কীর্তনখোলায় কাত হয়ে পড়ল ঘাটে রাখা লঞ্চ

কীর্তনখোলায় কাত হয়ে পড়ল ঘাটে রাখা লঞ্চ
বরিশাল সংবাদদাতা

বরিশালে চরমোনাইয়ের মাহফিলে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে আসা একটি লঞ্চ কীর্তনখোলা নদীতে কাত হয়ে পড়েছে। তবে লঞ্চটি খালি থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে চরমোনাই মাহফিলের বাসা-বাড়ি ঘাটে ভিড়িয়ে রাখা লঞ্চটি কাত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ ।
তিনি বলেন, বুধবার থেকে চরমোনাইয়ে তিনদিন ব্যাপী ফাল্গুনের বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল শুরু হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা ৩০০ যাত্রী মাহফিলে অংশ নিতে এমভি মানিক-৪ লঞ্চটি রিজার্ভ করেছিলেন। লঞ্চটি ভোরে বাসা-বাড়ি ঘাটে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে সেখানেই অবস্থান করছিল।
তিনি আরও বলেন, ভাটার কারণে পানি কমে গেলে লঞ্চের পেছনের দিকটা দেবে যায়। পরে বেলা ১১টার দিকে ধীরে ধীরে লঞ্চটি কীর্তনখোলা নদীতে ডুবে যায়। এ সময় কোনো যাত্রী বা লঞ্চ সংশ্লিষ্ট কেউ ভেতরে ছিলেন না।
বরিশাল নৌ-ফায়ার স্টেশনের অফিসার সনাজ মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, এ ঘটনায় কোনো নিখোঁজের খবর নেই। লঞ্চটি নদীর ৫৫ ফুট গভীরে রয়েছে। এতে নৌ-চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।
লঞ্চটির বর্তমান পরিচালক ফজলুল হক বলেন, ঢাকা থেকে ডুবুরি দল ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধি দল দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।

বরিশালে চরমোনাইয়ের মাহফিলে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে আসা একটি লঞ্চ কীর্তনখোলা নদীতে কাত হয়ে পড়েছে। তবে লঞ্চটি খালি থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে চরমোনাই মাহফিলের বাসা-বাড়ি ঘাটে ভিড়িয়ে রাখা লঞ্চটি কাত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ ।
তিনি বলেন, বুধবার থেকে চরমোনাইয়ে তিনদিন ব্যাপী ফাল্গুনের বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল শুরু হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা ৩০০ যাত্রী মাহফিলে অংশ নিতে এমভি মানিক-৪ লঞ্চটি রিজার্ভ করেছিলেন। লঞ্চটি ভোরে বাসা-বাড়ি ঘাটে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে সেখানেই অবস্থান করছিল।
তিনি আরও বলেন, ভাটার কারণে পানি কমে গেলে লঞ্চের পেছনের দিকটা দেবে যায়। পরে বেলা ১১টার দিকে ধীরে ধীরে লঞ্চটি কীর্তনখোলা নদীতে ডুবে যায়। এ সময় কোনো যাত্রী বা লঞ্চ সংশ্লিষ্ট কেউ ভেতরে ছিলেন না।
বরিশাল নৌ-ফায়ার স্টেশনের অফিসার সনাজ মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, এ ঘটনায় কোনো নিখোঁজের খবর নেই। লঞ্চটি নদীর ৫৫ ফুট গভীরে রয়েছে। এতে নৌ-চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।
লঞ্চটির বর্তমান পরিচালক ফজলুল হক বলেন, ঢাকা থেকে ডুবুরি দল ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধি দল দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।

কীর্তনখোলায় কাত হয়ে পড়ল ঘাটে রাখা লঞ্চ
বরিশাল সংবাদদাতা

বরিশালে চরমোনাইয়ের মাহফিলে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে আসা একটি লঞ্চ কীর্তনখোলা নদীতে কাত হয়ে পড়েছে। তবে লঞ্চটি খালি থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে চরমোনাই মাহফিলের বাসা-বাড়ি ঘাটে ভিড়িয়ে রাখা লঞ্চটি কাত হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ ।
তিনি বলেন, বুধবার থেকে চরমোনাইয়ে তিনদিন ব্যাপী ফাল্গুনের বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল শুরু হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ থেকে আসা ৩০০ যাত্রী মাহফিলে অংশ নিতে এমভি মানিক-৪ লঞ্চটি রিজার্ভ করেছিলেন। লঞ্চটি ভোরে বাসা-বাড়ি ঘাটে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে সেখানেই অবস্থান করছিল।
তিনি আরও বলেন, ভাটার কারণে পানি কমে গেলে লঞ্চের পেছনের দিকটা দেবে যায়। পরে বেলা ১১টার দিকে ধীরে ধীরে লঞ্চটি কীর্তনখোলা নদীতে ডুবে যায়। এ সময় কোনো যাত্রী বা লঞ্চ সংশ্লিষ্ট কেউ ভেতরে ছিলেন না।
বরিশাল নৌ-ফায়ার স্টেশনের অফিসার সনাজ মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, এ ঘটনায় কোনো নিখোঁজের খবর নেই। লঞ্চটি নদীর ৫৫ ফুট গভীরে রয়েছে। এতে নৌ-চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।
লঞ্চটির বর্তমান পরিচালক ফজলুল হক বলেন, ঢাকা থেকে ডুবুরি দল ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধি দল দুর্ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।




