চট্টগ্রাম বন্দরের আরও দুইটি টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ চায় ৪ প্রতিষ্ঠান
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম বন্দরের আরও দুইটি টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ চায় ৪ প্রতিষ্ঠান
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১৬: ৩৪

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) নিয়ে বিতর্ক শেষ না হতেই এবার আরও দুইটি গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল আলোচনায় এসেছে। জেনারেল কার্গো বার্থ (জিসিবি) ও চিটাগং কনটেইনার টার্মিনালের (সিসিটি) নিয়ন্ত্রণ পেতে শুরু হয়েছে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের তীব্র প্রতিযোগিতা।
এই প্রতিযোগিতায় রয়েছে– সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ড, সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি), দেশীয় শিল্পগোষ্ঠী এমজিএইচ গ্রুপ এবং বর্তমান বার্থ অপারেটরদের জোট।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জিসিবি ও সিসিটি টার্মিনাল বর্তমানে সচল ও আয়-সক্ষম। অপারেটররা তাই নতুন প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের বদলে দ্রুত আয় নিশ্চিত করতে বিদ্যমান টার্মিনালগুলোকেই লক্ষ্যবস্তু করছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে মূলত ৪টি প্রধান কনটেইনার ও কার্গো টার্মিনাল রয়েছে। এগুলো হলো– জিসিবি, সিসিটি, এনসিটি ও পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি)। বর্তমানে পিসিটি ছাড়া বাকি সব টার্মিনাল দেশীয় অপারেটরদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা করছে সৌদি আরবের ‘রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল’।
গত ৮ এপ্রিল দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ‘দুবাই-বাংলাদেশ জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম’ সভায় সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বৈশ্বিক অপারেটর ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’ সিসিটি পরিচালনার আগ্রহ প্রকাশ করে। বন্দরের সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ততম কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার বিষয়ে কয়েক বছর ধরেই আলোচনা চলছে।
বৈঠকের কার্যবিবরণী অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ড জিসিবি ও সিসিটি টার্মিনালকে একসঙ্গে একটি সমন্বিত সুবিধা হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিসিটি টার্মিনালটিকেও ‘বাংলাদেশ-দুবাই যৌথ প্ল্যাটফর্ম’-এর আওতায় আলোচনার টেবিলে রাখা হয়েছে। আগামী বৈঠকগুলোতে এটিকে একটি আলাদা প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।
ডিপি ওয়ার্ল্ডের আগ্রহ প্রকাশের দুই সপ্তাহ পর গত ২২ এপ্রিল সৌদি আরবের আরএসজিটি ৬০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা নিয়ে জিসিবি ও সিসিটি আধুনিকায়ন ও পরিচালনার প্রস্তাব দেয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রামে আরএসজিটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, প্রস্তাবটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সরকার অনুমতি দিলে তারা জিসিবি ও সিসিটি টার্মিনাল দুটিকে আধুনিক ও দক্ষভাবে পরিচালনা করতে আগ্রহী।
বিদেশি এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরেও প্রতিযোগিতায় নেমেছে বাংলাদেশি শিল্পগোষ্ঠী ‘এমজিএইচ গ্রুপ'। এর আগে গত বছরের মার্চে তারা ৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনাসহ সিসিটি টার্মিনাল আধুনিকায়ন ও পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছিল। গত ২৮ এপ্রিল তারা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের অধীনে এনসিটি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার জন্যও একটি নতুন প্রস্তাব জমা দেয়।
এমজিএইচ গ্রুপ এনসিটিতে প্রতি কনটেইনারের (টিইউএস) সম্ভাব্য আয় ১৬১ দশমিক ৮০ ডলারের বিপরীতে বন্দর কর্তৃপক্ষকে (সিপিএ) ৯৮ দশমিক ৫০ ডলার রাজস্ব দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। ডিপি ওয়ার্ল্ড এর আগে প্রতি কনটেইনারে ৯৩ দশমিক ৫০ থেকে ৯৭ দশমিক ৫০ ডলার রাজস্ব শেয়ারের প্রস্তাব দিয়েছিল।
এমজিএইচ গ্রুপের দাবি, তাদের ১৫ বছরের এই চুক্তি মডেলের মাধ্যমে বন্দর কর্তৃপক্ষ সর্বমোট প্রায় ১ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব পেতে পারে।
এদিকে বর্তমানে জিসিবি টার্মিনাল পরিচালনাকারী ১২টি বার্থ অপারেটরের একটি জোটও যৌথভাবে এই টার্মিনালকে আধুনিকায়ন ও পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, বিভিন্ন টার্মিনাল পরিচালনা ও বিনিয়োগের জন্য দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে।
