অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের ওঠার পরও পদোন্নতি

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের ওঠার পরও পদোন্নতি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে শাহীনা নাছরিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি তাকেই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
৩৪তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা শাহীনা নাছরিন সহকারী কমিশনার (ভূমি) থেকে পদোন্নতি পেয়ে ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর নাসিরনগর উপজেলায় ইউএনও হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শাহীনা নাছরিনের বিরুদ্ধে নাসিরনগর উপজেলা মডেল মসজিদে নিয়োগ, সরকারি লবণ বিতরণ, জলমহাল ও পশুর হাট ইজারা, সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের কয়েকটি নিয়ে আদালতে মামলাও হয়েছে।
এর মধ্যে নাসিরনগর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে খতিব, ইমামসহ কয়েকটি পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চাকরিপ্রার্থী গোলাম মোস্তফা ২০২৫ সালের ৩ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন। মামলায় ইউএনও শাহীনা নাছরিন, জেলা প্রশাসকসহ চারজনকে আসামি করা হয়।
গোলাম মোস্তফার অভিযোগ, ইমাম পদে নির্বাচিত প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় ৩৩ নম্বর পেলেও তিনি পেয়েছিলেন ৫১ নম্বর। এরপর মৌখিক পরীক্ষায় তিনি অধিকাংশ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিলেও কোনো নম্বর দেওয়া হয়নি। বিপরীতে নির্বাচিত প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষায় ১৮ দশমিক ৫ নম্বর দিয়ে মোট ৫১ দশমিক ৫ নম্বরে নির্বাচিত দেখানো হয়। এ প্রক্রিয়ায় ইউএনও শাহীনা নাছরিনের প্রত্যক্ষ মদদ ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে, নাসিরনগর পাবলিক লাইব্রেরির ১৪ বছরের পুরোনো এক কর্মচারীকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে ইউএনওর বিরুদ্ধে। লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান পদ থেকে অব্যাহতি নিতে বাধ্য হওয়া পরিমল দাসের দাবি, কোনো কারণ ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি নিতে বলা হয়। পরে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই তার স্থানে অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালের ঈদুল আজহা উপলক্ষে নাসিরনগরের বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসায় বিতরণের জন্য ২৪০ বস্তা সরকারি লবণ বরাদ্দ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই লবণ বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়। গত বছরের ৫ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মচারী লবণ চুরি করে বাজারে বিক্রির সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হন।
পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চুক্তিভিত্তিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী রকিবুল হাসানকে দায়ী করে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া নাসিরনগরের বুড়িশ্বর ইউনিয়নের দক্ষিণ সিংহগ্রাম মৌজার ০.২৯ একর আয়তনের একটি খাস পুকুর ১৪৩২ থেকে ১৪৩৪ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত তিন বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, একটি অকার্যকর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নাম ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন সরকারি কর্মচারীর যোগসাজশে পুকুরটি ইজারা দেওয়া হয়। আরও কয়েকটি খাস পুকুরও লেনদেনের মাধ্যমে নিয়মবহির্ভূতভাবে ইজারা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
শুধু তাই নয়, ইউএনও শাহীনা নাছরিনের বিরুদ্ধে সরকারি ডোবা ভরাটে সহযোগিতা, ইউএনওর সরকারি বাসভবনের সামনের পুকুর সংস্কারের অর্থে নয়ছয়, কোটেশনের কাজে বাণিজ্য, কৃষিজমি ভরাট কিংবা পলিমাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে গোপনে অনুমোদনের নামে বাণিজ্যে জড়ানোসহ উপজেলা পরিষদের বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারে অনিয়মের মতো অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাসিরনগরের সাবেক ইউএনও শাহীনা নাছরিন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ইমাম নিয়োগের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। গরুর বাজারের ইজারার সময় কিছু বিশৃঙ্খলা হয়েছিল, তবে তিনি কঠোরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন। অন্য অভিযোগগুলোও সত্য নয় দাবি করে শাহীনা নাছরিন বলেন, সবকিছু নিয়ম মেনেই করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে শাহীনা নাছরিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি তাকেই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
