আসিফ মাহমুদ আমাকে দায়িত্ব নিতে রাজি করিয়েছিলেন: ড. ইউনূস

আসিফ মাহমুদ আমাকে দায়িত্ব নিতে রাজি করিয়েছিলেন: ড. ইউনূস
সিজেডএন ডেস্ক

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সরকারের নেতৃত্ব নেওয়ার জন্য রাজি করাতে সাবেক উপদেষ্টা ও জুলাই অভ্যুত্থানের নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। নোবেল শান্তি পদক বিজয়ী ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ কথা বলেছেন।
রবিবার (২৮ জুন) সাভারের জিরাবোতে অবস্থিত সামাজিক কনভেনশন সেন্টারে ইউনূস সেন্টার এবং গ্রামীণ গ্রুপ আয়োজিত ১৬তম ‘সোশ্যাল বিজনেস ডে’র সমাপনী দিনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ড. ইউনূস এ তথ্য জানান। সেদিনের ঘটনার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আসিফই সেই তরুণ, যে আমাকে এই দায়িত্ব নিতে জোর করেছিল।
নোবেলজয়ী এই অধ্যাপক জানান, শেখ হাসিনার পতনের সময় তিনি প্যারিস অলিম্পিকে অংশ নিতে ফ্রান্সে অবস্থান করছিলেন। আসিফ মাহমুদ তখন বারবার তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। শুরুতে ড. ইউনূস আসিফের এই অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
ড. ইউনূস বলেন, আমি বারবার আসিফকে বলছিলাম, অন্য কাউকে খুঁজে নাও। আমি এই ধরনের কাজের জন্য উপযুক্ত নই। আমি শুধু সেই কাজগুলোই করি যা করতে আমি আনন্দ পাই। জবাবে আসিফ মাহমুদ বলেছিলেন, ‘অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে। পুরো দেশ একটি সরকারের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। আপনি রাজি না হওয়ার কারণে তিন দিন ধরে দেশে কোনো সরকার নেই।’
আসিফের এই কথার পর ড. ইউনূস দায়িত্ব নিতে সম্মতি জানান। সম্মতি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আসিফ তাকে বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব বিমানের টিকিট কেটে চলে আসুন। প্রথম ফ্লাইটেই চলে আসুন।’
অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানের আরেক শীর্ষ নেতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন ড. ইউনূস। নাহিদকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘সে কেবল একজন ব্যক্তি নয়, সে নিজেই একটি ইতিহাস।’ নিরাপত্তা বাহিনীর চরম দমন-পীড়ন সত্ত্বেও নাহিদ ইসলাম যেভাবে ছাত্র আন্দোলন সফল করে সরকারের পতন ঘটিয়েছেন, তার কৃতিত্ব দেন ড. ইউনূস।
তিনি বলেন, ‘তারা সব ধরনের চেষ্টা করেছিল। মানুষ হত্যা করেছে, তাদের সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের হত্যা করেছে। তিন সপ্তাহে রাজপথে ১ হাজার ৪০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। তারা সেখানেই ছিল এবং নাহিদ ছিল সবার সামনে।

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সরকারের নেতৃত্ব নেওয়ার জন্য রাজি করাতে সাবেক উপদেষ্টা ও জুলাই অভ্যুত্থানের নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। নোবেল শান্তি পদক বিজয়ী ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ কথা বলেছেন।
রবিবার (২৮ জুন) সাভারের জিরাবোতে অবস্থিত সামাজিক কনভেনশন সেন্টারে ইউনূস সেন্টার এবং গ্রামীণ গ্রুপ আয়োজিত ১৬তম ‘সোশ্যাল বিজনেস ডে’র সমাপনী দিনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ড. ইউনূস এ তথ্য জানান। সেদিনের ঘটনার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আসিফই সেই তরুণ, যে আমাকে এই দায়িত্ব নিতে জোর করেছিল।
নোবেলজয়ী এই অধ্যাপক জানান, শেখ হাসিনার পতনের সময় তিনি প্যারিস অলিম্পিকে অংশ নিতে ফ্রান্সে অবস্থান করছিলেন। আসিফ মাহমুদ তখন বারবার তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। শুরুতে ড. ইউনূস আসিফের এই অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
ড. ইউনূস বলেন, আমি বারবার আসিফকে বলছিলাম, অন্য কাউকে খুঁজে নাও। আমি এই ধরনের কাজের জন্য উপযুক্ত নই। আমি শুধু সেই কাজগুলোই করি যা করতে আমি আনন্দ পাই। জবাবে আসিফ মাহমুদ বলেছিলেন, ‘অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে। পুরো দেশ একটি সরকারের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। আপনি রাজি না হওয়ার কারণে তিন দিন ধরে দেশে কোনো সরকার নেই।’
আসিফের এই কথার পর ড. ইউনূস দায়িত্ব নিতে সম্মতি জানান। সম্মতি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আসিফ তাকে বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব বিমানের টিকিট কেটে চলে আসুন। প্রথম ফ্লাইটেই চলে আসুন।’
অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানের আরেক শীর্ষ নেতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন ড. ইউনূস। নাহিদকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘সে কেবল একজন ব্যক্তি নয়, সে নিজেই একটি ইতিহাস।’ নিরাপত্তা বাহিনীর চরম দমন-পীড়ন সত্ত্বেও নাহিদ ইসলাম যেভাবে ছাত্র আন্দোলন সফল করে সরকারের পতন ঘটিয়েছেন, তার কৃতিত্ব দেন ড. ইউনূস।
তিনি বলেন, ‘তারা সব ধরনের চেষ্টা করেছিল। মানুষ হত্যা করেছে, তাদের সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের হত্যা করেছে। তিন সপ্তাহে রাজপথে ১ হাজার ৪০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। তারা সেখানেই ছিল এবং নাহিদ ছিল সবার সামনে।

