পাঁচ একরের পান্থকুঞ্জ এখন ‘পকেট গার্ডেন’

পাঁচ একরের পান্থকুঞ্জ এখন ‘পকেট গার্ডেন’
নিজস্ব প্রতিবেদক
-CznNewsLab-63b117.jpg)
রাজধানীর পান্থপথের পান্থকুঞ্জ পার্কটি একসময় পাঁচ একরেরও বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত ছিল। তবে গত দুই দশকে ধীরে ধীরে পার্কের জমিতে গড়ে উঠেছে পাবলিক টয়লেট, বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র, বিভিন্ন ভাস্কর্যসহ নানা স্থাপনা। এতে ক্রমেই কমেছে সবুজে ঘেরা পার্কটির পরিসর। সবশেষ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র্যাম্প নির্মাণের কারণে পার্কের বড় একটি অংশ অবকাঠামোর আওতায় চলে যায়। বর্তমানে পাঁচ একরের বেশি আয়তনের পান্থকুঞ্জ এখন সংকুচিত হয়ে দাঁড়িয়েছে এক একরের কিছু বেশি জায়গায়। ফলে বিশাল পার্কটি কার্যত পরিণত হয়েছে ছোট্ট একটি ‘পকেট গার্ডেন’-এ।
রাজধানীতে যেখানে উন্মুক্ত স্থান ও সবুজের প্রয়োজন ক্রমেই বাড়ছে, সেখানে একটি পার্কের এমন সংকোচন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদ ও পরিবেশকর্মীরা।
তাদের মতে, এটি শুধু পান্থকুঞ্জের আয়তন কমে যাওয়ার ঘটনা নয়;বরং নগর উন্নয়নের নামে রাজধানীর সবুজ, জলাধার ও উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণে দীর্ঘদিনের দুর্বল ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন।
সম্প্রতি সরেজমিনে পান্থকুঞ্জ পার্কে গিয়ে দেখা গেছে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র্যাম্প নির্মাণের কাজ চলছে। নির্মাণসামগ্রী ও ভারী যন্ত্রপাতি রাখার জন্য পার্কের বড় একটি অংশ ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য থাকা উন্মুক্ত জায়গা আরো কমে গেছে। নির্মাণকাজ শেষ হলে দখল করা অংশের কতটুকু আগের অবস্থায় ফিরবে, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, ময়মনসিংহ সড়ক ও রেল সড়কের মাঝের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের পানি বর্ষাকালে বিভিন্ন খাল ও নিম্নাঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হতো। বর্তমান কাঁঠালবাগান, ভূতের গলি ও পান্থকুঞ্জ এলাকাও ছিল নিচু ভূমির অংশ। পরবর্তী সময়ে এসব এলাকার জলাভূমি ভরাট করে নগর অবকাঠামো গড়ে ওঠে। পান্থপথের খাল পরিবর্তন করে বক্স কালভার্ট নির্মাণ এবং বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গড়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে ত্রিভুজাকৃতির জলাধারটি ভরাট করে পান্থকুঞ্জ পার্ক তৈরি করা হয়। তবে জলাভূমির স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় না নিয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত ছিল অপরিকল্পিত।
নগর পরিকল্পনাবিদ খোন্দকার মোহাম্মদ আনসার বলেন, এরশাদ সরকারের সময় পান্থকুঞ্জ পার্ক নির্মাণ করা হয়। মূলত সড়ককে বন্যার পানির ক্ষয় থেকে রক্ষা করতেই এলাকাটি অধিগ্রহণ করা হয়েছিলো। পরে এর একটি অংশ পার্ক এবং অন্য অংশ বাণিজ্যিক প্লটে রূপ নেয়।
স্থানীয়দের দাবি, ২০০৭-০৮ সালের দিকে পার্কটির ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়। ওই সময় অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন পার্কের একটি অংশে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন বা বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণ করে। পরে সেখানে পাবলিক টয়লেটসহ অন্যান্য স্থাপনাও তৈরি হয়। এতে পার্কটির পরিবেশ ও ব্যবহারযোগ্যতা দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০১৮ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে পান্থকুঞ্জ সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। কাজ শুরু হলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়।
নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, পান্থকুঞ্জ রক্ষায় উচ্চ আদালতের রায় থাকলেও তা উপেক্ষা করে পার্কের ভেতরে বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র্যাম্প নির্মাণের বিরুদ্ধেও আন্দোলন হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনকারীরা দীর্ঘদিন পার্কে অবস্থান কর্মসূচিও পালন করেছেন।
তিনি বলেন, সরকার পরিবর্তন হলেও পান্থকুঞ্জের দখল পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।
এদিকে, পার্কটির ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর পরিকল্পনাবিদ মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আপাতত পান্থকুঞ্জ পার্ক নিয়ে আমাদের কোনো পরিকল্পনা নেই।
