নিখোঁজের ৩৩ ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রী জুঁইয়ের মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ৩৩ ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রী জুঁইয়ের মরদেহ উদ্ধার
বরগুনা সংবাদদাতা

ঢাকা থেকে বরগুনায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন দশম শ্রেণির ছাত্রী জুঁই আক্তার। পরে স্বজনদের সঙ্গে পাশের পায়রা নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হন। অবশেষে ৩৩ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তালতলী উপজেলার জয়ালভাঙা নলবুনিয়া এলাকায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র-সংলগ্ন পায়রা নদীর তীরে স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পান।
মৃত জুঁই রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা জনি চৌধুরীর মেয়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার নরহা গ্রামে। সে মিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে ঢাকা থেকে বাবার সঙ্গে বরগুনার বালিয়াতলী ইউনিয়নের লতাকাটা এলাকায় নানা শানু মৃধার বাড়িতে বেড়াতে যায় জুঁই। সেখানে এক স্বজনের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী পায়রা নদীতে গোসল করতে গেলে তীব্র স্রোতে সে পানিতে তলিয়ে যায়। প্রথমে স্থানীয়রা জাল টেনে খোঁজাখুঁজি করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। অতিরিক্ত স্রোত থাকার কারণে রবিবার উদ্ধার কার্যক্রম বন্ধ করে ফায়ার সার্ভিস। প্রায় ৩৩ ঘণ্টা পর স্থানীয়রা নদীতে তার লাশ ভাসতে দেখে পান। পরে নৌপুলিশের সহযোগিতায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আবু সাহদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় লাশ উদ্ধার করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ঢাকা থেকে বরগুনায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন দশম শ্রেণির ছাত্রী জুঁই আক্তার। পরে স্বজনদের সঙ্গে পাশের পায়রা নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হন। অবশেষে ৩৩ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তালতলী উপজেলার জয়ালভাঙা নলবুনিয়া এলাকায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র-সংলগ্ন পায়রা নদীর তীরে স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পান।
মৃত জুঁই রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা জনি চৌধুরীর মেয়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার নরহা গ্রামে। সে মিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে ঢাকা থেকে বাবার সঙ্গে বরগুনার বালিয়াতলী ইউনিয়নের লতাকাটা এলাকায় নানা শানু মৃধার বাড়িতে বেড়াতে যায় জুঁই। সেখানে এক স্বজনের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী পায়রা নদীতে গোসল করতে গেলে তীব্র স্রোতে সে পানিতে তলিয়ে যায়। প্রথমে স্থানীয়রা জাল টেনে খোঁজাখুঁজি করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। অতিরিক্ত স্রোত থাকার কারণে রবিবার উদ্ধার কার্যক্রম বন্ধ করে ফায়ার সার্ভিস। প্রায় ৩৩ ঘণ্টা পর স্থানীয়রা নদীতে তার লাশ ভাসতে দেখে পান। পরে নৌপুলিশের সহযোগিতায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আবু সাহদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় লাশ উদ্ধার করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিখোঁজের ৩৩ ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রী জুঁইয়ের মরদেহ উদ্ধার
বরগুনা সংবাদদাতা

ঢাকা থেকে বরগুনায় আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন দশম শ্রেণির ছাত্রী জুঁই আক্তার। পরে স্বজনদের সঙ্গে পাশের পায়রা নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হন। অবশেষে ৩৩ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তালতলী উপজেলার জয়ালভাঙা নলবুনিয়া এলাকায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র-সংলগ্ন পায়রা নদীর তীরে স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পান।
মৃত জুঁই রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা জনি চৌধুরীর মেয়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার নরহা গ্রামে। সে মিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে ঢাকা থেকে বাবার সঙ্গে বরগুনার বালিয়াতলী ইউনিয়নের লতাকাটা এলাকায় নানা শানু মৃধার বাড়িতে বেড়াতে যায় জুঁই। সেখানে এক স্বজনের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী পায়রা নদীতে গোসল করতে গেলে তীব্র স্রোতে সে পানিতে তলিয়ে যায়। প্রথমে স্থানীয়রা জাল টেনে খোঁজাখুঁজি করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। অতিরিক্ত স্রোত থাকার কারণে রবিবার উদ্ধার কার্যক্রম বন্ধ করে ফায়ার সার্ভিস। প্রায় ৩৩ ঘণ্টা পর স্থানীয়রা নদীতে তার লাশ ভাসতে দেখে পান। পরে নৌপুলিশের সহযোগিতায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আবু সাহদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় লাশ উদ্ধার করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বরগুনায় ১৭ দিনে ২১ মরদেহ উদ্ধার






