আবার ‘সমকামিতার’ অভিযোগ, ঢাবির হল থেকে ২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

আবার ‘সমকামিতার’ অভিযোগ, ঢাবির হল থেকে ২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ‘সমকামিতা’র অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাদের উভয়কে হল থেকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে তাদের হলের আবাসিক সিট স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে।
হলের প্রোভোস্ট ড. মো. আখতারুজ্জামান জানান, হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ঘটনার তদন্তে হলের হাউস টিউটর ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম সোহাগকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
মুজিব হল সংসদের জিএস আহমেদ আল সাবাহ জানান, অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীই প্রথম বর্ষের। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে। পরে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি স্বীকার করেছেন। সহকারী প্রক্টরের উপস্থিতিতে তাদের আসন বাতিল করা হয়। পরে স্থানীয় অভিভাবকদের উপস্থিতিতে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে আরও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তবে অভিযুক্ত একজন শিক্ষার্থী বলেন, এই ঘটনা অনেকটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি এমন কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই। আমার একজন রুমমেট কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রশ্ন করছিলো। আর যেহেতু আমার বাসা গোপালগঞ্জ, সে আমাকে গোপালগঞ্জে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করতো। এখন বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী লীগ আমলের কারণে মানুষের মনে এমন ধারণা হয়েছে যে গোপালগঞ্জ মানে খারাপ কিছু।
তিনি আরও বলেন, গোপালগঞ্জ পরিচয় দেওয়ার পর অনেকে আমার দিকে নেতিবাচকভাবে তাকিয়ে থাকে। যে ভিডিও বা ছবি প্রমাণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে সেগুলো আমার সেই রুমমেট করেছে। হল সংসদের জিএসের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক। সেই রুমমেটই এই ছবি ভিডিওগুলো জিএসকে দিয়েছে।
ঘটনার পর তাকে ছাত্রদলের কর্মী হিসেবেও প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই।
এদিকে অভিযোগের প্রকৃত ঘটনা ও এর পেছনের কারণ নির্ধারণে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এর আগে গত ৩০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্য সেন হলে ‘সমকামিতায়’ জড়িত থাকার অভিযোগে এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে তাকে হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।
এ ছাড়া সম্প্রতি শহীদুল্লাহ হলে হল সংসদের সহ-সাধারণ সম্পাদকের (এজিএস) কক্ষে থাকা তার দুই অতিথির বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় এজিএসের আবাসিক সিট সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ‘সমকামিতা’র অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাদের উভয়কে হল থেকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে তাদের হলের আবাসিক সিট স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে।
হলের প্রোভোস্ট ড. মো. আখতারুজ্জামান জানান, হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ঘটনার তদন্তে হলের হাউস টিউটর ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম সোহাগকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
মুজিব হল সংসদের জিএস আহমেদ আল সাবাহ জানান, অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীই প্রথম বর্ষের। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে। পরে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি স্বীকার করেছেন। সহকারী প্রক্টরের উপস্থিতিতে তাদের আসন বাতিল করা হয়। পরে স্থানীয় অভিভাবকদের উপস্থিতিতে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে আরও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তবে অভিযুক্ত একজন শিক্ষার্থী বলেন, এই ঘটনা অনেকটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি এমন কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই। আমার একজন রুমমেট কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রশ্ন করছিলো। আর যেহেতু আমার বাসা গোপালগঞ্জ, সে আমাকে গোপালগঞ্জে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করতো। এখন বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী লীগ আমলের কারণে মানুষের মনে এমন ধারণা হয়েছে যে গোপালগঞ্জ মানে খারাপ কিছু।
তিনি আরও বলেন, গোপালগঞ্জ পরিচয় দেওয়ার পর অনেকে আমার দিকে নেতিবাচকভাবে তাকিয়ে থাকে। যে ভিডিও বা ছবি প্রমাণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে সেগুলো আমার সেই রুমমেট করেছে। হল সংসদের জিএসের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক। সেই রুমমেটই এই ছবি ভিডিওগুলো জিএসকে দিয়েছে।
ঘটনার পর তাকে ছাত্রদলের কর্মী হিসেবেও প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই।
এদিকে অভিযোগের প্রকৃত ঘটনা ও এর পেছনের কারণ নির্ধারণে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এর আগে গত ৩০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্য সেন হলে ‘সমকামিতায়’ জড়িত থাকার অভিযোগে এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে তাকে হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।
এ ছাড়া সম্প্রতি শহীদুল্লাহ হলে হল সংসদের সহ-সাধারণ সম্পাদকের (এজিএস) কক্ষে থাকা তার দুই অতিথির বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় এজিএসের আবাসিক সিট সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়।

আবার ‘সমকামিতার’ অভিযোগ, ঢাবির হল থেকে ২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ‘সমকামিতা’র অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাদের উভয়কে হল থেকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে তাদের হলের আবাসিক সিট স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে।
হলের প্রোভোস্ট ড. মো. আখতারুজ্জামান জানান, হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ঘটনার তদন্তে হলের হাউস টিউটর ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম সোহাগকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
মুজিব হল সংসদের জিএস আহমেদ আল সাবাহ জানান, অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীই প্রথম বর্ষের। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও পাওয়া গেছে। পরে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি স্বীকার করেছেন। সহকারী প্রক্টরের উপস্থিতিতে তাদের আসন বাতিল করা হয়। পরে স্থানীয় অভিভাবকদের উপস্থিতিতে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে আরও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তবে অভিযুক্ত একজন শিক্ষার্থী বলেন, এই ঘটনা অনেকটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি এমন কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই। আমার একজন রুমমেট কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রশ্ন করছিলো। আর যেহেতু আমার বাসা গোপালগঞ্জ, সে আমাকে গোপালগঞ্জে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করতো। এখন বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী লীগ আমলের কারণে মানুষের মনে এমন ধারণা হয়েছে যে গোপালগঞ্জ মানে খারাপ কিছু।
তিনি আরও বলেন, গোপালগঞ্জ পরিচয় দেওয়ার পর অনেকে আমার দিকে নেতিবাচকভাবে তাকিয়ে থাকে। যে ভিডিও বা ছবি প্রমাণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে সেগুলো আমার সেই রুমমেট করেছে। হল সংসদের জিএসের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক। সেই রুমমেটই এই ছবি ভিডিওগুলো জিএসকে দিয়েছে।
ঘটনার পর তাকে ছাত্রদলের কর্মী হিসেবেও প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই।
এদিকে অভিযোগের প্রকৃত ঘটনা ও এর পেছনের কারণ নির্ধারণে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এর আগে গত ৩০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্য সেন হলে ‘সমকামিতায়’ জড়িত থাকার অভিযোগে এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। পরে তাকে হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।
এ ছাড়া সম্প্রতি শহীদুল্লাহ হলে হল সংসদের সহ-সাধারণ সম্পাদকের (এজিএস) কক্ষে থাকা তার দুই অতিথির বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় এজিএসের আবাসিক সিট সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়।









