সপ্তাহে ৩ দিন কলা-আপেল খায় ‘বাহারাম বাদশা’

সপ্তাহে ৩ দিন কলা-আপেল খায় ‘বাহারাম বাদশা’
পাবনা প্রতিনিধি

কালো কুচকুচে বিশাল দেহের অধিকারী ষাঁড়টির নাম ‘বাহারাম বাদশা’। এবারের কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে লালন-পালন করছেন খামারি মনিরুল ইসলাম। শুনলে অবাক হবেন, বাহারাম বাদশার প্রিয় খাবার কলা ও আপেল। সপ্তাহে ৩ দিন তাকে এই ফল খাওয়াতে হয়। জানা গেছে, ষাঁড়টির ওজন ৪০ মণ।
বাহারাম বাদশার চালচলনও বাদশার মতো। তাকে দুই চারজন মিলে সামলানো যায় না। একবার বাইরে বের করা হলে আনন্দে গর্জে উঠে। লাফিয়ে লাফিয়ে জানিয়ে দেয় তার খুশির বারতা। বিশাল দেহের এই ষাঁড়টির দেখা মিলবে পাবনার চাটমোহর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের ছোট গুয়াখড়া গ্রামে।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এক বছর আগে ষাঁড়টি কিনে লালন-পালন করছেন মনিরুল ইসলাম। কাঁচা ঘাস, খৈল, ভূষি, খড়, পান্তা ভাত খাইয়ে তাকে মোটাতাজা করছেন।

২০১৯ সালে ‘টাইগার’ নামে একটি বিশাল ষাঁড় গরু মোটাতাজা করে সারাদেশে ভাইরাল হয়েছিলেন মনিরুল। তিনি জানান, এবার নিজের পছন্দ অনুযায়ী ষাঁড়টির নাম দিয়েছেন ‘বাহারাম বাদশা’। বর্তমানে তার ওজন ৪০ মণ। তবে মাংস মিলবে ২৫ মণ।
খামারি মনিরুল বলেন, বাহারাম বাদশাকে সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন কলা ও আপেল খাওয়াই। এছাড়া কাঁচা ঘাসও তার খুব পছন্দ। আশা করছি, বাড়িতেই ষাঁড়টি বিক্রি হবে। দাম চাচ্ছি ২৫ লাখ টাকা।
এক বছর ধরে নিজের সন্তানের মতো বাহারাম বাদশাকে লালন পালন করেছেন মনিরুল। যখন বাহারাম বাদশা বিক্রি হয়ে যাবে তখন কেমন লাগবে, ভাবতেই আবেগ আপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, এক বছর ধরে সন্তানের মতো আদর যত্নে বড় করছি। প্রিয় ষাঁড়টি বিক্রি হবার পর যখন নিয়ে যাবে তখন আমাদের পরিবারের সবারই কষ্ট হবে। তারপরও কিছু করার নেই। বিক্রি তো করতেই হবে।

কালো কুচকুচে বিশাল দেহের অধিকারী ষাঁড়টির নাম ‘বাহারাম বাদশা’। এবারের কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে লালন-পালন করছেন খামারি মনিরুল ইসলাম। শুনলে অবাক হবেন, বাহারাম বাদশার প্রিয় খাবার কলা ও আপেল। সপ্তাহে ৩ দিন তাকে এই ফল খাওয়াতে হয়। জানা গেছে, ষাঁড়টির ওজন ৪০ মণ।
বাহারাম বাদশার চালচলনও বাদশার মতো। তাকে দুই চারজন মিলে সামলানো যায় না। একবার বাইরে বের করা হলে আনন্দে গর্জে উঠে। লাফিয়ে লাফিয়ে জানিয়ে দেয় তার খুশির বারতা। বিশাল দেহের এই ষাঁড়টির দেখা মিলবে পাবনার চাটমোহর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের ছোট গুয়াখড়া গ্রামে।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এক বছর আগে ষাঁড়টি কিনে লালন-পালন করছেন মনিরুল ইসলাম। কাঁচা ঘাস, খৈল, ভূষি, খড়, পান্তা ভাত খাইয়ে তাকে মোটাতাজা করছেন।

