তিন দিনে ৩৬ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ ডিএসসিসির

তিন দিনে ৩৬ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ ডিএসসিসির
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদুল আযহার কোরবানির পশুর হাট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি বর্জ্য অপসারণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। রবিবার (৩০ মে) নগর ভবন অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, ঈদের দিন থেকে গত তিন দিনে মোট ৩৬ হাজার ৮৬ টন বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে চূড়ান্তভাবে ডাম্পিং করা হয়েছে, যেখানে পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩ হাজার ৯৪২ টন। অর্থাৎ নির্ধারিত লক্ষ্য ছাড়িয়ে অতিরিক্ত বর্জ্যও সফলভাবে অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই বিশাল কর্মযজ্ঞে ডিএসসিসির নিজস্ব ও পিসিএসপি মিলিয়ে মোট ১৩ হাজার ৪৫৩ জন পরিচ্ছন্নকর্মী মাঠপর্যায়ে কাজ করেন। পাশাপাশি বর্জ্য পরিবহনে ৩৮২টি বিশেষ যান-যন্ত্রপাতিসহ মোট ২ হাজার ১১৭টি যানবাহন ব্যবহার করা হয়।
আবদুস সালাম জানান, এই সময়ের মধ্যে প্রথম দিনে ১৪ হাজার ৮১৪ টন, দ্বিতীয় দিনে ৮ হাজার ৯৭৭ টন এবং তৃতীয় দিনে ১২ হাজার ২৯৫ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, স্বাভাবিক সময়ে ঢাকায় দৈনিক গড়ে ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টন বর্জ্য অপসারণ করা হলেও ঈদের সময় এই পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সীমিত জনবল ও সম্পদ দিয়ে এত বিপুল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে নগরবাসীর সহযোগিতায় অনেকেই নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করে বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলায় কাজ সহজ হয়েছে।
তিনি জানান, ডিএসসিসির আওতায় নির্ধারিত ৩৫৭টি স্থানে ১৭ হাজার ৩১৫টি পশু কোরবানি সম্পন্ন হয়েছে।
এসময় ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম নগরবাসীর উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোথাও বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখলে নির্ধারিত হটলাইন নম্বরে জানালে এক ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের চেষ্টা করা হবে।
তিনি সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে নগরবাসীর সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে সবার অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

ঈদুল আযহার কোরবানির পশুর হাট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি বর্জ্য অপসারণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। রবিবার (৩০ মে) নগর ভবন অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, ঈদের দিন থেকে গত তিন দিনে মোট ৩৬ হাজার ৮৬ টন বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে চূড়ান্তভাবে ডাম্পিং করা হয়েছে, যেখানে পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩ হাজার ৯৪২ টন। অর্থাৎ নির্ধারিত লক্ষ্য ছাড়িয়ে অতিরিক্ত বর্জ্যও সফলভাবে অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই বিশাল কর্মযজ্ঞে ডিএসসিসির নিজস্ব ও পিসিএসপি মিলিয়ে মোট ১৩ হাজার ৪৫৩ জন পরিচ্ছন্নকর্মী মাঠপর্যায়ে কাজ করেন। পাশাপাশি বর্জ্য পরিবহনে ৩৮২টি বিশেষ যান-যন্ত্রপাতিসহ মোট ২ হাজার ১১৭টি যানবাহন ব্যবহার করা হয়।
আবদুস সালাম জানান, এই সময়ের মধ্যে প্রথম দিনে ১৪ হাজার ৮১৪ টন, দ্বিতীয় দিনে ৮ হাজার ৯৭৭ টন এবং তৃতীয় দিনে ১২ হাজার ২৯৫ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, স্বাভাবিক সময়ে ঢাকায় দৈনিক গড়ে ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টন বর্জ্য অপসারণ করা হলেও ঈদের সময় এই পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সীমিত জনবল ও সম্পদ দিয়ে এত বিপুল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে নগরবাসীর সহযোগিতায় অনেকেই নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করে বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলায় কাজ সহজ হয়েছে।
তিনি জানান, ডিএসসিসির আওতায় নির্ধারিত ৩৫৭টি স্থানে ১৭ হাজার ৩১৫টি পশু কোরবানি সম্পন্ন হয়েছে।
এসময় ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম নগরবাসীর উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোথাও বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখলে নির্ধারিত হটলাইন নম্বরে জানালে এক ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের চেষ্টা করা হবে।
তিনি সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে নগরবাসীর সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে সবার অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

তিন দিনে ৩৬ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ ডিএসসিসির
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদুল আযহার কোরবানির পশুর হাট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি বর্জ্য অপসারণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। রবিবার (৩০ মে) নগর ভবন অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, ঈদের দিন থেকে গত তিন দিনে মোট ৩৬ হাজার ৮৬ টন বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে চূড়ান্তভাবে ডাম্পিং করা হয়েছে, যেখানে পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩ হাজার ৯৪২ টন। অর্থাৎ নির্ধারিত লক্ষ্য ছাড়িয়ে অতিরিক্ত বর্জ্যও সফলভাবে অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই বিশাল কর্মযজ্ঞে ডিএসসিসির নিজস্ব ও পিসিএসপি মিলিয়ে মোট ১৩ হাজার ৪৫৩ জন পরিচ্ছন্নকর্মী মাঠপর্যায়ে কাজ করেন। পাশাপাশি বর্জ্য পরিবহনে ৩৮২টি বিশেষ যান-যন্ত্রপাতিসহ মোট ২ হাজার ১১৭টি যানবাহন ব্যবহার করা হয়।
আবদুস সালাম জানান, এই সময়ের মধ্যে প্রথম দিনে ১৪ হাজার ৮১৪ টন, দ্বিতীয় দিনে ৮ হাজার ৯৭৭ টন এবং তৃতীয় দিনে ১২ হাজার ২৯৫ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, স্বাভাবিক সময়ে ঢাকায় দৈনিক গড়ে ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টন বর্জ্য অপসারণ করা হলেও ঈদের সময় এই পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সীমিত জনবল ও সম্পদ দিয়ে এত বিপুল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে নগরবাসীর সহযোগিতায় অনেকেই নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করে বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলায় কাজ সহজ হয়েছে।
তিনি জানান, ডিএসসিসির আওতায় নির্ধারিত ৩৫৭টি স্থানে ১৭ হাজার ৩১৫টি পশু কোরবানি সম্পন্ন হয়েছে।
এসময় ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম নগরবাসীর উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোথাও বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখলে নির্ধারিত হটলাইন নম্বরে জানালে এক ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের চেষ্টা করা হবে।
তিনি সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে নগরবাসীর সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে সবার অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

হাট পরিষ্কারে গাফিলতিতে দায়ী ইজারদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক 

