সাইকেলে চড়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে আজিজার রহমান

সাইকেলে চড়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে আজিজার রহমান
গাইবান্ধা সংবাদদাতা

বাইসাইকেল চালিয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাচ্ছেন গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর–পলাশবাড়ী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজার রহমান। নিজের পুরোনো বাইসাইকেলে কাঠের ঢেঁকি বাঁধা, সামনে মাইক। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই বাইসাইকেলে করেই ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে মাইকে ভোট চাইছেন।
অন্য প্রার্থীদের মতো আজিজার রহমানের নেই কোনো কর্মীবাহিনী, নেই ব্যানার-ফেস্টুন কিংবা পোস্টার-লিফলেটের ছড়াছড়ি। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। পড়ান স্থানীয় একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ে।
জানা যায়, আজিজার রহমান গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের খোদা বকস গ্রামের বাসিন্দা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি গাইবান্ধা-৩ আসনে ঢেঁকি প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আজিজারের একমাত্র সম্বল একটি সাইকেল আর হ্যান্ডমাইক। সাইকেলে বসে এক হাতে হ্যান্ডেল, অন্য হাতে মাইক ধরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছুটে চলেছেন গ্রাম থেকে গ্রামে। যেখানে মানুষের জটলা দেখেন, সেখানেই ভোট চান, নিজেকে নিয়ে কথা বলেন।
এবারই প্রথম নয়, এর আগেও আজিজার রহমান নির্বাচন করেছেন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে, ২০১৯ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে এবং ২০২৪ সালে গাইবান্ধা-৩ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে কোনোবারই জয়ী হতে পারেননি। তারপরও হাল ছাড়েননি এই স্কুল শিক্ষক।
আজিজার রহমান বলেন, আমার টাকা-পয়সা নেই, কর্মীও নেই। আমি নিজেই সাইকেল চালিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছি। ভালো সাড়া পাচ্ছি, ভালোবাসা পাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আমি অন্য প্রার্থীদের চেয়ে অনেক বেশি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারছি। আমার স্বপ্ন এমপি হয়ে জাতীয় সংসদে গিয়ে পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর এলাকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে কাজ করা।

সাদুল্লাপুর উপজেলার চাঁদকরিম এলাকার বাসিন্দা বাদল মিয়া বলেন, আজিজার রহমানের মতো প্রার্থী তারা আগে কখনো দেখেননি। একজন মানুষ একাই নিজের প্রচারণা নিজে করছেন, তা-ও কোনো ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার বা লিফলেট ছাড়া। এবার তাকে সবার ভোট দেওয়া উচিত ।
গাইবান্ধা-৩ আসন থেকে মোট ১০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন– বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মইনুর রাব্বী চৌধুরী, জনতার দলের মনজুরুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এটি এম আওলাদ হোসাইন, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) সুরুজ মিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোছাদ্দিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আব্দুল্লাহ আদিল, স্বতন্ত্র এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও আজিজার রহমান।
এ আসনে ৫ লাখ ৬ হাজার ১৮৫ ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯০২ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ২৭৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৯ জন।

বাইসাইকেল চালিয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাচ্ছেন গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর–পলাশবাড়ী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজার রহমান। নিজের পুরোনো বাইসাইকেলে কাঠের ঢেঁকি বাঁধা, সামনে মাইক। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই বাইসাইকেলে করেই ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে মাইকে ভোট চাইছেন।
অন্য প্রার্থীদের মতো আজিজার রহমানের নেই কোনো কর্মীবাহিনী, নেই ব্যানার-ফেস্টুন কিংবা পোস্টার-লিফলেটের ছড়াছড়ি। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। পড়ান স্থানীয় একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ে।
জানা যায়, আজিজার রহমান গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের খোদা বকস গ্রামের বাসিন্দা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি গাইবান্ধা-৩ আসনে ঢেঁকি প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আজিজারের একমাত্র সম্বল একটি সাইকেল আর হ্যান্ডমাইক। সাইকেলে বসে এক হাতে হ্যান্ডেল, অন্য হাতে মাইক ধরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছুটে চলেছেন গ্রাম থেকে গ্রামে। যেখানে মানুষের জটলা দেখেন, সেখানেই ভোট চান, নিজেকে নিয়ে কথা বলেন।
এবারই প্রথম নয়, এর আগেও আজিজার রহমান নির্বাচন করেছেন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে, ২০১৯ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে এবং ২০২৪ সালে গাইবান্ধা-৩ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে কোনোবারই জয়ী হতে পারেননি। তারপরও হাল ছাড়েননি এই স্কুল শিক্ষক।
আজিজার রহমান বলেন, আমার টাকা-পয়সা নেই, কর্মীও নেই। আমি নিজেই সাইকেল চালিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছি। ভালো সাড়া পাচ্ছি, ভালোবাসা পাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আমি অন্য প্রার্থীদের চেয়ে অনেক বেশি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারছি। আমার স্বপ্ন এমপি হয়ে জাতীয় সংসদে গিয়ে পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর এলাকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে কাজ করা।