৩৪তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা শাহীনা নাছরিন সহকারী কমিশনার (ভূমি) থেকে পদোন্নতি পেয়ে ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর নাসিরনগর উপজেলায় ইউএনও হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শাহীনা নাছরিনের বিরুদ্ধে নাসিরনগর উপজেলা মডেল মসজিদে নিয়োগ, সরকারি লবণ বিতরণ, জলমহাল ও পশুর হাট ইজারা, সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের কয়েকটি নিয়ে আদালতে মামলাও হয়েছে।
এর মধ্যে নাসিরনগর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে খতিব, ইমামসহ কয়েকটি পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চাকরিপ্রার্থী গোলাম মোস্তফা ২০২৫ সালের ৩ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন। মামলায় ইউএনও শাহীনা নাছরিন, জেলা প্রশাসকসহ চারজনকে আসামি করা হয়।
গোলাম মোস্তফার অভিযোগ, ইমাম পদে নির্বাচিত প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় ৩৩ নম্বর পেলেও তিনি পেয়েছিলেন ৫১ নম্বর। এরপর মৌখিক পরীক্ষায় তিনি অধিকাংশ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিলেও কোনো নম্বর দেওয়া হয়নি। বিপরীতে নির্বাচিত প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষায় ১৮ দশমিক ৫ নম্বর দিয়ে মোট ৫১ দশমিক ৫ নম্বরে নির্বাচিত দেখানো হয়। এ প্রক্রিয়ায় ইউএনও শাহীনা নাছরিনের প্রত্যক্ষ মদদ ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে, নাসিরনগর পাবলিক লাইব্রেরির ১৪ বছরের পুরোনো এক কর্মচারীকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে ইউএনওর বিরুদ্ধে। লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান পদ থেকে অব্যাহতি নিতে বাধ্য হওয়া পরিমল দাসের দাবি, কোনো কারণ ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি নিতে বলা হয়। পরে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই তার স্থানে অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালের ঈদুল আজহা উপলক্ষে নাসিরনগরের বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসায় বিতরণের জন্য ২৪০ বস্তা সরকারি লবণ বরাদ্দ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই লবণ বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়। গত বছরের ৫ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মচারী লবণ চুরি করে বাজারে বিক্রির সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হন।
পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চুক্তিভিত্তিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী রকিবুল হাসানকে দায়ী করে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া নাসিরনগরের বুড়িশ্বর ইউনিয়নের দক্ষিণ সিংহগ্রাম মৌজার ০.২৯ একর আয়তনের একটি খাস পুকুর ১৪৩২ থেকে ১৪৩৪ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত তিন বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, একটি অকার্যকর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নাম ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন সরকারি কর্মচারীর যোগসাজশে পুকুরটি ইজারা দেওয়া হয়। আরও কয়েকটি খাস পুকুরও লেনদেনের মাধ্যমে নিয়মবহির্ভূতভাবে ইজারা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
শুধু তাই নয়, ইউএনও শাহীনা নাছরিনের বিরুদ্ধে সরকারি ডোবা ভরাটে সহযোগিতা, ইউএনওর সরকারি বাসভবনের সামনের পুকুর সংস্কারের অর্থে নয়ছয়, কোটেশনের কাজে বাণিজ্য, কৃষিজমি ভরাট কিংবা পলিমাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে গোপনে অনুমোদনের নামে বাণিজ্যে জড়ানোসহ উপজেলা পরিষদের বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারে অনিয়মের মতো অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাসিরনগরের সাবেক ইউএনও শাহীনা নাছরিন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ইমাম নিয়োগের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। গরুর বাজারের ইজারার সময় কিছু বিশৃঙ্খলা হয়েছিল, তবে তিনি কঠোরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন। অন্য অভিযোগগুলোও সত্য নয় দাবি করে শাহীনা নাছরিন বলেন, সবকিছু নিয়ম মেনেই করা হয়েছে।

