সপ্তাহ পেরোতে আবার সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৫০

সপ্তাহ পেরোতে আবার সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৫০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ২ জন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে সদর উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামে রহিম তালুকদার গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজনদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। গত মঙ্গলবারও (১৭ মার্চ) তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নতুন করে সংঘর্ষে নিহতরা হলেন- আক্তার মিয়া ও হাবিবুর রহমান। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে গোয়ালনগর গ্রামের রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর জিয়াউর রহমানকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন।
এ নিয়ে জিয়াউর রহমান একই গ্রামের কাসেম মিয়া গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করেন। সম্প্রতি জিয়াউর শিশু মিয়াকে তার মোটরসাইকেলসহ আটক করে মারধর করেন এবং মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেন। সেই ঘটনা কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার রহিম তালুকদার ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজনদরে মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ২ জন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে সদর উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামে রহিম তালুকদার গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজনদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। গত মঙ্গলবারও (১৭ মার্চ) তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নতুন করে সংঘর্ষে নিহতরা হলেন- আক্তার মিয়া ও হাবিবুর রহমান। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে গোয়ালনগর গ্রামের রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর জিয়াউর রহমানকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন।
এ নিয়ে জিয়াউর রহমান একই গ্রামের কাসেম মিয়া গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করেন। সম্প্রতি জিয়াউর শিশু মিয়াকে তার মোটরসাইকেলসহ আটক করে মারধর করেন এবং মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেন। সেই ঘটনা কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার রহিম তালুকদার ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজনদরে মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

সপ্তাহ পেরোতে আবার সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৫০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ২ জন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে সদর উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামে রহিম তালুকদার গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজনদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। গত মঙ্গলবারও (১৭ মার্চ) তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নতুন করে সংঘর্ষে নিহতরা হলেন- আক্তার মিয়া ও হাবিবুর রহমান। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে গোয়ালনগর গ্রামের রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর জিয়াউর রহমানকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন।
এ নিয়ে জিয়াউর রহমান একই গ্রামের কাসেম মিয়া গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করেন। সম্প্রতি জিয়াউর শিশু মিয়াকে তার মোটরসাইকেলসহ আটক করে মারধর করেন এবং মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেন। সেই ঘটনা কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার রহিম তালুকদার ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজনদরে মধ্যে সংঘর্ষ হয়।




