আমাকে হারাতে সর্বশক্তি দিয়ে নেমেছিল বিএনপি: রুমিন ফারহানা

আমাকে হারাতে সর্বশক্তি দিয়ে নেমেছিল বিএনপি: রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আমাকে শুধুমাত্র আমার আসনের প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গেই লড়তে হয়নি, বিএনপি এখানে সর্বশক্তি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নেমেছিল। তারা বিষয়টি এমনভাবে নিয়েছিল যে, দলের চেয়ে ব্যক্তির ইমেজ ভালো হতে পারে না। আমি রুমিন হয়েছি, শুধুমাত্র বিএনপি একসময় করতাম এজন্য; তারা বলেছিল যে, রুমিনকে হারাতেই হবে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরাইলের শাহবাজপুরে নিজ বাড়িতে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রাম ছিল ভোটের অধিকারের জন্য, সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য; সেই আন্দোলনের আমিও শরিক ছিলাম। কিন্তু দলের ১৮ মাসের কার্যক্রমে আমরা দেখেছি কী করে মানুষের কাছ থেকে পয়সা আদায় করা যায়, কী করে জুলুম করা যায়, কী করে জমি-ব্যবসা দখল করা যায়, কী করে চাঁদাবাজি করা যায়; আমি কি সেগুলোরও সঙ্গী হব? তাতো নয় নিশ্চয়ই। আমার রাজনীতি আমার, দলের রাজনীতি দলের। আমি আশা করব, তারা ২০০১ থেকে ২০২৬ এ যে ভুলগুলো করেছে, তার পুনরাবৃত্তি তাদের হবে না। গত দেড় বছর তারা মানুষকে নানাভাবে বিরক্ত করেছে, সেটার পুনরাবৃত্তি হবে না। এটুকুই আমার আশা থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আমার এই নির্বাচনের প্রস্তুতি ২২দিন বা ২৫ দিনের না। ৫ আগস্টের পর থেকে আমি প্রতি সপ্তাহে অন্তত চার-পাঁচদিন এলাকায় থাকতাম। এই প্রস্তুতি অনেক আগের। এটা আমার নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি। এই জয়টা আমার না, এই জয় আমার ভোটারের। যারা আমাকে ভোট দেয়নি, আমাকে নিয়ে অশালীন কুৎসিত মন্তব্য করেছে- বিএনপির পদধারী নেতারা, আমি তাদের কাছেও কৃতজ্ঞ। কারণ তারা যদি এতটা কদর্য আচরণ না করত, তাহলে হয়তো আমি এতো ভোটের ব্যবধানে জিততাম না। মানুষ ব্যালটে তাদের সমস্ত অন্যায়, অবিচার ও অকৃতজ্ঞতার জবাব দিয়ে দিয়েছে।
নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য বলেন, আমি যাদের ভালোবাসা ও আস্থায় নির্বাচিত হয়েছি, তাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নরের একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন রুমিন ফারহানা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।
দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কার হন রুমিন ফারহানা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আমাকে শুধুমাত্র আমার আসনের প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গেই লড়তে হয়নি, বিএনপি এখানে সর্বশক্তি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নেমেছিল। তারা বিষয়টি এমনভাবে নিয়েছিল যে, দলের চেয়ে ব্যক্তির ইমেজ ভালো হতে পারে না। আমি রুমিন হয়েছি, শুধুমাত্র বিএনপি একসময় করতাম এজন্য; তারা বলেছিল যে, রুমিনকে হারাতেই হবে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরাইলের শাহবাজপুরে নিজ বাড়িতে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রাম ছিল ভোটের অধিকারের জন্য, সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য; সেই আন্দোলনের আমিও শরিক ছিলাম। কিন্তু দলের ১৮ মাসের কার্যক্রমে আমরা দেখেছি কী করে মানুষের কাছ থেকে পয়সা আদায় করা যায়, কী করে জুলুম করা যায়, কী করে জমি-ব্যবসা দখল করা যায়, কী করে চাঁদাবাজি করা যায়; আমি কি সেগুলোরও সঙ্গী হব? তাতো নয় নিশ্চয়ই। আমার রাজনীতি আমার, দলের রাজনীতি দলের। আমি আশা করব, তারা ২০০১ থেকে ২০২৬ এ যে ভুলগুলো করেছে, তার পুনরাবৃত্তি তাদের হবে