২০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো ফোন চেনার ৭ উপায়

২০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো ফোন চেনার ৭ উপায়
অনলাইন ডেস্ক

কম বাজেটে ভালো স্মার্টফোন কেনা এখন আর খুব কঠিন নয়। ২০ হাজার টাকার মধ্যেই বড় ডিসপ্লে, ৫জি, ভালো ক্যামেরা, শক্তিশালী ব্যাটারি ও দ্রুত চার্জিংয়ের মতো ফিচার পাওয়া যাচ্ছে। তবে একই দামের সব ফোনে সব সুবিধা থাকে না। তাই কেনার আগে কয়েকটি বিষয় যাচাই করা জরুরি।
প্রথমেই ঠিক করুন ফোনটি কী কাজে ব্যবহার করবেন
ফোনটি গেমিং, ছবি তোলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, পড়াশোনা নাকি সাধারণ ব্যবহারের জন্য—তা আগে ঠিক করুন। গেমিংয়ের জন্য চিপসেট ও কুলিং গুরুত্বপূর্ণ, আর সাধারণ ব্যবহারে ব্যাটারি ও ডিসপ্লেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে।
চিপসেটকে গুরুত্ব দিন
ফোনের গতি ও পারফরম্যান্স অনেকটাই নির্ভর করে প্রসেসরের ওপর। একই র্যামের দুটি ফোনের মধ্যে ভালো চিপসেটের ফোন দীর্ঘদিন ব্যবহারে তুলনামূলক ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারে। তাই শুধু ‘৮ জিবি র্যাম’ লেখা দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।
ডিসপ্লে কেমন, সেটিও দেখুন
এই বাজেটে ৯০ বা ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে পাওয়া যেতে পারে। বেশি রিফ্রেশ রেট স্ক্রলিং ও অ্যানিমেশনকে মসৃণ করে। পাশাপাশি AMOLED ও LCD—কোন ধরনের প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে, সেটিও দেখা উচিত।
ক্যামেরায় শুধু মেগাপিক্সেল নয়
ক্যামেরার ক্ষেত্রে বেশি মেগাপিক্সেল মানেই ভালো ছবি নয়। সেন্সরের মান, ছবি প্রসেসিং, নাইট মোড, ভিডিও রেকর্ডিং ও স্থির ছবি তোলার সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ফোন কেনার আগে বাস্তব ক্যামেরা স্যাম্পল দেখে নেওয়া ভালো।
ব্যাটারি ও চার্জিং
২০ হাজার টাকার ফোনে সাধারণত ৫০০০mAh বা তার কাছাকাছি ব্যাটারি পাওয়া যায়। তবে ব্যাটারির পাশাপাশি চার্জিংয়ের গতি এবং চার্জার বক্সে দেওয়া হচ্ছে কি না, সেটিও যাচাই করুন।
র্যাম-স্টোরেজে ভারসাম্য
৮ জিবি র্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ এই বাজেটে ভালো একটি ভারসাম্য হতে পারে। বেশি ছবি, ভিডিও বা অ্যাপ ব্যবহার করলে ২৫৬ জিবি স্টোরেজের মডেলকে অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে।
৫জি ও সফটওয়্যার আপডেট দেখুন
নতুন ফোন কেনার সময় ৫জি সাপোর্ট থাকলে ভবিষ্যতের জন্য সুবিধা পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে ফোনটি কত বছর অ্যান্ড্রয়েড ও সিকিউরিটি আপডেট পাবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ফোন ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকলে আপডেট সুবিধা ভালো এমন মডেল বেছে নেওয়া উচিত।
অফিশিয়াল সেট কেনা নিরাপদ
কম দামে আনঅফিশিয়াল ফোন পাওয়া গেলেও কেনার আগে ওয়ারেন্টি, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং ফোনটি বৈধভাবে আমদানি করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। সামান্য বেশি খরচ হলেও অফিসিয়াল ওয়ারেন্টির ফোন দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি কমাতে পারে।
শেষ কথা
২০ হাজার টাকার মধ্যে ফোন বাছাইয়ের সময় শুধু ব্র্যান্ড বা বাহ্যিক ডিজাইনের দিকে না তাকিয়ে চিপসেট, ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ব্যাটারি, র্যাম-স্টোরেজ, সফটওয়্যার আপডেট ও ওয়ারেন্টি—এই বিষয়গুলো একসঙ্গে বিবেচনা করুন। নিজের ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী অগ্রাধিকার ঠিক করতে পারলেই একই বাজেটে তুলনামূলক ভালো ফোন বেছে নেওয়া সহজ হবে।
/এবি/

