গবেষণায় সাফল্যের স্বীকৃতি পেলেন ঢাবির ৬২ শিক্ষক

গবেষণায় সাফল্যের স্বীকৃতি পেলেন ঢাবির ৬২ শিক্ষক
ঢাবি সংবাদদাতা

গবেষণাক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৬২ জন শিক্ষককে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। গুগল স্কলার প্রোফাইলে দুই হাজার বা বেশি সাইটেশনপ্রাপ্ত এসব গবেষকদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে (২৭ আগস্ট) বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, সাবেক উপাচার্য ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষক ও গবেষকদের অভিনন্দন জানিয়ে ঢাবি উপাচার্য বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গবেষণাধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানকে সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার ক্ষেত্রে সবাইকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। শুধু সরকারি অর্থায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই ও ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতা প্রয়োজন।
শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০ বছর মেয়াদি অ্যাকাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। গবেষণার জন্য এক হাজার কোটি টাকা এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আরও বকে হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠনের লক্ষ্যে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক উন্নয়ন এবং অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং জোরদারের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা সংস্থার সঙ্গে ‘ল্যাব টু ল্যাব’ এবং ‘রিসার্চার টু রিসার্চার’ কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে আমরা গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে চাই। এক্ষেত্রে শিক্ষক ও গবেষকদের সমন্বিতভাবে কাজ করাতে হবে।
সম্মাননাপ্রাপ্ত ৬২ জন গবেষক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও চারুকলা অনুষদের বিভিন্ন বিভাগ ও গবেষণা কেন্দ্রের শিক্ষক। তাদের মধ্যে রয়েছেন– তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম; রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু বিন হাসান সুসান, অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক, অধ্যাপক ড. মো. মমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব; ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ফেরদৌস; বায়োমেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদির; একাউন্টিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শরীফ হোসেন; ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের অধ্যাপক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া; ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রাকিবুল হক; অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান, অধ্যাপক ড. রুমানা হক ও অধ্যাপক ড. এম নিয়াজ আসাদ উল্লাহ।
সম্মাননাপ্রাপ্তদের তালিকায় আরও রয়েছেন পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিললাল হোসেন ও অধ্যাপক ড. মো. রবিউল হক; ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান; উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন; প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী; প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ইউজিসি অধ্যাপক ড. জেবা ইসলাম সেরাজ, অধ্যাপক ড. এ এইচ এম নুরুন নবী, অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন ও অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর; অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুনাওয়ার সুলতানা।
এ ছাড়া সম্মাননা পেয়েছেন মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান ও অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুল্লাহ আল-মামুন; জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ ও অধ্যাপক ড. আবুল বাশার মীর মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম; পাবলিক হেলথ বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. রেজাউল ইসলাম; ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান, ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশীদ, অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান ও অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ; ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান; ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ ও অধ্যাপক ড. মো. আজিজ হাসান; সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কাউসার আহাম্মদ; ইইই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাইনুল হোসেন; ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী, অধ্যাপক ড. পাপিয়া হক, অধ্যাপক ড. মিঠুন সরকার, অধ্যাপক ড. আবুল খায়ের মল্লিক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নুরুজ্জামান খাঁন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. তাছলিম উর রশিদ; সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু ও অধ্যাপক ড. চৌধুরী ফারহান আহমেদ।
এ ছাড়া আছেন নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. অনিমেষ পাল; ভাস্কর্য বিভাগের অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসান; সিরামিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ পাল ও অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ; গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের অধ্যাপক রেজা আসাদ আল হুদা অনুপম; শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ মনির উদ্দিন; অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল আলী; পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সফিকুর রহমান এবং কার্সের ড. গাজী নুরুন নাহার সুলতানা, ড. মো. লতিফুল বারী ও ড. সমীরন ভট্টাচার্য্য।

গবেষণাক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৬২ জন শিক্ষককে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। গুগল স্কলার প্রোফাইলে দুই হাজার বা বেশি সাইটেশনপ্রাপ্ত এসব গবেষকদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে (২৭ আগস্ট) বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, সাবেক উপাচার্য ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষক ও গবেষকদের অভিনন্দন জানিয়ে ঢাবি উপাচার্য বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গবেষণাধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানকে সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার ক্ষেত্রে সবাইকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। শুধু সরকারি অর্থায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই ও ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতা প্রয়োজন।
শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০ বছর মেয়াদি অ্যাকাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। গবেষণার জন্য এক হাজার কোটি টাকা এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আরও বকে হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠনের লক্ষ্যে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক উন্নয়ন এবং অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং জোরদারের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা সংস্থার সঙ্গে ‘ল্যাব টু ল্যাব’ এবং ‘রিসার্চার টু রিসার্চার’ কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে আমরা গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে চাই। এক্ষেত্রে শিক্ষক ও গবেষকদের সমন্বিতভাবে কাজ করাতে হবে।
সম্মাননাপ্রাপ্ত ৬২ জন গবেষক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও চারুকলা অনুষদের বিভিন্ন বিভাগ ও গবেষণা কেন্দ্রের শিক্ষক। তাদের মধ্যে রয়েছেন– তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম; রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু বিন হাসান সুসান, অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক, অধ্যাপক ড. মো. মমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব; ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ফেরদৌস; বায়োমেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদির; একাউন্টিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শরীফ হোসেন; ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের অধ্যাপক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া; ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রাকিবুল হক; অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান, অধ্যাপক ড. রুমানা হক ও অধ্যাপক ড. এম নিয়াজ আসাদ উল্লাহ।
সম্মাননাপ্রাপ্তদের তালিকায় আরও রয়েছেন পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিললাল হোসেন ও অধ্যাপক ড. মো. রবিউল হক; ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান; উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন; প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী; প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ইউজিসি অধ্যাপক ড. জেবা ইসলাম সেরাজ, অধ্যাপক ড. এ এইচ এম নুরুন নবী, অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন ও অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর; অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুনাওয়ার সুলতানা।
এ ছাড়া সম্মাননা পেয়েছেন মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান ও অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুল্লাহ আল-মামুন; জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ ও অধ্যাপক ড. আবুল বাশার মীর মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম; পাবলিক হেলথ বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. রেজাউল ইসলাম; ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান, ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশীদ, অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান ও অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ; ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান; ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ ও অধ্যাপক ড. মো. আজিজ হাসান; সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কাউসার আহাম্মদ; ইইই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাইনুল হোসেন; ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী, অধ্যাপক ড. পাপিয়া হক, অধ্যাপক ড. মিঠুন সরকার, অধ্যাপক ড. আবুল খায়ের মল্লিক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নুরুজ্জামান খাঁন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. তাছলিম উর রশিদ; সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু ও অধ্যাপক ড. চৌধুরী ফারহান আহমেদ।
এ ছাড়া আছেন নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. অনিমেষ পাল; ভাস্কর্য বিভাগের অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসান; সিরামিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ পাল ও অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ; গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের অধ্যাপক রেজা আসাদ আল হুদা অনুপম; শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ মনির উদ্দিন; অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল আলী; পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সফিকুর রহমান এবং কার্সের ড. গাজী নুরুন নাহার সুলতানা, ড. মো. লতিফুল বারী ও ড. সমীরন ভট্টাচার্য্য।

