বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে কমলাপুরে উপচে পড়া ভিড়

বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে কমলাপুরে উপচে পড়া ভিড়
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী। লঞ্চ ও বাস টার্মিনালের মতো কমলাপুর রেলস্টেশনেও নেমেছে ঘরমুখো মানুষের ঢল। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সকাল থেকেই স্টেশনে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।
বুধবার (২৬ মে) সকালে কমলাপুরে রেলস্টেশনে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই নির্ধারিত সময়ের আগেই উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোর ছাদ যাত্রীতে ভরে যায়। কেউ ব্যাগ শক্ত করে ধরে বসে আছেন, কেউ আবার ছাদের কিনারায় পা ঝুলিয়ে ঝুঁকি নিয়ে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন বগির গেটেও অনেক যাত্রীকে ঝুলে থাকতে দেখা গেছে।
এদিকে, ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা ঠেকাতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বেশ তৎপর ছিল। তবে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টা পর্যন্ত ১৮টি ট্রেন স্টেশন ছেড়ে গেছে। এর মধ্যে নীলসাগর এক্সপ্রেস প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বে ছেড়ে গেছে।
রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে নীলসাগর এক্সপ্রেস ধীরগতিতে চলেছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাত্রী ওঠানামা করাতেও কিছুটা বেশি সময় লেগেছে।
তিনি বলেন, ট্রেনের ছাদে যাত্রী ভ্রমণের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। তবে অতিরিক্ত যাত্রীচাপ ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে অনেক ক্ষেত্রে ছাদ থেকে যাত্রী নামানো সম্ভব হচ্ছে না।

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী। লঞ্চ ও বাস টার্মিনালের মতো কমলাপুর রেলস্টেশনেও নেমেছে ঘরমুখো মানুষের ঢল। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সকাল থেকেই স্টেশনে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।
বুধবার (২৬ মে) সকালে কমলাপুরে রেলস্টেশনে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই নির্ধারিত সময়ের আগেই উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোর ছাদ যাত্রীতে ভরে যায়। কেউ ব্যাগ শক্ত করে ধরে বসে আছেন, কেউ আবার ছাদের কিনারায় পা ঝুলিয়ে ঝুঁকি নিয়ে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন বগির গেটেও অনেক যাত্রীকে ঝুলে থাকতে দেখা গেছে।
এদিকে, ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা ঠেকাতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বেশ তৎপর ছিল। তবে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টা পর্যন্ত ১৮টি ট্রেন স্টেশন ছেড়ে গেছে। এর মধ্যে নীলসাগর এক্সপ্রেস প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বে ছেড়ে গেছে।
রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে নীলসাগর এক্সপ্রেস ধীরগতিতে চলেছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাত্রী ওঠানামা করাতেও কিছুটা বেশি সময় লেগেছে।
তিনি বলেন, ট্রেনের ছাদে যাত্রী ভ্রমণের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। তবে অতিরিক্ত যাত্রীচাপ ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে অনেক ক্ষেত্রে ছাদ থেকে যাত্রী নামানো সম্ভব হচ্ছে না।

বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে কমলাপুরে উপচে পড়া ভিড়
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নাড়ির টানে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী। লঞ্চ ও বাস টার্মিনালের মতো কমলাপুর রেলস্টেশনেও নেমেছে ঘরমুখো মানুষের ঢল। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে সকাল থেকেই স্টেশনে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে।
বুধবার (২৬ মে) সকালে কমলাপুরে রেলস্টেশনে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই নির্ধারিত সময়ের আগেই উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোর ছাদ যাত্রীতে ভরে যায়। কেউ ব্যাগ শক্ত করে ধরে বসে আছেন, কেউ আবার ছাদের কিনারায় পা ঝুলিয়ে ঝুঁকি নিয়ে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন বগির গেটেও অনেক যাত্রীকে ঝুলে থাকতে দেখা গেছে।
এদিকে, ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা ঠেকাতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বেশ তৎপর ছিল। তবে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টা পর্যন্ত ১৮টি ট্রেন স্টেশন ছেড়ে গেছে। এর মধ্যে নীলসাগর এক্সপ্রেস প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বে ছেড়ে গেছে।
রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে নীলসাগর এক্সপ্রেস ধীরগতিতে চলেছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাত্রী ওঠানামা করাতেও কিছুটা বেশি সময় লেগেছে।
তিনি বলেন, ট্রেনের ছাদে যাত্রী ভ্রমণের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। তবে অতিরিক্ত যাত্রীচাপ ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে অনেক ক্ষেত্রে ছাদ থেকে যাত্রী নামানো সম্ভব হচ্ছে না।

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪৫ কিলোমিটার যানজট


-CznNewsLab-2c9955-256x144.webp)


-CznNewsLab-63b117-480x270.webp)

