এআই লেখা-ছবিতে অদৃশ্য ‘ক্লড মার্ক’ দেবে অ্যানথ্রপিক

এআই লেখা-ছবিতে অদৃশ্য ‘ক্লড মার্ক’ দেবে অ্যানথ্রপিক
সিজেডএন ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি লেখা ও ছবি সহজে শনাক্ত করতে নতুন প্রযুক্তি চালু করছে জনপ্রিয় চ্যাটবট ক্লডের নির্মাতা অ্যানথ্রপিক। প্রতিষ্ঠানটি এআই-উৎপাদিত কনটেন্টে মানুষের চোখে অদৃশ্য মার্কার বা জলছাপ যুক্ত করবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন এআই আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মে এআই সেবাদাতাদের নিজেদের প্রযুক্তিতে তৈরি কনটেন্ট শনাক্তের ব্যবস্থা রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
অ্যানথ্রপিকের এই ‘ক্লড মার্ক’ শুধু ছবি নয়, লেখার ক্ষেত্রেও কাজ করবে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, কোনো লেখা ক্লডের মাধ্যমে তৈরি বা সম্পাদনা করা হলে তাতে এমন অদৃশ্য সংকেত যুক্ত হতে পারে। যা সাধারণভাবে মানুষের চোখে ধরা পড়বে না। তবে বিশেষ সফটওয়্যার দিয়ে তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
ছবির ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রযুক্তি ইতিমধ্যেই পরিচিত। তবে ছবি ফরম্যাট পরিবর্তন বা স্ক্রিনশট নিলে অনেক সময় জলছাপ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। লেখার ক্ষেত্রেও একই ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে।
সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে লেখার ক্ষেত্রে। কোনো ব্যক্তি নিজের লেখা শুধু পরিমার্জন বা সম্পাদনার জন্য ক্লডে দিলে সেই লেখাতেও ‘ক্লড মার্ক’ যুক্ত হতে পারে। ফলে লেখাটি পুরোপুরি এআই দিয়ে তৈরি-এমন ভুল ধারণা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিষয়টি স্বীকার করে অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, কোনো লেখায় মার্কার শনাক্ত হওয়া শুধু প্রমাণ করে যে সেটি প্রক্রিয়াজাত করতে ক্লড ব্যবহার করা হয়েছে, এর অর্থ এই নয় যে লেখাটির সম্পূর্ণ উৎস এআই। একইভাবে, কোনো লেখায় মার্কার না থাকলেও সেটি যে এআই দিয়ে তৈরি হয়নি, এমন নিশ্চয়তা নেই। পুরোনো মডেলে তৈরি কনটেন্ট, খুব ছোট লেখা কিংবা মার্কার প্রযুক্তি চালুর আগের কনটেন্টে এ ধরনের সংকেত নাও থাকতে পারে।
মার্কার তৈরির সুনির্দিষ্ট প্রযুক্তি প্রকাশ করেনি অ্যানথ্রপিক। তবে ধারণা করা হচ্ছে, লেখায় নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহারের হার পরিসংখ্যানগতভাবে সামান্য পরিবর্তন করে এমন একটি সংকেত তৈরি করা হতে পারে।
অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, ২ আগস্টের পর বাজারে আসা বা হালনাগাদ হওয়া মডেলগুলোতে প্রাথমিকভাবে এই প্রযুক্তি যুক্ত করা হচ্ছে। ধীরে ধীরে পুরোনো মডেলেও সুবিধাটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি লেখা ও ছবি সহজে শনাক্ত করতে নতুন প্রযুক্তি চালু করছে জনপ্রিয় চ্যাটবট ক্লডের নির্মাতা অ্যানথ্রপিক। প্রতিষ্ঠানটি এআই-উৎপাদিত কনটেন্টে মানুষের চোখে অদৃশ্য মার্কার বা জলছাপ যুক্ত করবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন এআই আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মে এআই সেবাদাতাদের নিজেদের প্রযুক্তিতে তৈরি কনটেন্ট শনাক্তের ব্যবস্থা রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
অ্যানথ্রপিকের এই ‘ক্লড মার্ক’ শুধু ছবি নয়, লেখার ক্ষেত্রেও কাজ করবে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, কোনো লেখা ক্লডের মাধ্যমে তৈরি বা সম্পাদনা করা হলে তাতে এমন অদৃশ্য সংকেত যুক্ত হতে পারে। যা সাধারণভাবে মানুষের চোখে ধরা পড়বে না। তবে বিশেষ সফটওয়্যার দিয়ে তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
ছবির ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রযুক্তি ইতিমধ্যেই পরিচিত। তবে ছবি ফরম্যাট পরিবর্তন বা স্ক্রিনশট নিলে অনেক সময় জলছাপ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। লেখার ক্ষেত্রেও একই ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে।
সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে লেখার ক্ষেত্রে। কোনো ব্যক্তি নিজের লেখা শুধু পরিমার্জন বা সম্পাদনার জন্য ক্লডে দিলে সেই লেখাতেও ‘ক্লড মার্ক’ যুক্ত হতে পারে। ফলে লেখাটি পুরোপুরি এআই দিয়ে তৈরি-এমন ভুল ধারণা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিষয়টি স্বীকার করে অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, কোনো লেখায় মার্কার শনাক্ত হওয়া শুধু প্রমাণ করে যে সেটি প্রক্রিয়াজাত করতে ক্লড ব্যবহার করা হয়েছে, এর অর্থ এই নয় যে লেখাটির সম্পূর্ণ উৎস এআই। একইভাবে, কোনো লেখায় মার্কার না থাকলেও সেটি যে এআই দিয়ে তৈরি হয়নি, এমন নিশ্চয়তা নেই। পুরোনো মডেলে তৈরি কনটেন্ট, খুব ছোট লেখা কিংবা মার্কার প্রযুক্তি চালুর আগের কনটেন্টে এ ধরনের সংকেত নাও থাকতে পারে।
মার্কার তৈরির সুনির্দিষ্ট প্রযুক্তি প্রকাশ করেনি অ্যানথ্রপিক। তবে ধারণা করা হচ্ছে, লেখায় নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহারের হার পরিসংখ্যানগতভাবে সামান্য পরিবর্তন করে এমন একটি সংকেত তৈরি করা হতে পারে।
অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, ২ আগস্টের পর বাজারে আসা বা হালনাগাদ হওয়া মডেলগুলোতে প্রাথমিকভাবে এই প্রযুক্তি যুক্ত করা হচ্ছে। ধীরে ধীরে পুরোনো মডেলেও সুবিধাটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