সাদুল্লাপুর উপজেলার চাঁদকরিম এলাকার বাসিন্দা বাদল মিয়া বলেন, আজিজার রহমানের মতো প্রার্থী তারা আগে কখনো দেখেননি। একজন মানুষ একাই নিজের প্রচারণা নিজে করছেন, তা-ও কোনো ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার বা লিফলেট ছাড়া। এবার তাকে সবার ভোট দেওয়া উচিত ।
গাইবান্ধা-৩ আসন থেকে মোট ১০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন– বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মইনুর রাব্বী চৌধুরী, জনতার দলের মনজুরুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এটি এম আওলাদ হোসাইন, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) সুরুজ মিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোছাদ্দিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আব্দুল্লাহ আদিল, স্বতন্ত্র এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও আজিজার রহমান।
এ আসনে ৫ লাখ ৬ হাজার ১৮৫ ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯০২ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ২৭৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৯ জন।

সাইকেলে চড়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে আজিজার রহমান
গাইবান্ধা সংবাদদাতা

বাইসাইকেল চালিয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাচ্ছেন গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর–পলাশবাড়ী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজার রহমান। নিজের পুরোনো বাইসাইকেলে কাঠের ঢেঁকি বাঁধা, সামনে মাইক। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই বাইসাইকেলে করেই ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে মাইকে ভোট চাইছেন।
অন্য প্রার্থীদের মতো আজিজার রহমানের নেই কোনো কর্মীবাহিনী, নেই ব্যানার-ফেস্টুন কিংবা পোস্টার-লিফলেটের ছড়াছড়ি। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। পড়ান স্থানীয় একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ে।
জানা যায়, আজিজার রহমান গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের খোদা বকস গ্রামের বাসিন্দা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি গাইবান্ধা-৩ আসনে ঢেঁকি প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আজিজারের একমাত্র সম্বল একটি সাইকেল আর হ্যান্ডমাইক। সাইকেলে বসে এক হাতে হ্যান্ডেল, অন্য হাতে মাইক ধরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছুটে চলেছেন গ্রাম থেকে গ্রামে। যেখানে মানুষের জটলা দেখেন, সেখানেই ভোট চান, নিজেকে নিয়ে কথা বলেন।
এবারই প্রথম নয়, এর আগেও আজিজার রহমান নির্বাচন করেছেন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে, ২০১৯ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে এবং ২০২৪ সালে গাইবান্ধা-৩ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে কোনোবারই জয়ী হতে পারেননি। তারপরও হাল ছাড়েননি এই স্কুল শিক্ষক।
আজিজার রহমান বলেন, আমার টাকা-পয়সা নেই, কর্মীও নেই। আমি নিজেই সাইকেল চালিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছি। ভালো সাড়া পাচ্ছি, ভালোবাসা পাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আমি অন্য প্রার্থীদের চেয়ে অনেক বেশি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারছি। আমার স্বপ্ন এমপি হয়ে জাতীয় সংসদে গিয়ে পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর এলাকার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে কাজ করা।

সাদুল্লাপুর উপজেলার চাঁদকরিম এলাকার বাসিন্দা বাদল মিয়া বলেন, আজিজার রহমানের মতো প্রার্থী তারা আগে কখনো দেখেননি। একজন মানুষ একাই নিজের প্রচারণা নিজে করছেন, তা-ও কোনো ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার বা লিফলেট ছাড়া। এবার তাকে সবার ভোট দেওয়া উচিত ।
গাইবান্ধা-৩ আসন থেকে মোট ১০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন– বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মইনুর রাব্বী চৌধুরী, জনতার দলের মনজুরুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এটি এম আওলাদ হোসাইন, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) সুরুজ মিয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোছাদ্দিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আব্দুল্লাহ আদিল, স্বতন্ত্র এসএম খাদেমুল ইসলাম খুদি ও আজিজার রহমান।
এ আসনে ৫ লাখ ৬ হাজার ১৮৫ ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯০২ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ২৭৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৯ জন।