২০১৯ সালে ‘টাইগার’ নামে একটি বিশাল ষাঁড় গরু মোটাতাজা করে সারাদেশে ভাইরাল হয়েছিলেন মনিরুল। তিনি জানান, এবার নিজের পছন্দ অনুযায়ী ষাঁড়টির নাম দিয়েছেন ‘বাহারাম বাদশা’। বর্তমানে তার ওজন ৪০ মণ। তবে মাংস মিলবে ২৫ মণ।
খামারি মনিরুল বলেন, বাহারাম বাদশাকে সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন কলা ও আপেল খাওয়াই। এছাড়া কাঁচা ঘাসও তার খুব পছন্দ। আশা করছি, বাড়িতেই ষাঁড়টি বিক্রি হবে। দাম চাচ্ছি ২৫ লাখ টাকা।
এক বছর ধরে নিজের সন্তানের মতো বাহারাম বাদশাকে লালন পালন করেছেন মনিরুল। যখন বাহারাম বাদশা বিক্রি হয়ে যাবে তখন কেমন লাগবে, ভাবতেই আবেগ আপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, এক বছর ধরে সন্তানের মতো আদর যত্নে বড় করছি। প্রিয় ষাঁড়টি বিক্রি হবার পর যখন নিয়ে যাবে তখন আমাদের পরিবারের সবারই কষ্ট হবে। তারপরও কিছু করার নেই। বিক্রি তো করতেই হবে।

সপ্তাহে ৩ দিন কলা-আপেল খায় ‘বাহারাম বাদশা’
পাবনা প্রতিনিধি

কালো কুচকুচে বিশাল দেহের অধিকারী ষাঁড়টির নাম ‘বাহারাম বাদশা’। এবারের কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে লালন-পালন করছেন খামারি মনিরুল ইসলাম। শুনলে অবাক হবেন, বাহারাম বাদশার প্রিয় খাবার কলা ও আপেল। সপ্তাহে ৩ দিন তাকে এই ফল খাওয়াতে হয়। জানা গেছে, ষাঁড়টির ওজন ৪০ মণ।
বাহারাম বাদশার চালচলনও বাদশার মতো। তাকে দুই চারজন মিলে সামলানো যায় না। একবার বাইরে বের করা হলে আনন্দে গর্জে উঠে। লাফিয়ে লাফিয়ে জানিয়ে দেয় তার খুশির বারতা। বিশাল দেহের এই ষাঁড়টির দেখা মিলবে পাবনার চাটমোহর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের ছোট গুয়াখড়া গ্রামে।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এক বছর আগে ষাঁড়টি কিনে লালন-পালন করছেন মনিরুল ইসলাম। কাঁচা ঘাস, খৈল, ভূষি, খড়, পান্তা ভাত খাইয়ে তাকে মোটাতাজা করছেন।

২০১৯ সালে ‘টাইগার’ নামে একটি বিশাল ষাঁড় গরু মোটাতাজা করে সারাদেশে ভাইরাল হয়েছিলেন মনিরুল। তিনি জানান, এবার নিজের পছন্দ অনুযায়ী ষাঁড়টির নাম দিয়েছেন ‘বাহারাম বাদশা’। বর্তমানে তার ওজন ৪০ মণ। তবে মাংস মিলবে ২৫ মণ।
খামারি মনিরুল বলেন, বাহারাম বাদশাকে সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন কলা ও আপেল খাওয়াই। এছাড়া কাঁচা ঘাসও তার খুব পছন্দ। আশা করছি, বাড়িতেই ষাঁড়টি বিক্রি হবে। দাম চাচ্ছি ২৫ লাখ টাকা।
এক বছর ধরে নিজের সন্তানের মতো বাহারাম বাদশাকে লালন পালন করেছেন মনিরুল। যখন বাহারাম বাদশা বিক্রি হয়ে যাবে তখন কেমন লাগবে, ভাবতেই আবেগ আপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, এক বছর ধরে সন্তানের মতো আদর যত্নে বড় করছি। প্রিয় ষাঁড়টি বিক্রি হবার পর যখন নিয়ে যাবে তখন আমাদের পরিবারের সবারই কষ্ট হবে। তারপরও কিছু করার নেই। বিক্রি তো করতেই হবে।