বন্দরের ৪টি টার্মিনালের মধ্যে ৩টিই কনটেইনারবাহী জাহাজের হ্যান্ডলিংয়ের (খালাস ও বোঝাই) জন্য নির্ধারিত। শুধু জিসিবিতে কনটেইনারবাহী জাহাজের পাশাপাশি বাল্ক ও সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজও ভেড়ানো হয়।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) নিয়ে বিতর্ক শেষ না হতেই এবার আরও দুইটি গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল আলোচনায় এসেছে। জেনারেল কার্গো বার্থ (জিসিবি) ও চিটাগং কনটেইনার টার্মিনালের (সিসিটি) নিয়ন্ত্রণ পেতে শুরু হয়েছে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের তীব্র প্রতিযোগিতা।
এই প্রতিযোগিতায় রয়েছে– সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ড, সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি), দেশীয় শিল্পগোষ্ঠী এমজিএইচ গ্রুপ এবং বর্তমান বার্থ অপারেটরদের জোট।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জিসিবি ও সিসিটি টার্মিনাল বর্তমানে সচল ও আয়-সক্ষম। অপারেটররা তাই নতুন প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের বদলে দ্রুত আয় নিশ্চিত করতে বিদ্যমান টার্মিনালগুলোকেই লক্ষ্যবস্তু করছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে মূলত ৪টি প্রধান কনটেইনার ও কার্গো টার্মিনাল রয়েছে। এগুলো হলো– জিসিবি, সিসিটি, এনসিটি ও পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি)। বর্তমানে পিসিটি ছাড়া বাকি সব টার্মিনাল দেশীয় অপারেটরদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা করছে সৌদি আরবের ‘রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল’।
গত ৮ এপ্রিল দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ‘দুবাই-বাংলাদেশ জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম’ সভায় সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বৈশ্বিক অপারেটর ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’ সিসিটি পরিচালনার আগ্রহ প্রকাশ করে। বন্দরের সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ততম কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার বিষয়ে কয়েক বছর ধরেই আলোচনা চলছে।
বৈঠকের কার্যবিবরণী অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ড জিসিবি ও সিসিটি টার্মিনালকে একসঙ্গে একটি সমন্বিত সুবিধা হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিসিটি টার্মিনালটিকেও ‘বাংলাদেশ-দুবাই যৌথ প্ল্যাটফর্ম’-এর আওতায় আলোচনার টেবিলে রাখা হয়েছে। আগামী বৈঠকগুলোতে এটিকে একটি আলাদা প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।
ডিপি ওয়ার্ল্ডের আগ্রহ প্রকাশের দুই সপ্তাহ পর গত ২২ এপ্রিল সৌদি আরবের আরএসজিটি ৬০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা নিয়ে জিসিবি ও সিসিটি আধুনিকায়ন ও পরিচালনার প্রস্তাব দেয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রামে আরএসজিটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, প্রস্তাবটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সরকার অনুমতি দিলে তারা জিসিবি ও সিসিটি টার্মিনাল দুটিকে আধুনিক ও দক্ষভাবে পরিচালনা করতে আগ্রহী।
বিদেশি এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরেও প্রতিযোগিতায় নেমেছে বাংলাদেশি শিল্পগোষ্ঠী ‘এমজিএইচ গ্রুপ'। এর আগে গত বছরের মার্চে তারা ৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনাসহ সিসিটি টার্মিনাল আধুনিকায়ন ও পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছিল। গত ২৮ এপ্রিল তারা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের অধীনে এনসিটি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার জন্যও একটি নতুন প্রস্তাব জমা দেয়।
এমজিএইচ গ্রুপ এনসিটিতে প্রতি কনটেইনারের (টিইউএস) সম্ভাব্য আয় ১৬১ দশমিক ৮০ ডলারের বিপরীতে বন্দর কর্তৃপক্ষকে (সিপিএ) ৯৮ দশমিক ৫০ ডলার রাজস্ব দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। ডিপি ওয়ার্ল্ড এর আগে প্রতি কনটেইনারে ৯৩ দশমিক ৫০ থেকে ৯৭ দশমিক ৫০ ডলার রাজস্ব শেয়ারের প্রস্তাব দিয়েছিল।
এমজিএইচ গ্রুপের দাবি, তাদের ১৫ বছরের এই চুক্তি মডেলের মাধ্যমে বন্দর কর্তৃপক্ষ সর্বমোট প্রায় ১ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব পেতে পারে।
এদিকে বর্তমানে জিসিবি টার্মিনাল পরিচালনাকারী ১২টি বার্থ অপারেটরের একটি জোটও যৌথভাবে এই টার্মিনালকে আধুনিকায়ন ও পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, বিভিন্ন টার্মিনাল পরিচালনা ও বিনিয়োগের জন্য দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে।
বন্দরের ৪টি টার্মিনালের মধ্যে ৩টিই কনটেইনারবাহী জাহাজের হ্যান্ডলিংয়ের (খালাস ও বোঝাই) জন্য নির্ধারিত। শুধু জিসিবিতে কনটেইনারবাহী জাহাজের পাশাপাশি বাল্ক ও সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজও ভেড়ানো হয়।

