শিরোনাম

নারী-শিশুর সুরক্ষায় জিরো টলারেন্স: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সিটিজেন ডেস্ক
নারী-শিশুর সুরক্ষায় জিরো টলারেন্স: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
রাজধানীর গুলশানের একটি অভিজাত হোটেলে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। ছবি : পিআই

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, নির্বাচনী ইশতেহারে নারী ও শিশু সুরক্ষার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর যেসব প্রতিশ্রুতি রয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

সোমবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘নির্বাচনী ইশতেহারে নারী ও শিশু সুরক্ষার সুপারিশ: রাজনৈতিক দলের প্রতিশ্রুতি ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে এবং বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে নারী ও শিশু সুরক্ষা একটি অগ্রাধিকার। শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, তা বাস্তবায়নে কাজও চলছে। প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, শিশু অধিকার সংরক্ষণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র ও সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশের জনসংখ্যার বড় একটি অংশ নারী ও শিশু, যারা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তাদের সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারের সুপারিশগুলো কেবল কাগজে নয়, মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন জরুরি।

তিনি জানান, সরকার ইতিমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’সহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে নারীপ্রধান পরিবারগুলো সরাসরি সুবিধা পায় এবং স্বাবলম্বী হতে পারে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন থাকলেও সেগুলোর সঠিক প্রয়োগ এবং সামাজিক সচেতনতা আরও বাড়াতে হবে। পরিবারের ভেতরে নৈতিক শিক্ষা ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মাদকাসক্ত যুবকদের বিষয়ে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, তারা সমাজে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, তাই তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নারী ও শিশু সুরক্ষা বিষয়ে বিভিন্ন সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। এতে শিশু বিবাহ প্রতিরোধ, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বন্ধ, শিশু শ্রম নির্মূল এবং মেয়েদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

/এসএ/