মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
নিজস্ব প্রতিবেদক
আদর্শেন্যায়ভিত্তিকসমাজগড়ারআহ্বানরাষ্ট্রপতির-CznNewsLab-25c269.jpg)
মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে পক্ষকালব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায় ও ইনসাফের সমাজ গঠনই ছিল মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর অন্যতম শিক্ষা। আজকের বিশ্বে হিংসা, সংঘাত, অসহিষ্ণুতা, বৈষম্য, উগ্রতা, মিথ্যা ও নৈতিক অবক্ষয়ের যে বিস্তার ঘটেছে তা থেকে উত্তরণে মহানবীর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না। অতীতের কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ ও অন্যায় যেন আর কখনও ফিরে না আসে, সেজন্য রাসূল (সা.)-কে অনুসরণ করে এবং ধর্মের শান্তি, ন্যায় ও সম্প্রীতির মর্মবাণীকে হৃদয়ে ধারণ করে গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার, সুশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবেন। সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনযাপন করবেন এবং ন্যায়বিচার, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য হবে আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজের ভিত্তি। বিএনপি সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০৩০ সালের আগে দেশের সকল মসজিদসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় মাসিক সম্মানী ভাতার আওতায় আসবে।
তিনি বলেন, মানুষের বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনও জাতিকে শক্তিশালী করে না। অতীতের কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ ও অন্যায় যেন কখনো ফিরে না আসে সেজন্য গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় রাষ্ট্রপতি সমাজ থেকে দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, গুজব, হিংসা, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং অসহিষ্ণুতা দূর করতে আলেম-ওলামাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা ও নবী করিম (সা.)-এর জীবনাদর্শ তুলে ধরে তরুণ প্রজন্মকে নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে আলেম ওলামারা অনুপ্রাণিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পরিশেষে ঈদে-মিলাদুন্নবী (স:)-১৪৪৮ হিজরী উদ্যাপন উদ্বোধন ঘোষণা করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি এবং সব কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করছি।
বক্তব্যের পর রাষ্ট্রপতি ঈদে-মিলাদুন্নবী-১৪৪৮ উপলক্ষ্যে প্রকাশিত সিরাত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
আদর্শেন্যায়ভিত্তিকসমাজগড়ারআহ্বানরাষ্ট্রপতির-CznNewsLab-25c269.jpg)
মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে পক্ষকালব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায় ও ইনসাফের সমাজ গঠনই ছিল মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর অন্যতম শিক্ষা। আজকের বিশ্বে হিংসা, সংঘাত, অসহিষ্ণুতা, বৈষম্য, উগ্রতা, মিথ্যা ও নৈতিক অবক্ষয়ের যে বিস্তার ঘটেছে তা থেকে উত্তরণে মহানবীর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না। অতীতের কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ ও অন্যায় যেন আর কখনও ফিরে না আসে, সেজন্য রাসূল (সা.)-কে অনুসরণ করে এবং ধর্মের শান্তি, ন্যায় ও সম্প্রীতির মর্মবাণীকে হৃদয়ে ধারণ করে গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার, সুশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবেন। সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনযাপন করবেন এবং ন্যায়বিচার, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য হবে আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজের ভিত্তি। বিএনপি সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০৩০ সালের আগে দেশের সকল মসজিদসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় মাসিক সম্মানী ভাতার আওতায় আসবে।
তিনি বলেন, মানুষের বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনও জাতিকে শক্তিশালী করে না। অতীতের কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ ও অন্যায় যেন কখনো ফিরে না আসে সেজন্য গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় রাষ্ট্রপতি সমাজ থেকে দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, গুজব, হিংসা, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং অসহিষ্ণুতা দূর করতে আলেম-ওলামাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা ও নবী করিম (সা.)-এর জীবনাদর্শ তুলে ধরে তরুণ প্রজন্মকে নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে আলেম ওলামারা অনুপ্রাণিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পরিশেষে ঈদে-মিলাদুন্নবী (স:)-১৪৪৮ হিজরী উদ্যাপন উদ্বোধন ঘোষণা করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি এবং সব কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করছি।
বক্তব্যের পর রাষ্ট্রপতি ঈদে-মিলাদুন্নবী-১৪৪৮ উপলক্ষ্যে প্রকাশিত সিরাত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
নিজস্ব প্রতিবেদক
আদর্শেন্যায়ভিত্তিকসমাজগড়ারআহ্বানরাষ্ট্রপতির-CznNewsLab-25c269.jpg)
মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে পক্ষকালব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায় ও ইনসাফের সমাজ গঠনই ছিল মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর অন্যতম শিক্ষা। আজকের বিশ্বে হিংসা, সংঘাত, অসহিষ্ণুতা, বৈষম্য, উগ্রতা, মিথ্যা ও নৈতিক অবক্ষয়ের যে বিস্তার ঘটেছে তা থেকে উত্তরণে মহানবীর আদর্শ অনুসরণের বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না। অতীতের কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ ও অন্যায় যেন আর কখনও ফিরে না আসে, সেজন্য রাসূল (সা.)-কে অনুসরণ করে এবং ধর্মের শান্তি, ন্যায় ও সম্প্রীতির মর্মবাণীকে হৃদয়ে ধারণ করে গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার, সুশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করবেন। সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবনযাপন করবেন এবং ন্যায়বিচার, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য হবে আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজের ভিত্তি। বিএনপি সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০৩০ সালের আগে দেশের সকল মসজিদসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় মাসিক সম্মানী ভাতার আওতায় আসবে।
তিনি বলেন, মানুষের বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনও জাতিকে শক্তিশালী করে না। অতীতের কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ ও অন্যায় যেন কখনো ফিরে না আসে সেজন্য গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় রাষ্ট্রপতি সমাজ থেকে দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ, গুজব, হিংসা, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং অসহিষ্ণুতা দূর করতে আলেম-ওলামাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা ও নবী করিম (সা.)-এর জীবনাদর্শ তুলে ধরে তরুণ প্রজন্মকে নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে আলেম ওলামারা অনুপ্রাণিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পরিশেষে ঈদে-মিলাদুন্নবী (স:)-১৪৪৮ হিজরী উদ্যাপন উদ্বোধন ঘোষণা করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি এবং সব কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করছি।
বক্তব্যের পর রাষ্ট্রপতি ঈদে-মিলাদুন্নবী-১৪৪৮ উপলক্ষ্যে প্রকাশিত সিরাত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফর স্থগিত





