মধ্যস্থতার ক্ষমতা পেলো সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস

মধ্যস্থতার ক্ষমতা পেলো সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস
আদালত সংবাদদাতা

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির আওতায় আপস-মীমাংসার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে। ডেপুটি রেজিস্ট্রার আল ইমরান খান স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে ৭টি আইনের আওতাভুক্ত মামলায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর), বিশেষ করে মিডিয়েশন বা মধ্যস্থতা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এগুলো হলো– পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩; পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩; যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০; দণ্ডবিধি, ১৮৬০; সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এবং নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১।
চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার মো. ইমতিয়াজুল ইসলাম বলেন, লিগ্যাল এইডে ‘প্রি-কেস’ (মামলা দায়েরের আগের মধ্যস্থতা) এবং ‘পোস্ট-কেস’ (মামলা দায়েরের পর মধ্যস্থতা) এ দুই ধরনের মধ্যস্থতা হয়। তবে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসে প্রি-কেস মিডিয়েশনের সুযোগ নেই; কেবল পোস্ট-কেস মিডিয়েশন হয়।
তিনি জানান, গুরুতর বা কগনিজেবল অপরাধ এ ধরনের মিডিয়েশনের আওতায় আসবে না। মূলত পারিবারিক বিরোধ বা সাধারণ মারামারির মতো ছোটখাটো বা পেটি নেচারের মামলায় মধ্যস্থতার সুযোগ রাখা হয়েছে।
চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার বলেন, মধ্যস্থতার মাধ্যমে সময় ও খরচ দুটোই বাঁচবে। আদালতে কোনো মামলা নিষ্পত্তি হতে ৫-৭ বছর লাগতে পারে, কিন্তু লিগ্যাল এইডের মধ্যস্থতায় এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বিষয়টি শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লিগ্যাল এইডের এ সেবার জন্য কোনো টাকা-পয়সা লাগে না।

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির আওতায় আপস-মীমাংসার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে। ডেপুটি রেজিস্ট্রার আল ইমরান খান স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে ৭টি আইনের আওতাভুক্ত মামলায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর), বিশেষ করে মিডিয়েশন বা মধ্যস্থতা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এগুলো হলো– পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩; পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩; যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০; দণ্ডবিধি, ১৮৬০; সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এবং নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১।
চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার মো. ইমতিয়াজুল ইসলাম বলেন, লিগ্যাল এইডে ‘প্রি-কেস’ (মামলা দায়েরের আগের মধ্যস্থতা) এবং ‘পোস্ট-কেস’ (মামলা দায়েরের পর মধ্যস্থতা) এ দুই ধরনের মধ্যস্থতা হয়। তবে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসে প্রি-কেস মিডিয়েশনের সুযোগ নেই; কেবল পোস্ট-কেস মিডিয়েশন হয়।
তিনি জানান, গুরুতর বা কগনিজেবল অপরাধ এ ধরনের মিডিয়েশনের আওতায় আসবে না। মূলত পারিবারিক বিরোধ বা সাধারণ মারামারির মতো ছোটখাটো বা পেটি নেচারের মামলায় মধ্যস্থতার সুযোগ রাখা হয়েছে।
চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার বলেন, মধ্যস্থতার মাধ্যমে সময় ও খরচ দুটোই বাঁচবে। আদালতে কোনো মামলা নিষ্পত্তি হতে ৫-৭ বছর লাগতে পারে, কিন্তু লিগ্যাল এইডের মধ্যস্থতায় এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বিষয়টি শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লিগ্যাল এইডের এ সেবার জন্য কোনো টাকা-পয়সা লাগে না।

মধ্যস্থতার ক্ষমতা পেলো সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিস
আদালত সংবাদদাতা

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির আওতায় আপস-মীমাংসার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে। ডেপুটি রেজিস্ট্রার আল ইমরান খান স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে ৭টি আইনের আওতাভুক্ত মামলায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর), বিশেষ করে মিডিয়েশন বা মধ্যস্থতা কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এগুলো হলো– পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩; পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩; যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০; দণ্ডবিধি, ১৮৬০; সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এবং নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১।
চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার মো. ইমতিয়াজুল ইসলাম বলেন, লিগ্যাল এইডে ‘প্রি-কেস’ (মামলা দায়েরের আগের মধ্যস্থতা) এবং ‘পোস্ট-কেস’ (মামলা দায়েরের পর মধ্যস্থতা) এ দুই ধরনের মধ্যস্থতা হয়। তবে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসে প্রি-কেস মিডিয়েশনের সুযোগ নেই; কেবল পোস্ট-কেস মিডিয়েশন হয়।
তিনি জানান, গুরুতর বা কগনিজেবল অপরাধ এ ধরনের মিডিয়েশনের আওতায় আসবে না। মূলত পারিবারিক বিরোধ বা সাধারণ মারামারির মতো ছোটখাটো বা পেটি নেচারের মামলায় মধ্যস্থতার সুযোগ রাখা হয়েছে।
চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার বলেন, মধ্যস্থতার মাধ্যমে সময় ও খরচ দুটোই বাঁচবে। আদালতে কোনো মামলা নিষ্পত্তি হতে ৫-৭ বছর লাগতে পারে, কিন্তু লিগ্যাল এইডের মধ্যস্থতায় এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বিষয়টি শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লিগ্যাল এইডের এ সেবার জন্য কোনো টাকা-পয়সা লাগে না।

নির্দিষ্ট মামলা না থাকলে গ্রেপ্তার নয়, হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত







