পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন: আইনমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন: আইনমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করে সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন। তার শপথ গ্রহণে কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। সরকার যা করছে সংবিধান মেনেই করেছে।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন,বাংলাদেশের ঘরে ঘরে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষি কার্ড দিচ্ছে। তেমনি আইনগত সহায়তা দেবে লিগ্যাল এইড টিম। আমরা মানবাধিকার নিশ্চিত করতে চাই।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো বড় ও প্রধান সড়কগুলোতে চলাচল শুরু করেছে। এতে মানুষের চলাচলে কিছু সুবিধা হলেও নানা ধরনের অসুবিধাও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং রিকশাচালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে। একইসঙ্গে এসব যানবাহন কারিগরি দিক থেকে যথেষ্ট নিরাপদ ও মানসম্মত কি না, তাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে খুব দ্রুত নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। কোন এলাকায় এবং কতটুকু এসব যান চলাচল করতে পারবে, যানবাহনের মান কেমন হবে এসব বিষয় নীতিমালায় নিশ্চিত করা হবে। এর মাধ্যমে দ্রুত একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, চলতি অর্থবছরে দেশের ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে। এ কর্মসূচিতে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।ফ্যামিলি কার্ডে এত বড় অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের অনেক অগ্রাধিকার রয়েছে। তবে সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করাও সরকারের একটি বড় অগ্রাধিকার।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করে সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন। তার শপথ গ্রহণে কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। সরকার যা করছে সংবিধান মেনেই করেছে।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন,বাংলাদেশের ঘরে ঘরে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষি কার্ড দিচ্ছে। তেমনি আইনগত সহায়তা দেবে লিগ্যাল এইড টিম। আমরা মানবাধিকার নিশ্চিত করতে চাই।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো বড় ও প্রধান সড়কগুলোতে চলাচল শুরু করেছে। এতে মানুষের চলাচলে কিছু সুবিধা হলেও নানা ধরনের অসুবিধাও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং রিকশাচালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে। একইসঙ্গে এসব যানবাহন কারিগরি দিক থেকে যথেষ্ট নিরাপদ ও মানসম্মত কি না, তাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে খুব দ্রুত নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। কোন এলাকায় এবং কতটুকু এসব যান চলাচল করতে পারবে, যানবাহনের মান কেমন হবে এসব বিষয় নীতিমালায় নিশ্চিত করা হবে। এর মাধ্যমে দ্রুত একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, চলতি অর্থবছরে দেশের ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে। এ কর্মসূচিতে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।ফ্যামিলি কার্ডে এত বড় অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের অনেক অগ্রাধিকার রয়েছে। তবে সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করাও সরকারের একটি বড় অগ্রাধিকার।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন: আইনমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করে সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন। তার শপথ গ্রহণে কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। সরকার যা করছে সংবিধান মেনেই করেছে।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন,বাংলাদেশের ঘরে ঘরে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষি কার্ড দিচ্ছে। তেমনি আইনগত সহায়তা দেবে লিগ্যাল এইড টিম। আমরা মানবাধিকার নিশ্চিত করতে চাই।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো বড় ও প্রধান সড়কগুলোতে চলাচল শুরু করেছে। এতে মানুষের চলাচলে কিছু সুবিধা হলেও নানা ধরনের অসুবিধাও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং রিকশাচালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে। একইসঙ্গে এসব যানবাহন কারিগরি দিক থেকে যথেষ্ট নিরাপদ ও মানসম্মত কি না, তাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে খুব দ্রুত নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। কোন এলাকায় এবং কতটুকু এসব যান চলাচল করতে পারবে, যানবাহনের মান কেমন হবে এসব বিষয় নীতিমালায় নিশ্চিত করা হবে। এর মাধ্যমে দ্রুত একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, চলতি অর্থবছরে দেশের ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে। এ কর্মসূচিতে সরকারের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।ফ্যামিলি কার্ডে এত বড় অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের অনেক অগ্রাধিকার রয়েছে। তবে সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করাও সরকারের একটি বড় অগ্রাধিকার।

সবসময় আপত্তির কারণে কনসার্ট বাতিল হয় এমন নয়: তথ্যমন্ত্রী







