চট্টগ্রাম ওয়াসা: ভূমি অধিগ্রহণের ৭৬০ কোটি টাকা ফেরত গেলো

চট্টগ্রাম ওয়াসা: ভূমি অধিগ্রহণের ৭৬০ কোটি টাকা ফেরত গেলো
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় চট্টগ্রাম ওয়াসার স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট দীর্ঘসূত্রতায় পড়তে যাচ্ছে। বরাদ্দের ৭৬০ কোটি টাকা খরচ করতে না পারায় সরকারের কোষাগারে ফেরত গেছে।
চট্টগ্রাম মহানগরীর কালুরঘাট ও বাকলিয়া এলাকায় স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের জন্য ৫ হাজার ১৫২ কোটি টাকার প্রকল্পটি গত বছরের জানুয়ারিতে একনেকে অনুমোদন পায়। এর মধ্যে ৪ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জাইকা), ৯৫৩ কোটি টাকা সরকার ও ৩৯ কোটি টাকা চট্টগ্রাম ওয়াসার অর্থায়ন করার কথা। রীতি অনুযায়ী, প্রকল্প বাস্তবায়নে দাতা সংস্থা নির্মাণ কাজে অর্থ বরাদ্দ দেয় কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণের খরচ বহন করে সরকার।
পুরো চট্টগ্রাম মহানগরীকে স্যুয়ারেজের আওতায় আনতে ৬টি ক্যাচমেন্ট জোনে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে কালুরঘাট-২ ও বাকলিয়া-৪ ক্যাচমেন্টের ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণের জন্য নগরীর কর্ণফুলী নদীর তীরে হামিদচর এলাকায় ৭৪ একর জায়গা চিহ্নিত করা হয়। এই ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ২ হাজার ১৫৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকার আরেকটি প্রকল্প নেওয়া হয়। এর মধ্যে সরকার ৮৬১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা অনুদান এবং ১ হাজার ২৯২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে ওয়াসাকে দেবে।
- স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের জন্য ৬টি ক্যাচমেন্ট জোন
- ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ একনেকে প্রকল্প অনুমোদন
- ভূমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ ১ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভূমি অধিগ্রহণে বরাদ্দ ৭৬০ কোটি ৪২ লাখ টাকা
প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা। বাকি অর্থ ভূমি উন্নয়ন, ক্ষতিপূরণ, সীমানা প্রাচীর, কালভার্ট ও রাস্তা নির্মাণসহ প্রভৃতি খাতে খরচ হবে।
জানা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ ৭৬০ কোটি ৪২ লাখ টাকা বরাদ্দ পায় সংস্থাটি। কিন্তু এই টাকা খরচ করতে না পারায় সরকারের কোষাগারে ফেরত গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,২০২৫ সালের ২৩ মার্চ প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায়। এরপর ১২ মে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে প্রশাসনিক আদেশ জারি হয়। প্রকল্প পরিচালকের নিয়োগের অফিস আদেশ জারি হয় ৫ অক্টোবর। ১৬ নভেম্বর ভূমি বরাদ্দের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ মে ভূমির সরেজমিন সম্ভাব্যতা যাচাই হয়। ১৬ জুন জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটির সভা হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (ভূমি অধিগ্রহণ) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, ভূমি অধিগ্রহণ একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এই ভূমি বরাদ্দের জন্য কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির কাছে নথি পাঠানো হবে। তা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে অনুমোদন হয়ে আসবে। পরে তা ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে চট্টগ্রামে এলে একটি এলএ কেইস নম্বর পড়বে। সেই আলোকে যৌথ সার্ভে করে ভূমির মূল্য চূড়ান্ত করা হবে। এরপর ওয়াসার কাছে অধিগ্রহণের টাকা চাইলে তারা টাকা দেবে।
ওয়াসা কেন ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ টাকা এত আগে বরাদ্দ নিয়েছে– এমন প্রশ্নের জবাবে প্রকল্প পরিচালক ও ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী নুরুল আমিন বলেন, এলএ কেস নম্বর পাওয়া গেলে অর্থবছরে যে টাকা বরাদ্দ পাবো তা জেলা প্রশাসনের কাছে অগ্রিম দিয়ে দেবো। পরে মূল্য চূড়ান্ত হওয়ার পর টাকা সমন্বয় করা হবে। কারণ সরকারের কাছ থেকে এক অর্থবছরে সব টাকা পাওয়া সম্ভব নয়। এ বছর যেহেতু এলএ কেস পড়েনি তাই আমরা টাকা দিতে পারিনি। আশা করি আগামী বছর জমা দিতে পারব।
পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের সদস্য এস এম শাকিল আখতার জানান, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় যেসব প্রকল্পের টাকা ফেরত আসছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে প্রকল্প পরিচালকের যেমন দায় রয়েছে, তেমনিভাবে কাগজপত্রের ঘাটতিও ফ্যাক্টর হিসেবে রয়েছে।

ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় চট্টগ্রাম ওয়াসার স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট দীর্ঘসূত্রতায় পড়তে যাচ্ছে। বরাদ্দের ৭৬০ কোটি টাকা খরচ করতে না পারায় সরকারের কোষাগারে ফেরত গেছে।
চট্টগ্রাম মহানগরীর কালুরঘাট ও বাকলিয়া এলাকায় স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের জন্য ৫ হাজার ১৫২ কোটি টাকার প্রকল্পটি গত বছরের জানুয়ারিতে একনেকে অনুমোদন পায়। এর মধ্যে ৪ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জাইকা), ৯৫৩ কোটি টাকা সরকার ও ৩৯ কোটি টাকা চট্টগ্রাম ওয়াসার অর্থায়ন করার কথা। রীতি অনুযায়ী, প্রকল্প বাস্তবায়নে দাতা সংস্থা নির্মাণ কাজে অর্থ বরাদ্দ দেয় কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণের খরচ বহন করে সরকার।
পুরো চট্টগ্রাম মহানগরীকে স্যুয়ারেজের আওতায় আনতে ৬টি ক্যাচমেন্ট জোনে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে কালুরঘাট-২ ও বাকলিয়া-৪ ক্যাচমেন্টের ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণের জন্য নগরীর কর্ণফুলী নদীর তীরে হামিদচর এলাকায় ৭৪ একর জায়গা চিহ্নিত করা হয়। এই ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ২ হাজার ১৫৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকার আরেকটি প্রকল্প নেওয়া হয়। এর মধ্যে সরকার ৮৬১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা অনুদান এবং ১ হাজার ২৯২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে ওয়াসাকে দেবে।
- স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের জন্য ৬টি ক্যাচমেন্ট জোন
- ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ একনেকে প্রকল্প অনুমোদন
- ভূমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ ১ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভূমি অধিগ্রহণে বরাদ্দ ৭৬০ কোটি ৪২ লাখ টাকা
প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা। বাকি অর্থ ভূমি উন্নয়ন, ক্ষতিপূরণ, সীমানা প্রাচীর, কালভার্ট ও রাস্তা নির্মাণসহ প্রভৃতি খাতে খরচ হবে।
জানা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ ৭৬০ কোটি ৪২ লাখ টাকা বরাদ্দ পায় সংস্থাটি। কিন্তু এই টাকা খরচ করতে না পারায় সরকারের কোষাগারে ফেরত গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,২০২৫ সালের ২৩ মার্চ প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায়। এরপর ১২ মে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে প্রশাসনিক আদেশ জারি হয়। প্রকল্প পরিচালকের নিয়োগের অফিস আদেশ জারি হয় ৫ অক্টোবর। ১৬ নভেম্বর ভূমি বরাদ্দের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ মে ভূমির সরেজমিন সম্ভাব্যতা যাচাই হয়। ১৬ জুন জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটির সভা হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (ভূমি অধিগ্রহণ) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, ভূমি অধিগ্রহণ একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এই ভূমি বরাদ্দের জন্য কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির কাছে নথি পাঠানো হবে। তা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে অনুমোদন হয়ে আসবে। পরে তা ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে চট্টগ্রামে এলে একটি এলএ কেইস নম্বর পড়বে। সেই আলোকে যৌথ সার্ভে করে ভূমির মূল্য চূড়ান্ত করা হবে। এরপর ওয়াসার কাছে অধিগ্রহণের টাকা চাইলে তারা টাকা দেবে।
ওয়াসা কেন ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ টাকা এত আগে বরাদ্দ নিয়েছে– এমন প্রশ্নের জবাবে প্রকল্প পরিচালক ও ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী নুরুল আমিন বলেন, এলএ কেস নম্বর পাওয়া গেলে অর্থবছরে যে টাকা বরাদ্দ পাবো তা জেলা প্রশাসনের কাছে অগ্রিম দিয়ে দেবো। পরে মূল্য চূড়ান্ত হওয়ার পর টাকা সমন্বয় করা হবে। কারণ সরকারের কাছ থেকে এক অর্থবছরে সব টাকা পাওয়া সম্ভব নয়। এ বছর যেহেতু এলএ কেস পড়েনি তাই আমরা টাকা দিতে পারিনি। আশা করি আগামী বছর জমা দিতে পারব।
পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের সদস্য এস এম শাকিল আখতার জানান, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় যেসব প্রকল্পের টাকা ফেরত আসছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে প্রকল্প পরিচালকের যেমন দায় রয়েছে, তেমনিভাবে কাগজপত্রের ঘাটতিও ফ্যাক্টর হিসেবে রয়েছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসা: ভূমি অধিগ্রহণের ৭৬০ কোটি টাকা ফেরত গেলো
