ফসলের ক্ষতির প্রভাব কোরবানির হাটে, দামে হতাশ খামারিরা

ফসলের ক্ষতির প্রভাব কোরবানির হাটে, দামে হতাশ খামারিরা
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

এবার বৈশাখের শুরুতেই নেত্রকোনা জেলার হাওরাঞ্চলের বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কৃষকরা। তার প্রভাব পড়েছে কোরবানির পশুর হাটে। বাজারে কোরবানির পশুর আশানুরূপ মূল্য না থাকায় হতাশ খামারিরা।
রবিবার (২৪ মে) জেলার কেন্দুয়া পৌরসভা হাট, রোয়াইলবাড়ি বাজার হাট, সাহিতপুর পশুরহাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জানা গেছে, হাওরাঞ্চলের কৃষকদের ঘরে পচা ধান। গবাদিপশুর খাদ্য নেই। ফসল হারানোর ক্ষত না শুকাতেই ঘনিয়ে এলো ঈদুল আজহা। কিন্তু পালিত গবাদিপশু বাজারে নিয়ে যাওয়ার পর প্রত্যাশিত মূল্য পাচ্ছেন না তারা। একদিকে ফসল হারানোর দুঃখ, অন্যদিকে গবাদিপশুর ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় হতাশ তারা।
আটপাড়া উপজেলার রবিয়ারগাতী গ্রামের কৃষক সুজন মিয়া বলেন, পানির নিচে থেকে যে ধান তুলেছি, তা বিক্রি করা যাচ্ছে না। পচে দুর্গন্ধ বের হয়েছে। ঘরে দুটি ষাঁড় গরু আছে। এগুলো বিক্রি করতে কেন্দুয়া পৌরসভা হাটে নিয়ে এসেছি। কিন্তু গরুর দাম নাই। পাইকার নাই। স্থানীয় ক্রেতারাও দেড় লাখ টাকার গরু এক লাখ টাকা বলছে।

একই সুরে কথা বলেন হাটে গরু নিয়ে আসা কৃষক মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, বাজারে ছোট ও মাঝারি গরুর কিছুটা চাহিদা থাকলেও বড় গরুর দামই বলছে না কেউ। তাই বড় ষাঁড় গরু লালন-পালন করে বেকায়দায় পড়ে গেছি।
বাজারে গরু কিনতে আসা রুবেল বেপারী বলেন, অন্য বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর দাম কম মনে হচ্ছে। এর কারণ হলো– ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দূর-দূরান্তের পাইকাররা এ বছর বাজারে আসছে না। এছাড়া হাওরাঞ্চলের বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় স্থানীয়রাও কোরবানির পশু কম কিনছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনার ১০টি উপজেলায় এ বছর মোট ১০৭টি স্থায়ী-অস্থায়ী কোরবানির পশুরহাট বসানো হয়েছে। প্রতিটি হাটেই রয়েছে প্রশাসন ও পুলিশের বিশেষ নজরদারি। পাশাপাশি কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এসব হাটে কাজ করছে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ৩৯টি ভেটেরিনারি টিম।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, নেত্রকেনায় এবার ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৭টি কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে। বিপরীতে কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত রয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৮৮টি। চাহিদার অতিরিক্ত প্রস্তুত রয়েছে ১৯ হাজারের বেশি পশু। তবে এবার জেলার সীমান্ত এলাকার পশুরহাটগুলোতে ভারতীয় কোনো গরু টুকছে না।

এবার বৈশাখের শুরুতেই নেত্রকোনা জেলার হাওরাঞ্চলের বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কৃষকরা। তার প্রভাব পড়েছে কোরবানির পশুর হাটে। বাজারে কোরবানির পশুর আশানুরূপ মূল্য না থাকায় হতাশ খামারিরা।
রবিবার (২৪ মে) জেলার কেন্দুয়া পৌরসভা হাট, রোয়াইলবাড়ি বাজার হাট, সাহিতপুর পশুরহাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জানা গেছে, হাওরাঞ্চলের কৃষকদের ঘরে পচা ধান। গবাদিপশুর খাদ্য নেই। ফসল হারানোর ক্ষত না শুকাতেই ঘনিয়ে এলো ঈদুল আজহা। কিন্তু পালিত গবাদিপশু বাজারে নিয়ে যাওয়ার পর প্রত্যাশিত মূল্য পাচ্ছেন না তারা। একদিকে ফসল হারানোর দুঃখ, অন্যদিকে গবাদিপশুর ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় হতাশ তারা।
আটপাড়া উপজেলার রবিয়ারগাতী গ্রামের কৃষক সুজন মিয়া বলেন, পানির নিচে থেকে যে ধান তুলেছি, তা বিক্রি করা যাচ্ছে না। পচে দুর্গন্ধ বের হয়েছে। ঘরে দুটি ষাঁড় গরু আছে। এগুলো বিক্রি করতে কেন্দুয়া পৌরসভা হাটে নিয়ে এসেছি। কিন্তু গরুর দাম নাই। পাইকার নাই। স্থানীয় ক্রেতারাও দেড় লাখ টাকার গরু এক লাখ টাকা বলছে।