এআই লেখা-ছবিতে অদৃশ্য ‘ক্লড মার্ক’ দেবে অ্যানথ্রপিক
সিজেডএন ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি লেখা ও ছবি সহজে শনাক্ত করতে নতুন প্রযুক্তি চালু করছে জনপ্রিয় চ্যাটবট ক্লডের নির্মাতা অ্যানথ্রপিক। প্রতিষ্ঠানটি এআই-উৎপাদিত কনটেন্টে মানুষের চোখে অদৃশ্য মার্কার বা জলছাপ যুক্ত করবে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নতুন এআই আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মে এআই সেবাদাতাদের নিজেদের প্রযুক্তিতে তৈরি কনটেন্ট শনাক্তের ব্যবস্থা রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
অ্যানথ্রপিকের এই ‘ক্লড মার্ক’ শুধু ছবি নয়, লেখার ক্ষেত্রেও কাজ করবে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, কোনো লেখা ক্লডের মাধ্যমে তৈরি বা সম্পাদনা করা হলে তাতে এমন অদৃশ্য সংকেত যুক্ত হতে পারে। যা সাধারণভাবে মানুষের চোখে ধরা পড়বে না। তবে বিশেষ সফটওয়্যার দিয়ে তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
ছবির ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রযুক্তি ইতিমধ্যেই পরিচিত। তবে ছবি ফরম্যাট পরিবর্তন বা স্ক্রিনশট নিলে অনেক সময় জলছাপ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। লেখার ক্ষেত্রেও একই ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে।
সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে লেখার ক্ষেত্রে। কোনো ব্যক্তি নিজের লেখা শুধু পরিমার্জন বা সম্পাদনার জন্য ক্লডে দিলে সেই লেখাতেও ‘ক্লড মার্ক’ যুক্ত হতে পারে। ফলে লেখাটি পুরোপুরি এআই দিয়ে তৈরি-এমন ভুল ধারণা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিষয়টি স্বীকার করে অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, কোনো লেখায় মার্কার শনাক্ত হওয়া শুধু প্রমাণ করে যে সেটি প্রক্রিয়াজাত করতে ক্লড ব্যবহার করা হয়েছে, এর অর্থ এই নয় যে লেখাটির সম্পূর্ণ উৎস এআই। একইভাবে, কোনো লেখায় মার্কার না থাকলেও সেটি যে এআই দিয়ে তৈরি হয়নি, এমন নিশ্চয়তা নেই। পুরোনো মডেলে তৈরি কনটেন্ট, খুব ছোট লেখা কিংবা মার্কার প্রযুক্তি চালুর আগের কনটেন্টে এ ধরনের সংকেত নাও থাকতে পারে।
মার্কার তৈরির সুনির্দিষ্ট প্রযুক্তি প্রকাশ করেনি অ্যানথ্রপিক। তবে ধারণা করা হচ্ছে, লেখায় নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহারের হার পরিসংখ্যানগতভাবে সামান্য পরিবর্তন করে এমন একটি সংকেত তৈরি করা হতে পারে।
অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, ২ আগস্টের পর বাজারে আসা বা হালনাগাদ হওয়া মডেলগুলোতে প্রাথমিকভাবে এই প্রযুক্তি যুক্ত করা হচ্ছে। ধীরে ধীরে পুরোনো মডেলেও সুবিধাটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

কোটি মানুষের পানি এক দিনেই খাচ্ছে এআই







