলে রাব্বীকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. ফজলে রাব্বীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রবিবার (১৬ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব সগীর হোসেনের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
পৌরসভার দুই কর্মচারীকে মারধর ও অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার পর ফজলে রাবাবীকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম কুদরত-এ-খুদা এ তথ্য জানান।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর সিইও রাব্বী তার আবাসিক কক্ষে পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক রশিদ এবং পরিচ্ছন্নতা শাখার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আনারুল ইসলামকে গালিগালাজ ও মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী দুই কর্মচারী। এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে কর্মবিরতিতে যান পৌরসভার কর্মচারীরা। অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দেন তারা। এতে পৌরসভার দাপ্তারিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
এ ঘটনার পর কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাধ অভিযুক্ত সিইও ফজলে রাব্বীকে অপসারণে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থার আশ্বাস দেন। ওই দিনই তিনি মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠান। ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে দুই দিনের মাথায় সিইও ফজলে রাব্বীকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

কর্মচারীকে মারধর, কুড়িগ্রাম পৌরসভার সিইও প্রত্যাহার
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. ফজলে রাব্বীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রবিবার (১৬ আগস্ট) স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব সগীর হোসেনের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
পৌরসভার দুই কর্মচারীকে মারধর ও অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার পর ফজলে রাবাবীকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম কুদরত-এ-খুদা এ তথ্য জানান।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর সিইও রাব্বী তার আবাসিক কক্ষে পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক রশিদ এবং পরিচ্ছন্নতা শাখার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আনারুল ইসলামকে গালিগালাজ ও মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী দুই কর্মচারী। এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে কর্মবিরতিতে যান পৌরসভার কর্মচারীরা। অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দেন তারা। এতে পৌরসভার দাপ্তারিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
এ ঘটনার পর কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাধ অভিযুক্ত সিইও ফজলে রাব্বীকে অপসারণে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থার আশ্বাস দেন। ওই দিনই তিনি মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠান। ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে দুই দিনের মাথায় সিইও ফজলে রাব্বীকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি করে স্থানীয় সরকার বিভাগ।









