হাজারীবাগে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

হাজারীবাগে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর হাজারীবাগে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। স্কুলছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, সিয়াম নামের এক বখাটে তাকে হত্যা করেছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে হাজারীবাগ রায়েরবাজারে ওই ছাত্রীর বাসার সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই স্কুলছাত্রীর নাম শাহরিয়ার শারমিন বিন্তি (১৪)। সে রায়েরবাজার এলাকার বেল্লাল হোসেনের মেয়ে।
স্থানীয় লোকজন জানায়, ঘটনার পর মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
হাসপাতালে নিহত বিন্তির বাবা বেল্লাল হোসেন বলেন, তাদের বাসা রাযেরবাজার হায়দার হোটেলের গলিতে। পাচতলা ভবনের পাচতলায় তিনি পরিবার নিয়ে থাকেন। বিন্তি রায়েরবাজার উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। দুই ছেলেমেয়ের মধ্যে বিন্তি ছিল বড়।
তিনি আরও বলেন, ‘বুধবার রাতে বিন্তি তার ছোট ভাই নাবিলের সাথে বাইরে যায়। কিছুক্ষন পর শোরগোল শুনে বাসার নিচে নেমে দেখি আমার মেয়ে বিন্তিকে কে বা কারা কুপিয়ে ফেলে রেখে গেছে। দ্রুত তাকে সেখান থেকে শিকদার মেডিকেলে নিয়ে যাই। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে আমার মেয়ে মারা যায়।’
হাসপাতালে বিন্তির মা নাদিয়া বেগম বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে বিন্তি আর তার ভাই নাবিলের সঙ্গে নিচে নামে। নাবিল সবজি কিনে দিয়ে তার বোনকে বাসার নিচে রেখে মসজিদে চলে যায়। শোরগোল শুনে নিচে নেমে দেখি আমার মেয়েকে ঘিরে অনেকেই দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে স্থানীয় অনেকেই বলে বিন্তি বলছিল, সিয়াম নামে এক যুবক তাকে কুপিযেছে।’
নাদিয়া বেগম আরো বলেন, ‘তিন-চার বছর আগে থেকে সিয়াম মোবাইলে আমার মেয়ে বিন্তিকে বিরক্ত করতো। এক দিন আমি সিয়ামকে মোবাইলে বকাবকি করি। আজকে সে আমার মেয়েকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই। খুনী সিয়ামের ফাঁসি চাই।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, ওই স্কুলছাত্রীর কাঁধে ও পিঠে একাধিক জখম রয়েছে। ওই ছাত্রীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি হাজারীবাগ থানা পুলিশ তদন্ত করছে।