-CznNewsLab-63b117.jpg)
রাজধানীর পান্থপথের পান্থকুঞ্জ পার্কটি একসময় পাঁচ একরেরও বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত ছিল। তবে গত দুই দশকে ধীরে ধীরে পার্কের জমিতে গড়ে উঠেছে পাবলিক টয়লেট, বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র, বিভিন্ন ভাস্কর্যসহ নানা স্থাপনা। এতে ক্রমেই কমেছে সবুজে ঘেরা পার্কটির পরিসর। সবশেষ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র্যাম্প নির্মাণের কারণে পার্কের বড় একটি অংশ অবকাঠামোর আওতায় চলে যায়। বর্তমানে পাঁচ একরের বেশি আয়তনের পান্থকুঞ্জ এখন সংকুচিত হয়ে দাঁড়িয়েছে এক একরের কিছু বেশি জায়গায়। ফলে বিশাল পার্কটি কার্যত পরিণত হয়েছে ছোট্ট একটি ‘পকেট গার্ডেন’-এ।
রাজধানীতে যেখানে উন্মুক্ত স্থান ও সবুজের প্রয়োজন ক্রমেই বাড়ছে, সেখানে একটি পার্কের এমন সংকোচন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদ ও পরিবেশকর্মীরা।
তাদের মতে, এটি শুধু পান্থকুঞ্জের আয়তন কমে যাওয়ার ঘটনা নয়;বরং নগর উন্নয়নের নামে রাজধানীর সবুজ, জলাধার ও উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণে দীর্ঘদিনের দুর্বল ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন।
সম্প্রতি সরেজমিনে পান্থকুঞ্জ পার্কে গিয়ে দেখা গেছে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র্যাম্প নির্মাণের কাজ চলছে। নির্মাণসামগ্রী ও ভারী যন্ত্রপাতি রাখার জন্য পার্কের বড় একটি অংশ ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য থাকা উন্মুক্ত জায়গা আরো কমে গেছে। নির্মাণকাজ শেষ হলে দখল করা অংশের কতটুকু আগের অবস্থায় ফিরবে, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, ময়মনসিংহ সড়ক ও রেল সড়কের মাঝের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের পানি বর্ষাকালে বিভিন্ন খাল ও নিম্নাঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হতো। বর্তমান কাঁঠালবাগান, ভূতের গলি ও পান্থকুঞ্জ এলাকাও ছিল নিচু ভূমির অংশ। পরবর্তী সময়ে এসব এলাকার জলাভূমি ভরাট করে নগর অবকাঠামো গড়ে ওঠে। পান্থপথের খাল পরিবর্তন করে বক্স কালভার্ট নির্মাণ এবং বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গড়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে ত্রিভুজাকৃতির জলাধারটি ভরাট করে পান্থকুঞ্জ পার্ক তৈরি করা হয়। তবে জলাভূমির স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় না নিয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত ছিল অপরিকল্পিত।
নগর পরিকল্পনাবিদ খোন্দকার মোহাম্মদ আনসার বলেন, এরশাদ সরকারের সময় পান্থকুঞ্জ পার্ক নির্মাণ করা হয়। মূলত সড়ককে বন্যার পানির ক্ষয় থেকে রক্ষা করতেই এলাকাটি অধিগ্রহণ করা হয়েছিলো। পরে এর একটি অংশ পার্ক এবং অন্য অংশ বাণিজ্যিক প্লটে রূপ নেয়।
স্থানীয়দের দাবি, ২০০৭-০৮ সালের দিকে পার্কটির ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়। ওই সময় অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন পার্কের একটি অংশে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন বা বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণ করে। পরে সেখানে পাবলিক টয়লেটসহ অন্যান্য স্থাপনাও তৈরি হয়। এতে পার্কটির পরিবেশ ও ব্যবহারযোগ্যতা দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০১৮ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে পান্থকুঞ্জ সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। কাজ শুরু হলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়।
নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, পান্থকুঞ্জ রক্ষায় উচ্চ আদালতের রায় থাকলেও তা উপেক্ষা করে পার্কের ভেতরে বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র্যাম্প নির্মাণের বিরুদ্ধেও আন্দোলন হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনকারীরা দীর্ঘদিন পার্কে অবস্থান কর্মসূচিও পালন করেছেন।
তিনি বলেন, সরকার পরিবর্তন হলেও পান্থকুঞ্জের দখল পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।
এদিকে, পার্কটির ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর পরিকল্পনাবিদ মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আপাতত পান্থকুঞ্জ পার্ক নিয়ে আমাদের কোনো পরিকল্পনা নেই।

পাঁচ একরের পান্থকুঞ্জ এখন ‘পকেট গার্ডেন’