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় চট্টগ্রাম ওয়াসার স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট দীর্ঘসূত্রতায় পড়তে যাচ্ছে। বরাদ্দের ৭৬০ কোটি টাকা খরচ করতে না পারায় সরকারের কোষাগারে ফেরত গেছে।
চট্টগ্রাম মহানগরীর কালুরঘাট ও বাকলিয়া এলাকায় স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের জন্য ৫ হাজার ১৫২ কোটি টাকার প্রকল্পটি গত বছরের জানুয়ারিতে একনেকে অনুমোদন পায়। এর মধ্যে ৪ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জাইকা), ৯৫৩ কোটি টাকা সরকার ও ৩৯ কোটি টাকা চট্টগ্রাম ওয়াসার অর্থায়ন করার কথা। রীতি অনুযায়ী, প্রকল্প বাস্তবায়নে দাতা সংস্থা নির্মাণ কাজে অর্থ বরাদ্দ দেয় কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণের খরচ বহন করে সরকার।
পুরো চট্টগ্রাম মহানগরীকে স্যুয়ারেজের আওতায় আনতে ৬টি ক্যাচমেন্ট জোনে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে কালুরঘাট-২ ও বাকলিয়া-৪ ক্যাচমেন্টের ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণের জন্য নগরীর কর্ণফুলী নদীর তীরে হামিদচর এলাকায় ৭৪ একর জায়গা চিহ্নিত করা হয়। এই ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ২ হাজার ১৫৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকার আরেকটি প্রকল্প নেওয়া হয়। এর মধ্যে সরকার ৮৬১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা অনুদান এবং ১ হাজার ২৯২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে ওয়াসাকে দেবে।
- স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের জন্য ৬টি ক্যাচমেন্ট জোন
- ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ একনেকে প্রকল্প অনুমোদন
- ভূমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ ১ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভূমি অধিগ্রহণে বরাদ্দ ৭৬০ কোটি ৪২ লাখ টাকা
প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা। বাকি অর্থ ভূমি উন্নয়ন, ক্ষতিপূরণ, সীমানা প্রাচীর, কালভার্ট ও রাস্তা নির্মাণসহ প্রভৃতি খাতে খরচ হবে।
জানা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ ৭৬০ কোটি ৪২ লাখ টাকা বরাদ্দ পায় সংস্থাটি। কিন্তু এই টাকা খরচ করতে না পারায় সরকারের কোষাগারে ফেরত গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়,২০২৫ সালের ২৩ মার্চ প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায়। এরপর ১২ মে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে প্রশাসনিক আদেশ জারি হয়। প্রকল্প পরিচালকের নিয়োগের অফিস আদেশ জারি হয় ৫ অক্টোবর। ১৬ নভেম্বর ভূমি বরাদ্দের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ মে ভূমির সরেজমিন সম্ভাব্যতা যাচাই হয়। ১৬ জুন জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটির সভা হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (ভূমি অধিগ্রহণ) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, ভূমি অধিগ্রহণ একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এই ভূমি বরাদ্দের জন্য কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির কাছে নথি পাঠানো হবে। তা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে অনুমোদন হয়ে আসবে। পরে তা ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে চট্টগ্রামে এলে একটি এলএ কেইস নম্বর পড়বে। সেই আলোকে যৌথ সার্ভে করে ভূমির মূল্য চূড়ান্ত করা হবে। এরপর ওয়াসার কাছে অধিগ্রহণের টাকা চাইলে তারা টাকা দেবে।
ওয়াসা কেন ভূমি অধিগ্রহণ বাবদ টাকা এত আগে বরাদ্দ নিয়েছে– এমন প্রশ্নের জবাবে প্রকল্প পরিচালক ও ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী নুরুল আমিন বলেন, এলএ কেস নম্বর পাওয়া গেলে অর্থবছরে যে টাকা বরাদ্দ পাবো তা জেলা প্রশাসনের কাছে অগ্রিম দিয়ে দেবো। পরে মূল্য চূড়ান্ত হওয়ার পর টাকা সমন্বয় করা হবে। কারণ সরকারের কাছ থেকে এক অর্থবছরে সব টাকা পাওয়া সম্ভব নয়। এ বছর যেহেতু এলএ কেস পড়েনি তাই আমরা টাকা দিতে পারিনি। আশা করি আগামী বছর জমা দিতে পারব।
পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের সদস্য এস এম শাকিল আখতার জানান, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় যেসব প্রকল্পের টাকা ফেরত আসছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে প্রকল্প পরিচালকের যেমন দায় রয়েছে, তেমনিভাবে কাগজপত্রের ঘাটতিও ফ্যাক্টর হিসেবে রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের আরও দুইটি টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ চায় ৪ প্রতিষ্ঠান


