কোরবানির বাজারে ধস, অবিক্রিত লাখ লাখ গরু

কোরবানির বাজারে ধস, অবিক্রিত লাখ লাখ গরু
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় সমর্থবান ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পশু কোরবানি দিয়েছেন।
দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কোরবানি দিয়েছেন মুসল্লিরা। তবে এর পরও অবিক্রিত রয়েছে লাখ লাখ পশু। এতে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পশুর হাটগুলো থেকে এখনো ট্রাকে ট্রাকে ফিরছে অবিক্রীত গরু। রাজধানীর কমলাপুর, গাবতলী, শনির আখড়া, যাত্রাবাড়ী, পুরান ঢাকা, দিয়াবাড়ীসহ বিভিন্ন অস্থায়ী পশুর হাটে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বড় গরুর সারি পড়ে ছিল। ক্রেতা না পেয়ে অনেকেই লোকসান গুনে গরু বিক্রি করেছেন, অনেকেই গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করে লোকসান তোলার চেষ্টা করেছেন। আবার অনেকে গরু ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজারের মতো কোরবানিযোগ্য পশু ছিল। আর বিক্রি হয়েছে ১ কোটির কিছু বেশি। সে হিসেবে অবিক্রীত রয়েছে ২২ থেকে ২৩ লাখ পশু।
পশু বিক্রি না হওয়ায় বড় লোকসানের মুখে পড়েছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা অনেকটাই কমে গেছে। এজন্য পশু বিক্রি কম হয়েছে। এছাড়া বড় গরুর চাহিদা কম থাকা এবং ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু আসায় বাজারে এমন ধস নেমেছে। সেইসঙ্গে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পশু বিক্রিকে আরও কঠিন করে তোলে।
এবারের কোরবানিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন বড় গরুর খামারিরা। অনেকেই ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত গরু বিক্রি করতে পেরেছেন। কেউ কেউ লাখ টাকা লোকসান দিয়েও গরু বিক্রি করেছেন বলে জানিয়েছেন।
রংপুর থেকে রাজধানীর শনির আখড়ায় পশুর হাটে ১০টি গরু নিয়ে এসেছিলেন খায়রুল বাসার নামে এক ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, মাত্র ৩টি গরু বিক্রি করতে পেরেছি।
অপর এক ব্যবসায়ী বলেন, বগুড়া থেকে ৩০টি গরু এনেছিলাম। বিক্রি করতে পেরেছি মাত্র ২০টি। তবে সবগুলোই লোকসানে বিক্রি করেছি। তিনি বলেন, কোনো কোনো গরু লালান-পালন করতে ১ লাখ ৬০-৬৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, সেগুলো ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায়ও বিক্রি করেছি।
আরেক ব্যবসায় সেলিম হোসেন বলেন, দিনাজপুর থেকে ৬০টি গরু নিয়ে এসেছিলাম। তবে মাত্র ২৫টি গরু বিক্রি করতে পেরেছি। বাকিগুলো ফিরিয়ে নিতে হচ্ছে।
এমন দৃশ্য রাজধানীর প্রত্যেকটি বাজারে। এছাড়া দেশের অন্যান্য বাজারেও গরু অবিক্রিত থাকায় ব্যবসায়ীদের বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হয়েছে।
বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি নিলয় হোসেন বলেন, মানুষের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। ফলে কম কোরবানি হয়েছে। বড় গরুর বাজার প্রায় ভেঙে পড়েছে। তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৯৮ শতাংশ কোরবানিতে ছোট ও মাঝারি গরু ব্যবহৃত হয়। এতে করে বড় ব্যবসায়ীরা বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহজামান খান বলেন, কোরবানি হওয়া পশুর চূড়ান্ত হিসাব এখনও প্রস্তুত হয়নি। মাঠপর্যায় থেকে যা তথ্য আসছে তাতে মনে হচ্ছে এবার কোরবানি কিছুটা বেশি হয়েছে। তবে চূড়ান্ত হিসাব না আসা পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
অবিক্রিত পশু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোরবানির সময় সব বিক্রি হলে অন্য সময় সংকট থাকে, এমনটা হওয়া উচিত না। কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে সারা বছর সরবরাহ বজায় থাকবে।

সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় সমর্থবান ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পশু কোরবানি দিয়েছেন।
দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কোরবানি দিয়েছেন মুসল্লিরা। তবে এর পরও অবিক্রিত রয়েছে লাখ লাখ পশু। এতে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পশুর হাটগুলো থেকে এখনো ট্রাকে ট্রাকে ফিরছে অবিক্রীত গরু। রাজধানীর কমলাপুর, গাবতলী, শনির আখড়া, যাত্রাবাড়ী, পুরান ঢাকা, দিয়াবাড়ীসহ বিভিন্ন অস্থায়ী পশুর হাটে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বড় গরুর সারি পড়ে ছিল। ক্রেতা না পেয়ে অনেকেই লোকসান গুনে গরু বিক্রি করেছেন, অনেকেই গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করে লোকসান তোলার চেষ্টা করেছেন। আবার অনেকে গরু ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজারের মতো কোরবানিযোগ্য পশু ছিল। আর বিক্রি হয়েছে ১ কোটির কিছু বেশি। সে হিসেবে অবিক্রীত রয়েছে ২২ থেকে ২৩ লাখ পশু।
পশু বিক্রি না হওয়ায় বড় লোকসানের মুখে পড়েছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা অনেকটাই কমে গেছে। এজন্য পশু বিক্রি কম হয়েছে। এছাড়া বড় গরুর চাহিদা কম থাকা এবং ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু আসায় বাজারে এমন ধস নেমেছে। সেইসঙ্গে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পশু বিক্রিকে আরও কঠিন করে তোলে।
এবারের কোরবানিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন বড় গরুর খামারিরা। অনেকেই ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত গরু বিক্রি করতে পেরেছেন। কেউ কেউ লাখ টাকা লোকসান দিয়েও গরু বিক্রি করেছেন বলে জানিয়েছেন।
রংপুর থেকে রাজধানীর শনির আখড়ায় পশুর হাটে ১০টি গরু নিয়ে এসেছিলেন খায়রুল বাসার নামে এক ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, মাত্র ৩টি গরু বিক্রি করতে পেরেছি।
অপর এক ব্যবসায়ী বলেন, বগুড়া থেকে ৩০টি গরু এনেছিলাম। বিক্রি করতে পেরেছি মাত্র ২০টি। তবে সবগুলোই লোকসানে বিক্রি করেছি। তিনি বলেন, কোনো কোনো গরু লালান-পালন করতে ১ লাখ ৬০-৬৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, সেগুলো ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায়ও বিক্রি করেছি।
আরেক ব্যবসায় সেলিম হোসেন বলেন, দিনাজপুর থেকে ৬০টি গরু নিয়ে এসেছিলাম। তবে মাত্র ২৫টি গরু বিক্রি করতে পেরেছি। বাকিগুলো ফিরিয়ে নিতে হচ্ছে।
এমন দৃশ্য রাজধানীর প্রত্যেকটি বাজারে। এছাড়া দেশের অন্যান্য বাজারেও গরু অবিক্রিত থাকায় ব্যবসায়ীদের বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হয়েছে।
বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি নিলয় হোসেন বলেন, মানুষের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। ফলে কম কোরবানি হয়েছে। বড় গরুর বাজার প্রায় ভেঙে পড়েছে। তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৯৮ শতাংশ কোরবানিতে ছোট ও মাঝারি গরু ব্যবহৃত হয়। এতে করে বড় ব্যবসায়ীরা বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহজামান খান বলেন, কোরবানি হওয়া পশুর চূড়ান্ত হিসাব এখনও প্রস্তুত হয়নি। মাঠপর্যায় থেকে যা তথ্য আসছে তাতে মনে হচ্ছে এবার কোরবানি কিছুটা বেশি হয়েছে। তবে চূড়ান্ত হিসাব না আসা পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
অবিক্রিত পশু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোরবানির সময় সব বিক্রি হলে অন্য সময় সংকট থাকে, এমনটা হওয়া উচিত না। কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে সারা বছর সরবরাহ বজায় থাকবে।

কোরবানির বাজারে ধস, অবিক্রিত লাখ লাখ গরু
