শিরোনাম

৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ রাখার পরামর্শ রুমিন ফারহানার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ রাখার পরামর্শ রুমিন ফারহানার
সংসদ অধিবেশনে কথা বলছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সমালোচনা করে ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

তিনি বলেন, ‘এ সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারের মধ্যে অন্যতম তিনটি কাজগুলো হলো– আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি খাতের নিশ্চয়তা। তবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলতে গেল মুশকিল হচ্ছে, আমাদের যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন– তিনি হয় ব্যঙ্গ করেন, না হলে বাক চাতুর্য দিয়ে পুরো বিষয়টি ঢেকে দিতে চান। কিন্তু সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যেমন তিনজন মন্ত্রী আছেন, ৬৪ জেলায় ৬৪ জন আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলে কেবল মন্দ হতো না। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এতই ভালো অবস্থা।’

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে সংদস সদস্য রুমিন ফারহানা এসব কথা বলেন। এদিন বিকাল তিনটায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবস শুরু হয়।

অধিবেশন লোডশেডিংয়ের সমালোচনা করে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, ‘গ্যাস ও বিদ্যুতের বিষয়ে মানুষ বলে, সবাই না– দুষ্টু লোকে বলে, ভালো লোকে বলে না– টুকু আসে, টুকু যায়। এ আসে, এই যায়। কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না।’

জ্বালানি সংকট নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যখন তেলের দাম বাড়ছে, যখন বিদ্যুতের জন্য হাহাকার, যখন গ্যাস পাওয়া যায় না, তখন ১ কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার প্রতিশ্রুতি যে সরকার দিয়েছিল নির্বাচনে– সে সরকার ক্ষমতায় আসার ৬ মাসের মধ্যে ৬২ হাজার লোক চাকরি হারিয়েছে। ৯০০-এর ওপরে কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে? যারা চাকরি করছেন, তাদের চাকরি কত দিন থাকবে আল্লাহ মাবুদ জানে!’

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির চিত্র তুলে ধরে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাজারে যখন মানুষ যায়– ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। ডিমের দাম কয়েক দফা বেড়েছে। চালের দাম, বিশেষ করে মিনিকেট চাল! বলা হয়– এটা কেউ খায় না, কিন্তু কেউ কেউতো খায়! দাম যখন দ্বিগুণ হয়ে যায়, যখন আমরা টিসিবির লাইন দেখি...।’

/এফআর/