চট্টগ্রাম বন্দরের আরও দুইটি টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ চায় ৪ প্রতিষ্ঠান
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১৬: ৩৪

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) নিয়ে বিতর্ক শেষ না হতেই এবার আরও দুইটি গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল আলোচনায় এসেছে। জেনারেল কার্গো বার্থ (জিসিবি) ও চিটাগং কনটেইনার টার্মিনালের (সিসিটি) নিয়ন্ত্রণ পেতে শুরু হয়েছে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের তীব্র প্রতিযোগিতা।
এই প্রতিযোগিতায় রয়েছে– সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডিপি ওয়ার্ল্ড, সৌদি আরবের রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল (আরএসজিটি), দেশীয় শিল্পগোষ্ঠী এমজিএইচ গ্রুপ এবং বর্তমান বার্থ অপারেটরদের জোট।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জিসিবি ও সিসিটি টার্মিনাল বর্তমানে সচল ও আয়-সক্ষম। অপারেটররা তাই নতুন প্রকল্পে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের বদলে দ্রুত আয় নিশ্চিত করতে বিদ্যমান টার্মিনালগুলোকেই লক্ষ্যবস্তু করছে।
চট্টগ্রাম বন্দরে মূলত ৪টি প্রধান কনটেইনার ও কার্গো টার্মিনাল রয়েছে। এগুলো হলো– জিসিবি, সিসিটি, এনসিটি ও পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি)। বর্তমানে পিসিটি ছাড়া বাকি সব টার্মিনাল দেশীয় অপারেটরদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা করছে সৌদি আরবের ‘রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল’।
গত ৮ এপ্রিল দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ‘দুবাই-বাংলাদেশ জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম’ সভায় সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বৈশ্বিক অপারেটর ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’ সিসিটি পরিচালনার আগ্রহ প্রকাশ করে। বন্দরের সবচেয়ে বড় ও ব্যস্ততম কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার বিষয়ে কয়েক বছর ধরেই আলোচনা চলছে।
বৈঠকের কার্যবিবরণী অনুযায়ী, ডিপি ওয়ার্ল্ড জিসিবি ও সিসিটি টার্মিনালকে একসঙ্গে একটি সমন্বিত সুবিধা হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সিসিটি টার্মিনালটিকেও ‘বাংলাদেশ-দুবাই যৌথ প্ল্যাটফর্ম’-এর আওতায় আলোচনার টেবিলে রাখা হয়েছে। আগামী বৈঠকগুলোতে এটিকে একটি আলাদা প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।
ডিপি ওয়ার্ল্ডের আগ্রহ প্রকাশের দুই সপ্তাহ পর গত ২২ এপ্রিল সৌদি আরবের আরএসজিটি ৬০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা নিয়ে জিসিবি ও সিসিটি আধুনিকায়ন ও পরিচালনার প্রস্তাব দেয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে চট্টগ্রামে আরএসজিটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, প্রস্তাবটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সরকার অনুমতি দিলে তারা জিসিবি ও সিসিটি টার্মিনাল দুটিকে আধুনিক ও দক্ষভাবে পরিচালনা করতে আগ্রহী।
বিদেশি এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরেও প্রতিযোগিতায় নেমেছে বাংলাদেশি শিল্পগোষ্ঠী ‘এমজিএইচ গ্রুপ'। এর আগে গত বছরের মার্চে তারা ৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনাসহ সিসিটি টার্মিনাল আধুনিকায়ন ও পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছিল। গত ২৮ এপ্রিল তারা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের অধীনে এনসিটি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার জন্যও একটি নতুন প্রস্তাব জমা দেয়।
এমজিএইচ গ্রুপ এনসিটিতে প্রতি কনটেইনারের (টিইউএস) সম্ভাব্য আয় ১৬১ দশমিক ৮০ ডলারের বিপরীতে বন্দর কর্তৃপক্ষকে (সিপিএ) ৯৮ দশমিক ৫০ ডলার রাজস্ব দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। ডিপি ওয়ার্ল্ড এর আগে প্রতি কনটেইনারে ৯৩ দশমিক ৫০ থেকে ৯৭ দশমিক ৫০ ডলার রাজস্ব শেয়ারের প্রস্তাব দিয়েছিল।
এমজিএইচ গ্রুপের দাবি, তাদের ১৫ বছরের এই চুক্তি মডেলের মাধ্যমে বন্দর কর্তৃপক্ষ সর্বমোট প্রায় ১ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব পেতে পারে।
এদিকে বর্তমানে জিসিবি টার্মিনাল পরিচালনাকারী ১২টি বার্থ অপারেটরের একটি জোটও যৌথভাবে এই টার্মিনালকে আধুনিকায়ন ও পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, বিভিন্ন টার্মিনাল পরিচালনা ও বিনিয়োগের জন্য দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে।
বন্দরের ৪টি টার্মিনালের মধ্যে ৩টিই কনটেইনারবাহী জাহাজের হ্যান্ডলিংয়ের (খালাস ও বোঝাই) জন্য নির্ধারিত। শুধু জিসিবিতে কনটেইনারবাহী জাহাজের পাশাপাশি বাল্ক ও সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজও ভেড়ানো হয়।
/এফসি/