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় সমর্থবান ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পশু কোরবানি দিয়েছেন।
দেশের বিভিন্ন স্থানে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কোরবানি দিয়েছেন মুসল্লিরা। তবে এর পরও অবিক্রিত রয়েছে লাখ লাখ পশু। এতে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পশুর হাটগুলো থেকে এখনো ট্রাকে ট্রাকে ফিরছে অবিক্রীত গরু। রাজধানীর কমলাপুর, গাবতলী, শনির আখড়া, যাত্রাবাড়ী, পুরান ঢাকা, দিয়াবাড়ীসহ বিভিন্ন অস্থায়ী পশুর হাটে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বড় গরুর সারি পড়ে ছিল। ক্রেতা না পেয়ে অনেকেই লোকসান গুনে গরু বিক্রি করেছেন, অনেকেই গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করে লোকসান তোলার চেষ্টা করেছেন। আবার অনেকে গরু ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজারের মতো কোরবানিযোগ্য পশু ছিল। আর বিক্রি হয়েছে ১ কোটির কিছু বেশি। সে হিসেবে অবিক্রীত রয়েছে ২২ থেকে ২৩ লাখ পশু।
পশু বিক্রি না হওয়ায় বড় লোকসানের মুখে পড়েছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা অনেকটাই কমে গেছে। এজন্য পশু বিক্রি কম হয়েছে। এছাড়া বড় গরুর চাহিদা কম থাকা এবং ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু আসায় বাজারে এমন ধস নেমেছে। সেইসঙ্গে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পশু বিক্রিকে আরও কঠিন করে তোলে।
এবারের কোরবানিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন বড় গরুর খামারিরা। অনেকেই ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত গরু বিক্রি করতে পেরেছেন। কেউ কেউ লাখ টাকা লোকসান দিয়েও গরু বিক্রি করেছেন বলে জানিয়েছেন।
রংপুর থেকে রাজধানীর শনির আখড়ায় পশুর হাটে ১০টি গরু নিয়ে এসেছিলেন খায়রুল বাসার নামে এক ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, মাত্র ৩টি গরু বিক্রি করতে পেরেছি।
অপর এক ব্যবসায়ী বলেন, বগুড়া থেকে ৩০টি গরু এনেছিলাম। বিক্রি করতে পেরেছি মাত্র ২০টি। তবে সবগুলোই লোকসানে বিক্রি করেছি। তিনি বলেন, কোনো কোনো গরু লালান-পালন করতে ১ লাখ ৬০-৬৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, সেগুলো ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায়ও বিক্রি করেছি।
আরেক ব্যবসায় সেলিম হোসেন বলেন, দিনাজপুর থেকে ৬০টি গরু নিয়ে এসেছিলাম। তবে মাত্র ২৫টি গরু বিক্রি করতে পেরেছি। বাকিগুলো ফিরিয়ে নিতে হচ্ছে।
এমন দৃশ্য রাজধানীর প্রত্যেকটি বাজারে। এছাড়া দেশের অন্যান্য বাজারেও গরু অবিক্রিত থাকায় ব্যবসায়ীদের বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হয়েছে।
বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি নিলয় হোসেন বলেন, মানুষের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। ফলে কম কোরবানি হয়েছে। বড় গরুর বাজার প্রায় ভেঙে পড়েছে। তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৯৮ শতাংশ কোরবানিতে ছোট ও মাঝারি গরু ব্যবহৃত হয়। এতে করে বড় ব্যবসায়ীরা বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহজামান খান বলেন, কোরবানি হওয়া পশুর চূড়ান্ত হিসাব এখনও প্রস্তুত হয়নি। মাঠপর্যায় থেকে যা তথ্য আসছে তাতে মনে হচ্ছে এবার কোরবানি কিছুটা বেশি হয়েছে। তবে চূড়ান্ত হিসাব না আসা পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
অবিক্রিত পশু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোরবানির সময় সব বিক্রি হলে অন্য সময় সংকট থাকে, এমনটা হওয়া উচিত না। কিছু উদ্বৃত্ত থাকলে সারা বছর সরবরাহ বজায় থাকবে।

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রী
কোরবানির পশু কাটার সময় আহত ৮০


