ঝিনাইদহে ৩ বাসে আগুন, ফিলিং স্টেশন ভাঙচুর

ঝিনাইদহে ৩ বাসে আগুন, ফিলিং স্টেশন ভাঙচুর
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝিনাইদহে ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের মারধরে নিরব আহমেদ নামের এক যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা একটি ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর চালায় এবং তিনটি বাসে আগুন দেয়।
শনিবার (৭ মার্চ) রাতে শহরের আরাপপুর এলাকার সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। তবে এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
নিহত নিরব কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার এলাকার বাদুরগাছা গ্রামের আলীমুর বিশ্বাসের ছেলে। তিনি ঝিনাইদহ শহরের সরকারি বালক বিদ্যালয়ের পাশে একটি ফাস্টফুডের দোকান পরিচালনা করতেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, রাত প্রায় ৩টার দিকে বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো হবে।
এর আগে রাত প্রায় ১টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা শহরের আরাপপুর এলাকায় অবস্থিত সৃজনী ফিলিং স্টেশনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
নিহত নিরব আহমেদের খালাতো ভাই সোহেল হোসেন বলেন, তার ভাই সহজ-সরল ছিলেন। মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে পাম্পের কর্মীদের সঙ্গে তার সামান্য কথাকাটাকাটি হয়। কিন্তু কর্মীরা লাঠিসোঁটা দিয়ে তাকে মারধর করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনার বিচার দাবি করেন সোহেল।
অন্যদিকে সৃজনী পেট্রোল পাম্পের ক্যাশিয়ার আলামিন শেখ বলেন, শনিবার মধ্যরাতে অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল পাম্পে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পুলিশ বাধা দিলেও তারা তিনটি মেশিন নষ্ট করে।
ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহাফুজ হোসেন বলেন, ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করেছে। পাশাপাশি সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, শনিবার রাত ৮টার দিকে বাস টার্মিনাল এলাকার তাজ ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের মারধরে নিরব আহমেদের মৃত্যু হয়।

ঝিনাইদহে ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের মারধরে নিরব আহমেদ নামের এক যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা একটি ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর চালায় এবং তিনটি বাসে আগুন দেয়।
শনিবার (৭ মার্চ) রাতে শহরের আরাপপুর এলাকার সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। তবে এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
নিহত নিরব কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার এলাকার বাদুরগাছা গ্রামের আলীমুর বিশ্বাসের ছেলে। তিনি ঝিনাইদহ শহরের সরকারি বালক বিদ্যালয়ের পাশে একটি ফাস্টফুডের দোকান পরিচালনা করতেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, রাত প্রায় ৩টার দিকে বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো হবে।
এর আগে রাত প্রায় ১টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা শহরের আরাপপুর এলাকায় অবস্থিত সৃজনী ফিলিং স্টেশনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
নিহত নিরব আহমেদের খালাতো ভাই সোহেল হোসেন বলেন, তার ভাই সহজ-সরল ছিলেন। মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে পাম্পের কর্মীদের সঙ্গে তার সামান্য কথাকাটাকাটি হয়। কিন্তু কর্মীরা লাঠিসোঁটা দিয়ে তাকে মারধর করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনার বিচার দাবি করেন সোহেল।
অন্যদিকে সৃজনী পেট্রোল পাম্পের ক্যাশিয়ার আলামিন শেখ বলেন, শনিবার মধ্যরাতে অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল পাম্পে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পুলিশ বাধা দিলেও তারা তিনটি মেশিন নষ্ট করে।
ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহাফুজ হোসেন বলেন, ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করেছে। পাশাপাশি সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, শনিবার রাত ৮টার দিকে বাস টার্মিনাল এলাকার তাজ ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের মারধরে নিরব আহমেদের মৃত্যু হয়।

ঝিনাইদহে ৩ বাসে আগুন, ফিলিং স্টেশন ভাঙচুর
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝিনাইদহে ফিলিং স্টেশনের কর্মচারীদের মারধরে নিরব আহমেদ নামের এক যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা একটি ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুর চালায় এবং তিনটি বাসে আগুন দেয়।
শনিবার (৭ মার্চ) রাতে শহরের আরাপপুর এলাকার সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। তবে এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
নিহত নিরব কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার এলাকার বাদুরগাছা গ্রামের আলীমুর বিশ্বাসের ছেলে। তিনি ঝিনাইদহ শহরের সরকারি বালক বিদ্যালয়ের পাশে একটি ফাস্টফুডের দোকান পরিচালনা করতেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, রাত প্রায় ৩টার দিকে বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তদন্ত শেষে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানানো হবে।
এর আগে রাত প্রায় ১টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা শহরের আরাপপুর এলাকায় অবস্থিত সৃজনী ফিলিং স্টেশনে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
নিহত নিরব আহমেদের খালাতো ভাই সোহেল হোসেন বলেন, তার ভাই সহজ-সরল ছিলেন। মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে পাম্পের কর্মীদের সঙ্গে তার সামান্য কথাকাটাকাটি হয়। কিন্তু কর্মীরা লাঠিসোঁটা দিয়ে তাকে মারধর করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনার বিচার দাবি করেন সোহেল।
অন্যদিকে সৃজনী পেট্রোল পাম্পের ক্যাশিয়ার আলামিন শেখ বলেন, শনিবার মধ্যরাতে অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল পাম্পে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। পুলিশ বাধা দিলেও তারা তিনটি মেশিন নষ্ট করে।
ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহাফুজ হোসেন বলেন, ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাসে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করেছে। পাশাপাশি সৃজনী ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, শনিবার রাত ৮টার দিকে বাস টার্মিনাল এলাকার তাজ ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের মারধরে নিরব আহমেদের মৃত্যু হয়।