না। গত দেড় বছর তারা মানুষকে নানাভাবে বিরক্ত করেছে, সেটার পুনরাবৃত্তি হবে না। এটুকুই আমার আশা থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আমার এই নির্বাচনের প্রস্তুতি ২২দিন বা ২৫ দিনের না। ৫ আগস্টের পর থেকে আমি প্রতি সপ্তাহে অন্তত চার-পাঁচদিন এলাকায় থাকতাম। এই প্রস্তুতি অনেক আগের। এটা আমার নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি। এই জয়টা আমার না, এই জয় আমার ভোটারের। যারা আমাকে ভোট দেয়নি, আমাকে নিয়ে অশালীন কুৎসিত মন্তব্য করেছে- বিএনপির পদধারী নেতারা, আমি তাদের কাছেও কৃতজ্ঞ। কারণ তারা যদি এতটা কদর্য আচরণ না করত, তাহলে হয়তো আমি এতো ভোটের ব্যবধানে জিততাম না। মানুষ ব্যালটে তাদের সমস্ত অন্যায়, অবিচার ও অকৃতজ্ঞতার জবাব দিয়ে দিয়েছে।
নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য বলেন, আমি যাদের ভালোবাসা ও আস্থায় নির্বাচিত হয়েছি, তাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নরের একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন রুমিন ফারহানা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।
দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কার হন রুমিন ফারহানা।

আমাকে হারাতে সর্বশক্তি দিয়ে নেমেছিল বিএনপি: রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আমাকে শুধুমাত্র আমার আসনের প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গেই লড়তে হয়নি, বিএনপি এখানে সর্বশক্তি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নেমেছিল। তারা বিষয়টি এমনভাবে নিয়েছিল যে, দলের চেয়ে ব্যক্তির ইমেজ ভালো হতে পারে না। আমি রুমিন হয়েছি, শুধুমাত্র বিএনপি একসময় করতাম এজন্য; তারা বলেছিল যে, রুমিনকে হারাতেই হবে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরাইলের শাহবাজপুরে নিজ বাড়িতে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রাম ছিল ভোটের অধিকারের জন্য, সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য; সেই আন্দোলনের আমিও শরিক ছিলাম। কিন্তু দলের ১৮ মাসের কার্যক্রমে আমরা দেখেছি কী করে মানুষের কাছ থেকে পয়সা আদায় করা যায়, কী করে জুলুম করা যায়, কী করে জমি-ব্যবসা দখল করা যায়, কী করে চাঁদাবাজি করা যায়; আমি কি সেগুলোরও সঙ্গী হব? তাতো নয় নিশ্চয়ই। আমার রাজনীতি আমার, দলের রাজনীতি দলের। আমি আশা করব, তারা ২০০১ থেকে ২০২৬ এ যে ভুলগুলো করেছে, তার পুনরাবৃত্তি তাদের হবে না। গত দেড় বছর তারা মানুষকে নানাভাবে বিরক্ত করেছে, সেটার পুনরাবৃত্তি হবে না। এটুকুই আমার আশা থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আমার এই নির্বাচনের প্রস্তুতি ২২দিন বা ২৫ দিনের না। ৫ আগস্টের পর থেকে আমি প্রতি সপ্তাহে অন্তত চার-পাঁচদিন এলাকায় থাকতাম। এই প্রস্তুতি অনেক আগের। এটা আমার নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি। এই জয়টা আমার না, এই জয় আমার ভোটারের। যারা আমাকে ভোট দেয়নি, আমাকে নিয়ে অশালীন কুৎসিত মন্তব্য করেছে- বিএনপির পদধারী নেতারা, আমি তাদের কাছেও কৃতজ্ঞ। কারণ তারা যদি এতটা কদর্য আচরণ না করত, তাহলে হয়তো আমি এতো ভোটের ব্যবধানে জিততাম না। মানুষ ব্যালটে তাদের সমস্ত অন্যায়, অবিচার ও অকৃতজ্ঞতার জবাব দিয়ে দিয়েছে।
নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য বলেন, আমি যাদের ভালোবাসা ও আস্থায় নির্বাচিত হয়েছি, তাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নরের একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন রুমিন ফারহানা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট।
দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কার হন রুমিন ফারহানা।