রাজধানীর হাজারীবাগে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। স্কুলছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, সিয়াম নামের এক বখাটে তাকে হত্যা করেছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে হাজারীবাগ রায়েরবাজারে ওই ছাত্রীর বাসার সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই স্কুলছাত্রীর নাম শাহরিয়ার শারমিন বিন্তি (১৪)। সে রায়েরবাজার এলাকার বেল্লাল হোসেনের মেয়ে।
স্থানীয় লোকজন জানায়, ঘটনার পর মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
হাসপাতালে নিহত বিন্তির বাবা বেল্লাল হোসেন বলেন, তাদের বাসা রাযেরবাজার হায়দার হোটেলের গলিতে। পাচতলা ভবনের পাচতলায় তিনি পরিবার নিয়ে থাকেন। বিন্তি রায়েরবাজার উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। দুই ছেলেমেয়ের মধ্যে বিন্তি ছিল বড়।
তিনি আরও বলেন, ‘বুধবার রাতে বিন্তি তার ছোট ভাই নাবিলের সাথে বাইরে যায়। কিছুক্ষন পর শোরগোল শুনে বাসার নিচে নেমে দেখি আমার মেয়ে বিন্তিকে কে বা কারা কুপিয়ে ফেলে রেখে গেছে। দ্রুত তাকে সেখান থেকে শিকদার মেডিকেলে নিয়ে যাই। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে আমার মেয়ে মারা যায়।’
হাসপাতালে বিন্তির মা নাদিয়া বেগম বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে বিন্তি আর তার ভাই নাবিলের সঙ্গে নিচে নামে। নাবিল সবজি কিনে দিয়ে তার বোনকে বাসার নিচে রেখে মসজিদে চলে যায়। শোরগোল শুনে নিচে নেমে দেখি আমার মেয়েকে ঘিরে অনেকেই দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে স্থানীয় অনেকেই বলে বিন্তি বলছিল, সিয়াম নামে এক যুবক তাকে কুপিযেছে।’
নাদিয়া বেগম আরো বলেন, ‘তিন-চার বছর আগে থেকে সিয়াম মোবাইলে আমার মেয়ে বিন্তিকে বিরক্ত করতো। এক দিন আমি সিয়ামকে মোবাইলে বকাবকি করি। আজকে সে আমার মেয়েকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই। খুনী সিয়ামের ফাঁসি চাই।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, ওই স্কুলছাত্রীর কাঁধে ও পিঠে একাধিক জখম রয়েছে। ওই ছাত্রীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি হাজারীবাগ থানা পুলিশ তদন্ত করছে।

হাজারীবাগে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর হাজারীবাগে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। স্কুলছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, সিয়াম নামের এক বখাটে তাকে হত্যা করেছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে হাজারীবাগ রায়েরবাজারে ওই ছাত্রীর বাসার সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই স্কুলছাত্রীর নাম শাহরিয়ার শারমিন বিন্তি (১৪)। সে রায়েরবাজার এলাকার বেল্লাল হোসেনের মেয়ে।
স্থানীয় লোকজন জানায়, ঘটনার পর মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
হাসপাতালে নিহত বিন্তির বাবা বেল্লাল হোসেন বলেন, তাদের বাসা রাযেরবাজার হায়দার হোটেলের গলিতে। পাচতলা ভবনের পাচতলায় তিনি পরিবার নিয়ে থাকেন। বিন্তি রায়েরবাজার উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। দুই ছেলেমেয়ের মধ্যে বিন্তি ছিল বড়।
তিনি আরও বলেন, ‘বুধবার রাতে বিন্তি তার ছোট ভাই নাবিলের সাথে বাইরে যায়। কিছুক্ষন পর শোরগোল শুনে বাসার নিচে নেমে দেখি আমার মেয়ে বিন্তিকে কে বা কারা কুপিয়ে ফেলে রেখে গেছে। দ্রুত তাকে সেখান থেকে শিকদার মেডিকেলে নিয়ে যাই। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসলে আমার মেয়ে মারা যায়।’
হাসপাতালে বিন্তির মা নাদিয়া বেগম বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে বিন্তি আর তার ভাই নাবিলের সঙ্গে নিচে নামে। নাবিল সবজি কিনে দিয়ে তার বোনকে বাসার নিচে রেখে মসজিদে চলে যায়। শোরগোল শুনে নিচে নেমে দেখি আমার মেয়েকে ঘিরে অনেকেই দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে স্থানীয় অনেকেই বলে বিন্তি বলছিল, সিয়াম নামে এক যুবক তাকে কুপিযেছে।’
নাদিয়া বেগম আরো বলেন, ‘তিন-চার বছর আগে থেকে সিয়াম মোবাইলে আমার মেয়ে বিন্তিকে বিরক্ত করতো। এক দিন আমি সিয়ামকে মোবাইলে বকাবকি করি। আজকে সে আমার মেয়েকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই। খুনী সিয়ামের ফাঁসি চাই।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, ওই স্কুলছাত্রীর কাঁধে ও পিঠে একাধিক জখম রয়েছে। ওই ছাত্রীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি হাজারীবাগ থানা পুলিশ তদন্ত করছে।




