বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে এফবিসিসিআইয়ের তাগিদ

বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে এফবিসিসিআইয়ের তাগিদ
সিজেডএন ডেস্ক

বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে, গতকাল বুধবার বিকালে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এ সময় তিনি উভয় দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর জোর দেন।
বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক চীনা উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহ, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও খুলনায় শিল্প স্থাপনের জোর আহ্বান জানান। এ সময় বাংলাদেশে চীনা ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনায় এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আশ্বস্ত করেন তিনি।
একই সাথে, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও সহজ করতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য চীনের ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের দাবি জানান মো. ফজলুল হক।
এ সময় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, চীন-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চীনা দূতাবাস অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক যান (ইভি), ফল ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পর্যটন খাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
বৈঠকে এফবিসিসিআইর মহাসচিব মো. আলমগীর এবং ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে, গতকাল বুধবার বিকালে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এ সময় তিনি উভয় দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর জোর দেন।
বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক চীনা উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহ, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও খুলনায় শিল্প স্থাপনের জোর আহ্বান জানান। এ সময় বাংলাদেশে চীনা ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনায় এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আশ্বস্ত করেন তিনি।
একই সাথে, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও সহজ করতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য চীনের ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের দাবি জানান মো. ফজলুল হক।
এ সময় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, চীন-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চীনা দূতাবাস অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক যান (ইভি), ফল ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পর্যটন খাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
বৈঠকে এফবিসিসিআইর মহাসচিব মো. আলমগীর এবং ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে এফবিসিসিআইয়ের তাগিদ
সিজেডএন ডেস্ক

বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে, গতকাল বুধবার বিকালে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এ সময় তিনি উভয় দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর জোর দেন।
বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক চীনা উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহ, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও খুলনায় শিল্প স্থাপনের জোর আহ্বান জানান। এ সময় বাংলাদেশে চীনা ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনায় এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আশ্বস্ত করেন তিনি।
একই সাথে, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও সহজ করতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য চীনের ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের দাবি জানান মো. ফজলুল হক।
এ সময় চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, চীন-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চীনা দূতাবাস অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক যান (ইভি), ফল ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পর্যটন খাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
বৈঠকে এফবিসিসিআইর মহাসচিব মো. আলমগীর এবং ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে রিহ্যাবের অভিনন্দন