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের ওঠার পরও পদোন্নতি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে শাহীনা নাছরিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি তাকেই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
৩৪তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা শাহীনা নাছরিন সহকারী কমিশনার (ভূমি) থেকে পদোন্নতি পেয়ে ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর নাসিরনগর উপজেলায় ইউএনও হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শাহীনা নাছরিনের বিরুদ্ধে নাসিরনগর উপজেলা মডেল মসজিদে নিয়োগ, সরকারি লবণ বিতরণ, জলমহাল ও পশুর হাট ইজারা, সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের কয়েকটি নিয়ে আদালতে মামলাও হয়েছে।
এর মধ্যে নাসিরনগর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে খতিব, ইমামসহ কয়েকটি পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চাকরিপ্রার্থী গোলাম মোস্তফা ২০২৫ সালের ৩ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা করেন। মামলায় ইউএনও শাহীনা নাছরিন, জেলা প্রশাসকসহ চারজনকে আসামি করা হয়।
গোলাম মোস্তফার অভিযোগ, ইমাম পদে নির্বাচিত প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় ৩৩ নম্বর পেলেও তিনি পেয়েছিলেন ৫১ নম্বর। এরপর মৌখিক পরীক্ষায় তিনি অধিকাংশ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিলেও কোনো নম্বর দেওয়া হয়নি। বিপরীতে নির্বাচিত প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষায় ১৮ দশমিক ৫ নম্বর দিয়ে মোট ৫১ দশমিক ৫ নম্বরে নির্বাচিত দেখানো হয়। এ প্রক্রিয়ায় ইউএনও শাহীনা নাছরিনের প্রত্যক্ষ মদদ ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে, নাসিরনগর পাবলিক লাইব্রেরির ১৪ বছরের পুরোনো এক কর্মচারীকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে ইউএনওর বিরুদ্ধে। লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান পদ থেকে অব্যাহতি নিতে বাধ্য হওয়া পরিমল দাসের দাবি, কোনো কারণ ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি নিতে বলা হয়। পরে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই তার স্থানে অন্য একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালের ঈদুল আজহা উপলক্ষে নাসিরনগরের বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসায় বিতরণের জন্য ২৪০ বস্তা সরকারি লবণ বরাদ্দ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই লবণ বিতরণে অনিয়ম ও আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়। গত বছরের ৫ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মচারী লবণ চুরি করে বাজারে বিক্রির সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হন।
পরে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চুক্তিভিত্তিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী রকিবুল হাসানকে দায়ী করে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া নাসিরনগরের বুড়িশ্বর ইউনিয়নের দক্ষিণ সিংহগ্রাম মৌজার ০.২৯ একর আয়তনের একটি খাস পুকুর ১৪৩২ থেকে ১৪৩৪ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত তিন বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, একটি অকার্যকর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নাম ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন সরকারি কর্মচারীর যোগসাজশে পুকুরটি ইজারা দেওয়া হয়। আরও কয়েকটি খাস পুকুরও লেনদেনের মাধ্যমে নিয়মবহির্ভূতভাবে ইজারা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
শুধু তাই নয়, ইউএনও শাহীনা নাছরিনের বিরুদ্ধে সরকারি ডোবা ভরাটে সহযোগিতা, ইউএনওর সরকারি বাসভবনের সামনের পুকুর সংস্কারের অর্থে নয়ছয়, কোটেশনের কাজে বাণিজ্য, কৃষিজমি ভরাট কিংবা পলিমাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে গোপনে অনুমোদনের নামে বাণিজ্যে জড়ানোসহ উপজেলা পরিষদের বরাদ্দের অর্থ ব্যবহারে অনিয়মের মতো অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নাসিরনগরের সাবেক ইউএনও শাহীনা নাছরিন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ইমাম নিয়োগের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। গরুর বাজারের ইজারার সময় কিছু বিশৃঙ্খলা হয়েছিল, তবে তিনি কঠোরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন। অন্য অভিযোগগুলোও সত্য নয় দাবি করে শাহীনা নাছরিন বলেন, সবকিছু নিয়ম মেনেই করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনসার্ট স্থগিতের দাবিতে মাদ্রাসাছাত্রদের স্মারকলিপি





-CznNewsLab-39c5ee.jpg)