কম বাজেটে ভালো স্মার্টফোন কেনা এখন আর খুব কঠিন নয়। ২০ হাজার টাকার মধ্যেই বড় ডিসপ্লে, ৫জি, ভালো ক্যামেরা, শক্তিশালী ব্যাটারি ও দ্রুত চার্জিংয়ের মতো ফিচার পাওয়া যাচ্ছে। তবে একই দামের সব ফোনে সব সুবিধা থাকে না। তাই কেনার আগে কয়েকটি বিষয় যাচাই করা জরুরি।
প্রথমেই ঠিক করুন ফোনটি কী কাজে ব্যবহার করবেন
ফোনটি গেমিং, ছবি তোলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, পড়াশোনা নাকি সাধারণ ব্যবহারের জন্য—তা আগে ঠিক করুন। গেমিংয়ের জন্য চিপসেট ও কুলিং গুরুত্বপূর্ণ, আর সাধারণ ব্যবহারে ব্যাটারি ও ডিসপ্লেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে।
চিপসেটকে গুরুত্ব দিন
ফোনের গতি ও পারফরম্যান্স অনেকটাই নির্ভর করে প্রসেসরের ওপর। একই র্যামের দুটি ফোনের মধ্যে ভালো চিপসেটের ফোন দীর্ঘদিন ব্যবহারে তুলনামূলক ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারে। তাই শুধু ‘৮ জিবি র্যাম’ লেখা দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।
ডিসপ্লে কেমন, সেটিও দেখুন
এই বাজেটে ৯০ বা ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে পাওয়া যেতে পারে। বেশি রিফ্রেশ রেট স্ক্রলিং ও অ্যানিমেশনকে মসৃণ করে। পাশাপাশি AMOLED ও LCD—কোন ধরনের প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে, সেটিও দেখা উচিত।
ক্যামেরায় শুধু মেগাপিক্সেল নয়
ক্যামেরার ক্ষেত্রে বেশি মেগাপিক্সেল মানেই ভালো ছবি নয়। সেন্সরের মান, ছবি প্রসেসিং, নাইট মোড, ভিডিও রেকর্ডিং ও স্থির ছবি তোলার সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ফোন কেনার আগে বাস্তব ক্যামেরা স্যাম্পল দেখে নেওয়া ভালো।
ব্যাটারি ও চার্জিং
২০ হাজার টাকার ফোনে সাধারণত ৫০০০mAh বা তার কাছাকাছি ব্যাটারি পাওয়া যায়। তবে ব্যাটারির পাশাপাশি চার্জিংয়ের গতি এবং চার্জার বক্সে দেওয়া হচ্ছে কি না, সেটিও যাচাই করুন।
র্যাম-স্টোরেজে ভারসাম্য
৮ জিবি র্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ এই বাজেটে ভালো একটি ভারসাম্য হতে পারে। বেশি ছবি, ভিডিও বা অ্যাপ ব্যবহার করলে ২৫৬ জিবি স্টোরেজের মডেলকে অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে।
৫জি ও সফটওয়্যার আপডেট দেখুন
নতুন ফোন কেনার সময় ৫জি সাপোর্ট থাকলে ভবিষ্যতের জন্য সুবিধা পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে ফোনটি কত বছর অ্যান্ড্রয়েড ও সিকিউরিটি আপডেট পাবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ফোন ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকলে আপডেট সুবিধা ভালো এমন মডেল বেছে নেওয়া উচিত।
অফিশিয়াল সেট কেনা নিরাপদ
কম দামে আনঅফিশিয়াল ফোন পাওয়া গেলেও কেনার আগে ওয়ারেন্টি, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং ফোনটি বৈধভাবে আমদানি করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। সামান্য বেশি খরচ হলেও অফিসিয়াল ওয়ারেন্টির ফোন দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি কমাতে পারে।
শেষ কথা
২০ হাজার টাকার মধ্যে ফোন বাছাইয়ের সময় শুধু ব্র্যান্ড বা বাহ্যিক ডিজাইনের দিকে না তাকিয়ে চিপসেট, ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ব্যাটারি, র্যাম-স্টোরেজ, সফটওয়্যার আপডেট ও ওয়ারেন্টি—এই বিষয়গুলো একসঙ্গে বিবেচনা করুন। নিজের ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী অগ্রাধিকার ঠিক করতে পারলেই একই বাজেটে তুলনামূলক ভালো ফোন বেছে নেওয়া সহজ হবে।
/এবি/

২০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো ফোন চেনার ৭ উপায়
অনলাইন ডেস্ক

