সাব্বির হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

সাব্বির হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লার দেবিদ্বারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম সাব্বির হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মো. মোকবল হোসেন মুকুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৪ মে) সকালে উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মুকুল গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিষদ কার্যালয় থেকেই তাকে আটক করা হয়। পরে সাব্বির হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই মামলার অন্য আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের একদফা দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে দেবিদ্বার থানা এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম সাব্বির। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ ২১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ওই বছরের ২৬ আগস্ট তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় সাব্বিরের মামা নাজমুল হাসান বাদী হয়ে সাবেক সংসদ সদস্যসহ ৯৯ জনকে আসামি করে দেবিদ্বার থানায় হত্যা মামলা করেন।
গ্রেপ্তারকৃত মুকুল চেয়ারম্যান ছিলেন ওই মামলার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি।
প্রসঙ্গত, নিহত সাব্বিরের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আলমগীর হোসেনের ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর মায়ের সঙ্গে দুই ভাইবোন নিয়ে দেবিদ্বার পৌর দক্ষিণ ভিংলাবাড়ি এলাকায় নানার বাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি মরিচাকান্দা জিয়া স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। পাশাপাশি সংসারের খরচ জোগাতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন সাব্বির।

কুমিল্লার দেবিদ্বারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম সাব্বির হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মো. মোকবল হোসেন মুকুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৪ মে) সকালে উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মুকুল গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিষদ কার্যালয় থেকেই তাকে আটক করা হয়। পরে সাব্বির হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই মামলার অন্য আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের একদফা দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে দেবিদ্বার থানা এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম সাব্বির। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ ২১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ওই বছরের ২৬ আগস্ট তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় সাব্বিরের মামা নাজমুল হাসান বাদী হয়ে সাবেক সংসদ সদস্যসহ ৯৯ জনকে আসামি করে দেবিদ্বার থানায় হত্যা মামলা করেন।
গ্রেপ্তারকৃত মুকুল চেয়ারম্যান ছিলেন ওই মামলার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি।
প্রসঙ্গত, নিহত সাব্বিরের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আলমগীর হোসেনের ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর মায়ের সঙ্গে দুই ভাইবোন নিয়ে দেবিদ্বার পৌর দক্ষিণ ভিংলাবাড়ি এলাকায় নানার বাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি মরিচাকান্দা জিয়া স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। পাশাপাশি সংসারের খরচ জোগাতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন সাব্বির।

সাব্বির হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
কুমিল্লা সংবাদদাতা

কুমিল্লার দেবিদ্বারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম সাব্বির হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মো. মোকবল হোসেন মুকুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৪ মে) সকালে উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মুকুল গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিষদ কার্যালয় থেকেই তাকে আটক করা হয়। পরে সাব্বির হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই মামলার অন্য আসামিদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের একদফা দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে দেবিদ্বার থানা এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম সাব্বির। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ ২১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ওই বছরের ২৬ আগস্ট তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় সাব্বিরের মামা নাজমুল হাসান বাদী হয়ে সাবেক সংসদ সদস্যসহ ৯৯ জনকে আসামি করে দেবিদ্বার থানায় হত্যা মামলা করেন।
গ্রেপ্তারকৃত মুকুল চেয়ারম্যান ছিলেন ওই মামলার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি।
প্রসঙ্গত, নিহত সাব্বিরের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আলমগীর হোসেনের ছেলে। বাবার মৃত্যুর পর মায়ের সঙ্গে দুই ভাইবোন নিয়ে দেবিদ্বার পৌর দক্ষিণ ভিংলাবাড়ি এলাকায় নানার বাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি মরিচাকান্দা জিয়া স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। পাশাপাশি সংসারের খরচ জোগাতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাতেন সাব্বির।

কুমিল্লায় আটকের পর বিক্ষোভের মুখে বিএনপি নেতাকে ছেড়ে দিল পুলিশ


