সরকারি সাইকেল নাতনিকে উপহার দিলেন জামায়াত নেতা

সরকারি সাইকেল নাতনিকে উপহার দিলেন জামায়াত নেতা
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে সরকারি বাইসাইকেল অন্যের নামে বরাদ্দ দেখিয়ে নিজের নাতনিকে উপহার দিয়েছেন উপজেলা জামায়াতের আমির তাজুল ইসলাম। বুধবার (১ জুলাই) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে এ সাইকেল বিতরণ করা হয়।
হতদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করা সাইকেল নাতনিকে দেওয়ার বিষয়টি জানাজানির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরে ঝিনাইদহ-৩ আসনের জামায়াত-দলীয় সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমানের হস্তক্ষেপে দুপুরে সাইকেলটি ইউএনও কার্যালয়ে ফেরত দেওয়া হয়। পরে সাইকেলটি আরেক উপকারভোগীকে দেওয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কোটচাঁদপুরে হতদরিদ্র ব্যক্তিদের মধ্যে বাইসাইকেল, ছাগল, স্প্রে মেশিন, সেলাই মেশিন, ফুটবল ও হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। গতকাল বুধবার উপজেলা পরিষদে ইউএনওর উপস্থিতিতে ২৪টি সাইকেলসহ এসব জিনিসপত্র বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে একটি সাইকেল এক মাদ্রাসাছাত্রের নামে বরাদ্দ নেন জামায়াত নেতা তাজুল ইসলাম। তিনি নিজে স্বাক্ষর করে সাইকেলটি গ্রহণ করেন। পরে সাইকেলটি নিজের নাতনি মারিয়াকে উপহার দেন। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমানের হস্তক্ষেপে দুপুরে সাইকেলটি ইউএনও কার্যালয়ে ফেরত দেন তাজুল ইসলাম।
জামায়াত নেতা তাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ছেলে বেকার ও আর্থিক সংকটে থাকায় সাইকেলটি নাতনি মারিয়াকে দিয়েছিলাম। পরে প্রশ্ন ওঠায় সেটি ফেরত দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোটচাঁদপুরের ইউএনও দীপা রানী সরকার বলেন, সাইকেল বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছিল। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শে সাইকেলটি ফেরত আনা হয়েছে। পরে সাইকেলটি সুমাইয়া খাতুন নামের প্রকৃত এক উপকারভোগীকে দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে সরকারি বাইসাইকেল অন্যের নামে বরাদ্দ দেখিয়ে নিজের নাতনিকে উপহার দিয়েছেন উপজেলা জামায়াতের আমির তাজুল ইসলাম। বুধবার (১ জুলাই) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে এ সাইকেল বিতরণ করা হয়।
হতদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করা সাইকেল নাতনিকে দেওয়ার বিষয়টি জানাজানির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরে ঝিনাইদহ-৩ আসনের জামায়াত-দলীয় সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমানের হস্তক্ষেপে দুপুরে সাইকেলটি ইউএনও কার্যালয়ে ফেরত দেওয়া হয়। পরে সাইকেলটি আরেক উপকারভোগীকে দেওয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কোটচাঁদপুরে হতদরিদ্র ব্যক্তিদের মধ্যে বাইসাইকেল, ছাগল, স্প্রে মেশিন, সেলাই মেশিন, ফুটবল ও হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। গতকাল বুধবার উপজেলা পরিষদে ইউএনওর উপস্থিতিতে ২৪টি সাইকেলসহ এসব জিনিসপত্র বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে একটি সাইকেল এক মাদ্রাসাছাত্রের নামে বরাদ্দ নেন জামায়াত নেতা তাজুল ইসলাম। তিনি নিজে স্বাক্ষর করে সাইকেলটি গ্রহণ করেন। পরে সাইকেলটি নিজের নাতনি মারিয়াকে উপহার দেন। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমানের হস্তক্ষেপে দুপুরে সাইকেলটি ইউএনও কার্যালয়ে ফেরত দেন তাজুল ইসলাম।
জামায়াত নেতা তাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ছেলে বেকার ও আর্থিক সংকটে থাকায় সাইকেলটি নাতনি মারিয়াকে দিয়েছিলাম। পরে প্রশ্ন ওঠায় সেটি ফেরত দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোটচাঁদপুরের ইউএনও দীপা রানী সরকার বলেন, সাইকেল বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছিল। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শে সাইকেলটি ফেরত আনা হয়েছে। পরে সাইকেলটি সুমাইয়া খাতুন নামের প্রকৃত এক উপকারভোগীকে দেওয়া হয়েছে।

সরকারি সাইকেল নাতনিকে উপহার দিলেন জামায়াত নেতা
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে সরকারি বাইসাইকেল অন্যের নামে বরাদ্দ দেখিয়ে নিজের নাতনিকে উপহার দিয়েছেন উপজেলা জামায়াতের আমির তাজুল ইসলাম। বুধবার (১ জুলাই) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে এ সাইকেল বিতরণ করা হয়।
হতদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করা সাইকেল নাতনিকে দেওয়ার বিষয়টি জানাজানির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরে ঝিনাইদহ-৩ আসনের জামায়াত-দলীয় সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমানের হস্তক্ষেপে দুপুরে সাইকেলটি ইউএনও কার্যালয়ে ফেরত দেওয়া হয়। পরে সাইকেলটি আরেক উপকারভোগীকে দেওয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কোটচাঁদপুরে হতদরিদ্র ব্যক্তিদের মধ্যে বাইসাইকেল, ছাগল, স্প্রে মেশিন, সেলাই মেশিন, ফুটবল ও হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। গতকাল বুধবার উপজেলা পরিষদে ইউএনওর উপস্থিতিতে ২৪টি সাইকেলসহ এসব জিনিসপত্র বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে একটি সাইকেল এক মাদ্রাসাছাত্রের নামে বরাদ্দ নেন জামায়াত নেতা তাজুল ইসলাম। তিনি নিজে স্বাক্ষর করে সাইকেলটি গ্রহণ করেন। পরে সাইকেলটি নিজের নাতনি মারিয়াকে উপহার দেন। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমানের হস্তক্ষেপে দুপুরে সাইকেলটি ইউএনও কার্যালয়ে ফেরত দেন তাজুল ইসলাম।
জামায়াত নেতা তাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ছেলে বেকার ও আর্থিক সংকটে থাকায় সাইকেলটি নাতনি মারিয়াকে দিয়েছিলাম। পরে প্রশ্ন ওঠায় সেটি ফেরত দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোটচাঁদপুরের ইউএনও দীপা রানী সরকার বলেন, সাইকেল বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছিল। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শে সাইকেলটি ফেরত আনা হয়েছে। পরে সাইকেলটি সুমাইয়া খাতুন নামের প্রকৃত এক উপকারভোগীকে দেওয়া হয়েছে।