আসিফ মাহমুদ আমাকে দায়িত্ব নিতে রাজি করিয়েছিলেন: ড. ইউনূস
সিজেডএন ডেস্ক

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সরকারের নেতৃত্ব নেওয়ার জন্য রাজি করাতে সাবেক উপদেষ্টা ও জুলাই অভ্যুত্থানের নেতা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। নোবেল শান্তি পদক বিজয়ী ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ কথা বলেছেন।
রবিবার (২৮ জুন) সাভারের জিরাবোতে অবস্থিত সামাজিক কনভেনশন সেন্টারে ইউনূস সেন্টার এবং গ্রামীণ গ্রুপ আয়োজিত ১৬তম ‘সোশ্যাল বিজনেস ডে’র সমাপনী দিনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ড. ইউনূস এ তথ্য জানান। সেদিনের ঘটনার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আসিফই সেই তরুণ, যে আমাকে এই দায়িত্ব নিতে জোর করেছিল।
নোবেলজয়ী এই অধ্যাপক জানান, শেখ হাসিনার পতনের সময় তিনি প্যারিস অলিম্পিকে অংশ নিতে ফ্রান্সে অবস্থান করছিলেন। আসিফ মাহমুদ তখন বারবার তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। শুরুতে ড. ইউনূস আসিফের এই অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
ড. ইউনূস বলেন, আমি বারবার আসিফকে বলছিলাম, অন্য কাউকে খুঁজে নাও। আমি এই ধরনের কাজের জন্য উপযুক্ত নই। আমি শুধু সেই কাজগুলোই করি যা করতে আমি আনন্দ পাই। জবাবে আসিফ মাহমুদ বলেছিলেন, ‘অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে। পুরো দেশ একটি সরকারের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। আপনি রাজি না হওয়ার কারণে তিন দিন ধরে দেশে কোনো সরকার নেই।’
আসিফের এই কথার পর ড. ইউনূস দায়িত্ব নিতে সম্মতি জানান। সম্মতি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আসিফ তাকে বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব বিমানের টিকিট কেটে চলে আসুন। প্রথম ফ্লাইটেই চলে আসুন।’
অনুষ্ঠানে জুলাই অভ্যুত্থানের আরেক শীর্ষ নেতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন ড. ইউনূস। নাহিদকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘সে কেবল একজন ব্যক্তি নয়, সে নিজেই একটি ইতিহাস।’ নিরাপত্তা বাহিনীর চরম দমন-পীড়ন সত্ত্বেও নাহিদ ইসলাম যেভাবে ছাত্র আন্দোলন সফল করে সরকারের পতন ঘটিয়েছেন, তার কৃতিত্ব দেন ড. ইউনূস।
তিনি বলেন, ‘তারা সব ধরনের চেষ্টা করেছিল। মানুষ হত্যা করেছে, তাদের সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের হত্যা করেছে। তিন সপ্তাহে রাজপথে ১ হাজার ৪০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। তারা সেখানেই ছিল এবং নাহিদ ছিল সবার সামনে।

ভোটের দুদিন আগে গেজেট, নিজেকে ‘ভিভিআইপি’ ঘোষণা করেছেন ড. ইউনূস