নিজস্ব প্রতিবেদক
-CznNewsLab-63b117.jpg)
রাজধানীর পান্থপথের পান্থকুঞ্জ পার্কটি একসময় পাঁচ একরেরও বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত ছিল। তবে গত দুই দশকে ধীরে ধীরে পার্কের জমিতে গড়ে উঠেছে পাবলিক টয়লেট, বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র, বিভিন্ন ভাস্কর্যসহ নানা স্থাপনা। এতে ক্রমেই কমেছে সবুজে ঘেরা পার্কটির পরিসর। সবশেষ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র্যাম্প নির্মাণের কারণে পার্কের বড় একটি অংশ অবকাঠামোর আওতায় চলে যায়। বর্তমানে পাঁচ একরের বেশি আয়তনের পান্থকুঞ্জ এখন সংকুচিত হয়ে দাঁড়িয়েছে এক একরের কিছু বেশি জায়গায়। ফলে বিশাল পার্কটি কার্যত পরিণত হয়েছে ছোট্ট একটি ‘পকেট গার্ডেন’-এ।
রাজধানীতে যেখানে উন্মুক্ত স্থান ও সবুজের প্রয়োজন ক্রমেই বাড়ছে, সেখানে একটি পার্কের এমন সংকোচন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদ ও পরিবেশকর্মীরা।
তাদের মতে, এটি শুধু পান্থকুঞ্জের আয়তন কমে যাওয়ার ঘটনা নয়;বরং নগর উন্নয়নের নামে রাজধানীর সবুজ, জলাধার ও উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণে দীর্ঘদিনের দুর্বল ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন।
সম্প্রতি সরেজমিনে পান্থকুঞ্জ পার্কে গিয়ে দেখা গেছে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র্যাম্প নির্মাণের কাজ চলছে। নির্মাণসামগ্রী ও ভারী যন্ত্রপাতি রাখার জন্য পার্কের বড় একটি অংশ ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য থাকা উন্মুক্ত জায়গা আরো কমে গেছে। নির্মাণকাজ শেষ হলে দখল করা অংশের কতটুকু আগের অবস্থায় ফিরবে, তা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, ময়মনসিংহ সড়ক ও রেল সড়কের মাঝের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের পানি বর্ষাকালে বিভিন্ন খাল ও নিম্নাঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হতো। বর্তমান কাঁঠালবাগান, ভূতের গলি ও পান্থকুঞ্জ এলাকাও ছিল নিচু ভূমির অংশ। পরবর্তী সময়ে এসব এলাকার জলাভূমি ভরাট করে নগর অবকাঠামো গড়ে ওঠে। পান্থপথের খাল পরিবর্তন করে বক্স কালভার্ট নির্মাণ এবং বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গড়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে ত্রিভুজাকৃতির জলাধারটি ভরাট করে পান্থকুঞ্জ পার্ক তৈরি করা হয়। তবে জলাভূমির স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় না নিয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত ছিল অপরিকল্পিত।
নগর পরিকল্পনাবিদ খোন্দকার মোহাম্মদ আনসার বলেন, এরশাদ সরকারের সময় পান্থকুঞ্জ পার্ক নির্মাণ করা হয়। মূলত সড়ককে বন্যার পানির ক্ষয় থেকে রক্ষা করতেই এলাকাটি অধিগ্রহণ করা হয়েছিলো। পরে এর একটি অংশ পার্ক এবং অন্য অংশ বাণিজ্যিক প্লটে রূপ নেয়।
স্থানীয়দের দাবি, ২০০৭-০৮ সালের দিকে পার্কটির ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়। ওই সময় অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন পার্কের একটি অংশে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন বা বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণ করে। পরে সেখানে পাবলিক টয়লেটসহ অন্যান্য স্থাপনাও তৈরি হয়। এতে পার্কটির পরিবেশ ও ব্যবহারযোগ্যতা দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০১৮ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে পান্থকুঞ্জ সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। কাজ শুরু হলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়।
নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, পান্থকুঞ্জ রক্ষায় উচ্চ আদালতের রায় থাকলেও তা উপেক্ষা করে পার্কের ভেতরে বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের র্যাম্প নির্মাণের বিরুদ্ধেও আন্দোলন হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনকারীরা দীর্ঘদিন পার্কে অবস্থান কর্মসূচিও পালন করেছেন।
তিনি বলেন, সরকার পরিবর্তন হলেও পান্থকুঞ্জের দখল পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।
এদিকে, পার্কটির ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর পরিকল্পনাবিদ মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আপাতত পান্থকুঞ্জ পার্ক নিয়ে আমাদের কোনো পরিকল্পনা নেই।

শত বছর পেরিয়েও সচল পুরান ঢাকার দুই কুয়া