একই সুরে কথা বলেন হাটে গরু নিয়ে আসা কৃষক মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, বাজারে ছোট ও মাঝারি গরুর কিছুটা চাহিদা থাকলেও বড় গরুর দামই বলছে না কেউ। তাই বড় ষাঁড় গরু লালন-পালন করে বেকায়দায় পড়ে গেছি।
বাজারে গরু কিনতে আসা রুবেল বেপারী বলেন, অন্য বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর দাম কম মনে হচ্ছে। এর কারণ হলো– ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দূর-দূরান্তের পাইকাররা এ বছর বাজারে আসছে না। এছাড়া হাওরাঞ্চলের বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় স্থানীয়রাও কোরবানির পশু কম কিনছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনার ১০টি উপজেলায় এ বছর মোট ১০৭টি স্থায়ী-অস্থায়ী কোরবানির পশুরহাট বসানো হয়েছে। প্রতিটি হাটেই রয়েছে প্রশাসন ও পুলিশের বিশেষ নজরদারি। পাশাপাশি কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এসব হাটে কাজ করছে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ৩৯টি ভেটেরিনারি টিম।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, নেত্রকেনায় এবার ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৭টি কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে। বিপরীতে কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত রয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৮৮টি। চাহিদার অতিরিক্ত প্রস্তুত রয়েছে ১৯ হাজারের বেশি পশু। তবে এবার জেলার সীমান্ত এলাকার পশুরহাটগুলোতে ভারতীয় কোনো গরু টুকছে না।

ফসলের ক্ষতির প্রভাব কোরবানির হাটে, দামে হতাশ খামারিরা
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

এবার বৈশাখের শুরুতেই নেত্রকোনা জেলার হাওরাঞ্চলের বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কৃষকরা। তার প্রভাব পড়েছে কোরবানির পশুর হাটে। বাজারে কোরবানির পশুর আশানুরূপ মূল্য না থাকায় হতাশ খামারিরা।
রবিবার (২৪ মে) জেলার কেন্দুয়া পৌরসভা হাট, রোয়াইলবাড়ি বাজার হাট, সাহিতপুর পশুরহাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
জানা গেছে, হাওরাঞ্চলের কৃষকদের ঘরে পচা ধান। গবাদিপশুর খাদ্য নেই। ফসল হারানোর ক্ষত না শুকাতেই ঘনিয়ে এলো ঈদুল আজহা। কিন্তু পালিত গবাদিপশু বাজারে নিয়ে যাওয়ার পর প্রত্যাশিত মূল্য পাচ্ছেন না তারা। একদিকে ফসল হারানোর দুঃখ, অন্যদিকে গবাদিপশুর ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় হতাশ তারা।
আটপাড়া উপজেলার রবিয়ারগাতী গ্রামের কৃষক সুজন মিয়া বলেন, পানির নিচে থেকে যে ধান তুলেছি, তা বিক্রি করা যাচ্ছে না। পচে দুর্গন্ধ বের হয়েছে। ঘরে দুটি ষাঁড় গরু আছে। এগুলো বিক্রি করতে কেন্দুয়া পৌরসভা হাটে নিয়ে এসেছি। কিন্তু গরুর দাম নাই। পাইকার নাই। স্থানীয় ক্রেতারাও দেড় লাখ টাকার গরু এক লাখ টাকা বলছে।

একই সুরে কথা বলেন হাটে গরু নিয়ে আসা কৃষক মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, বাজারে ছোট ও মাঝারি গরুর কিছুটা চাহিদা থাকলেও বড় গরুর দামই বলছে না কেউ। তাই বড় ষাঁড় গরু লালন-পালন করে বেকায়দায় পড়ে গেছি।
বাজারে গরু কিনতে আসা রুবেল বেপারী বলেন, অন্য বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর দাম কম মনে হচ্ছে। এর কারণ হলো– ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ দূর-দূরান্তের পাইকাররা এ বছর বাজারে আসছে না। এছাড়া হাওরাঞ্চলের বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় স্থানীয়রাও কোরবানির পশু কম কিনছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনার ১০টি উপজেলায় এ বছর মোট ১০৭টি স্থায়ী-অস্থায়ী কোরবানির পশুরহাট বসানো হয়েছে। প্রতিটি হাটেই রয়েছে প্রশাসন ও পুলিশের বিশেষ নজরদারি। পাশাপাশি কোরবানির পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এসব হাটে কাজ করছে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ৩৯টি ভেটেরিনারি টিম।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, নেত্রকেনায় এবার ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৭টি কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে। বিপরীতে কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত রয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৮৮টি। চাহিদার অতিরিক্ত প্রস্তুত রয়েছে ১৯ হাজারের বেশি পশু। তবে এবার জেলার সীমান্ত এলাকার পশুরহাটগুলোতে ভারতীয় কোনো গরু টুকছে না।