কম বাজেটে ভালো স্মার্টফোন কেনা এখন আর খুব কঠিন নয়। ২০ হাজার টাকার মধ্যেই বড় ডিসপ্লে, ৫জি, ভালো ক্যামেরা, শক্তিশালী ব্যাটারি ও দ্রুত চার্জিংয়ের মতো ফিচার পাওয়া যাচ্ছে। তবে একই দামের সব ফোনে সব সুবিধা থাকে না। তাই কেনার আগে কয়েকটি বিষয় যাচাই করা জরুরি।
প্রথমেই ঠিক করুন ফোনটি কী কাজে ব্যবহার করবেন
ফোনটি গেমিং, ছবি তোলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, পড়াশোনা নাকি সাধারণ ব্যবহারের জন্য—তা আগে ঠিক করুন। গেমিংয়ের জন্য চিপসেট ও কুলিং গুরুত্বপূর্ণ, আর সাধারণ ব্যবহারে ব্যাটারি ও ডিসপ্লেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে।
চিপসেটকে গুরুত্ব দিন
ফোনের গতি ও পারফরম্যান্স অনেকটাই নির্ভর করে প্রসেসরের ওপর। একই র্যামের দুটি ফোনের মধ্যে ভালো চিপসেটের ফোন দীর্ঘদিন ব্যবহারে তুলনামূলক ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারে। তাই শুধু ‘৮ জিবি র্যাম’ লেখা দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।
ডিসপ্লে কেমন, সেটিও দেখুন
এই বাজেটে ৯০ বা ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেটের ডিসপ্লে পাওয়া যেতে পারে। বেশি রিফ্রেশ রেট স্ক্রলিং ও অ্যানিমেশনকে মসৃণ করে। পাশাপাশি AMOLED ও LCD—কোন ধরনের প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে, সেটিও দেখা উচিত।
ক্যামেরায় শুধু মেগাপিক্সেল নয়
ক্যামেরার ক্ষেত্রে বেশি মেগাপিক্সেল মানেই ভালো ছবি নয়। সেন্সরের মান, ছবি প্রসেসিং, নাইট মোড, ভিডিও রেকর্ডিং ও স্থির ছবি তোলার সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ফোন কেনার আগে বাস্তব ক্যামেরা স্যাম্পল দেখে নেওয়া ভালো।
ব্যাটারি ও চার্জিং
২০ হাজার টাকার ফোনে সাধারণত ৫০০০mAh বা তার কাছাকাছি ব্যাটারি পাওয়া যায়। তবে ব্যাটারির পাশাপাশি চার্জিংয়ের গতি এবং চার্জার বক্সে দেওয়া হচ্ছে কি না, সেটিও যাচাই করুন।
র্যাম-স্টোরেজে ভারসাম্য
৮ জিবি র্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ এই বাজেটে ভালো একটি ভারসাম্য হতে পারে। বেশি ছবি, ভিডিও বা অ্যাপ ব্যবহার করলে ২৫৬ জিবি স্টোরেজের মডেলকে অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে।
৫জি ও সফটওয়্যার আপডেট দেখুন
নতুন ফোন কেনার সময় ৫জি সাপোর্ট থাকলে ভবিষ্যতের জন্য সুবিধা পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে ফোনটি কত বছর অ্যান্ড্রয়েড ও সিকিউরিটি আপডেট পাবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ফোন ব্যবহারের পরিকল্পনা থাকলে আপডেট সুবিধা ভালো এমন মডেল বেছে নেওয়া উচিত।
অফিশিয়াল সেট কেনা নিরাপদ
কম দামে আনঅফিশিয়াল ফোন পাওয়া গেলেও কেনার আগে ওয়ারেন্টি, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং ফোনটি বৈধভাবে আমদানি করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। সামান্য বেশি খরচ হলেও অফিসিয়াল ওয়ারেন্টির ফোন দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকি কমাতে পারে।
শেষ কথা
২০ হাজার টাকার মধ্যে ফোন বাছাইয়ের সময় শুধু ব্র্যান্ড বা বাহ্যিক ডিজাইনের দিকে না তাকিয়ে চিপসেট, ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ব্যাটারি, র্যাম-স্টোরেজ, সফটওয়্যার আপডেট ও ওয়ারেন্টি—এই বিষয়গুলো একসঙ্গে বিবেচনা করুন। নিজের ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী অগ্রাধিকার ঠিক করতে পারলেই একই বাজেটে তুলনামূলক ভালো ফোন বেছে নেওয়া সহজ হবে।
/এবি/

কম্পিউটার স্লো? সার্ভিসিং সেন্টারে নেওয়ার আগে ঘরেই করুন এই ৫ কাজ
ফোনের স্টোরেজ বারবার ফুল দেখাচ্ছে? সমাধানে ৫ সহজ উপায়