গবেষণায় সাফল্যের স্বীকৃতি পেলেন ঢাবির ৬২ শিক্ষক
ঢাবি সংবাদদাতা

গবেষণাক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৬২ জন শিক্ষককে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। গুগল স্কলার প্রোফাইলে দুই হাজার বা বেশি সাইটেশনপ্রাপ্ত এসব গবেষকদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে (২৭ আগস্ট) বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, সাবেক উপাচার্য ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষক ও গবেষকদের অভিনন্দন জানিয়ে ঢাবি উপাচার্য বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গবেষণাধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থানকে সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার ক্ষেত্রে সবাইকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। শুধু সরকারি অর্থায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই ও ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতা প্রয়োজন।
শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০ বছর মেয়াদি অ্যাকাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। গবেষণার জন্য এক হাজার কোটি টাকা এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আরও বকে হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠনের লক্ষ্যে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সম্পর্ক উন্নয়ন এবং অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং জোরদারের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা সংস্থার সঙ্গে ‘ল্যাব টু ল্যাব’ এবং ‘রিসার্চার টু রিসার্চার’ কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে আমরা গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে চাই। এক্ষেত্রে শিক্ষক ও গবেষকদের সমন্বিতভাবে কাজ করাতে হবে।
সম্মাননাপ্রাপ্ত ৬২ জন গবেষক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও চারুকলা অনুষদের বিভিন্ন বিভাগ ও গবেষণা কেন্দ্রের শিক্ষক। তাদের মধ্যে রয়েছেন– তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম; রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু বিন হাসান সুসান, অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, অধ্যাপক ড. মো. এনামুল হক, অধ্যাপক ড. মো. মমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব; ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ফেরদৌস; বায়োমেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদির; একাউন্টিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শরীফ হোসেন; ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের অধ্যাপক ড. সুবর্ণ বড়ুয়া; ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রাকিবুল হক; অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান, অধ্যাপক ড. রুমানা হক ও অধ্যাপক ড. এম নিয়াজ আসাদ উল্লাহ।
সম্মাননাপ্রাপ্তদের তালিকায় আরও রয়েছেন পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আমিনুল হক, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিললাল হোসেন ও অধ্যাপক ড. মো. রবিউল হক; ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান; উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন; প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী; প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ইউজিসি অধ্যাপক ড. জেবা ইসলাম সেরাজ, অধ্যাপক ড. এ এইচ এম নুরুন নবী, অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন ও অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর; অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুনাওয়ার সুলতানা।
এ ছাড়া সম্মাননা পেয়েছেন মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান ও অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুল্লাহ আল-মামুন; জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ ও অধ্যাপক ড. আবুল বাশার মীর মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম; পাবলিক হেলথ বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. রেজাউল ইসলাম; ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান, ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশীদ, অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান ও অধ্যাপক ড. ফিরোজ আহমেদ; ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান; ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ ও অধ্যাপক ড. মো. আজিজ হাসান; সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কাউসার আহাম্মদ; ইইই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাইনুল হোসেন; ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী, অধ্যাপক ড. পাপিয়া হক, অধ্যাপক ড. মিঠুন সরকার, অধ্যাপক ড. আবুল খায়ের মল্লিক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নুরুজ্জামান খাঁন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. তাছলিম উর রশিদ; সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু ও অধ্যাপক ড. চৌধুরী ফারহান আহমেদ।
এ ছাড়া আছেন নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. অনিমেষ পাল; ভাস্কর্য বিভাগের অধ্যাপক এ এ এম কাওসার হাসান; সিরামিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক দেবাশীষ পাল ও অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ; গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের অধ্যাপক রেজা আসাদ আল হুদা অনুপম; শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ মনির উদ্দিন; অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল আলী; পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সফিকুর রহমান এবং কার্সের ড. গাজী নুরুন নাহার সুলতানা, ড. মো. লতিফুল বারী ও ড. সমীরন ভট্টাচার্য্য।

নজরুলের জীবন ও সাহিত্যকর্ম অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে শেখায়: ঢাবি উপাচার্য






