কম্পিউটার স্লো? সার্ভিসিং সেন্টারে নেওয়ার আগে ঘরেই করুন এই ৫ কাজ

কম্পিউটার স্লো? সার্ভিসিং সেন্টারে নেওয়ার আগে ঘরেই করুন এই ৫ কাজ
অনলাইন ডেস্ক

একটি ডিভাইস দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর গতি কিছুটা কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে স্লো হলেই বাটন চেপে সার্ভিসিং সেন্টারে দৌড়ানোর আগে কিছু সাধারণ কৌশল খাটিয়ে নিজেই পিসি বা ল্যাপটপের আগের গতি ফেরানো সম্ভব। এতে সময় ও টাকা দুটোই বাঁচবে।
টেক বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্ডওয়্যার নষ্ট না হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সফটওয়্যার সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই ডিভাইস ধীরগতির হয়ে পড়ে। আপনার সার্ভিসিং করার প্রয়োজনীয়তা আসলেই আছে কি না, তা বুঝতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:
১. স্টোরেজ খালি ও ক্যাশ ফাইল ডিলেট করুন
সি-ড্রাইভ অতিরিক্ত ফুল হয়ে গেলে সিস্টেম স্লো হয়ে যায়।
করণীয়: রান কমান্ড উইন্ডো ওপেন করে (Win + R) একে একে temp, %temp%, এবং prefetch লিখে এন্টার দিন। এখানে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো সব সিলেক্ট করে ডিলেট করে দিন। এছাড়া Disk Cleanup টুল ব্যবহার করে ক্যাশ ও টেম্পোরারি ফাইল রিমুভ করুন।
২. স্টার্টআপ অ্যাপস বন্ধ করুন
পিসি অন করার সাথে সাথে ব্যাকগ্রাউন্ডে অতিরিক্ত অ্যাপ চালু হয়ে গেলে প্রসেসর ও র্যামের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।
করণীয়: টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করুন (Ctrl + Shift + Esc) এবং Startup ট্যাবে যান। সেখানে যেসব সফটওয়্যার বুট হওয়ার সময় অপ্রয়োজনে চালু হয় (যেমন: Skype, Spotify, Cortona ইত্যাদি), সেগুলোকে Disable করে দিন।
৩. ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস ও র্যাম ব্যবহার পরীক্ষা
কোনো একটি নির্দিষ্ট অ্যাপ ল্যাপটপের সব প্রসেসিং পাওয়ার শুষে নিচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা জরুরি।
*=করণীয়: টাস্ক ম্যানেজারে প্রসেসর ও র্যাম ব্যবহারের হার কত তা দেখুন। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ভারী ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ চালু থাকলে সেটিতে রাইট ক্লিক করে End task করে দিন।
৪. মেলওয়্যার ও ভাইরাস স্ক্যান
অনেক সময় ক্ষতিকর ভাইরাস বা মেলওয়্যার ডিভাইসে ঢুকে পিসির গতি একেবারে কমিয়ে দেয়।
করণীয়: উইন্ডোজের বিল্ট-ইন Windows Security দিয়ে একটি ফুল সিস্টেম স্ক্যান চালান। থার্ড-পার্টি ভালো কোনো অ্যান্টিভাইরাস থাকলেও তা দিয়ে ডিপ স্ক্যান করে মেলওয়্যার মুক্ত করুন।
৫. অপারেটিং সিস্টেম ও ড্রাইভার আপডেট
পুরোনো বা করাপ্ট হয়ে যাওয়া ড্রাইভারের কারণেও ল্যাপটপের পারফরম্যান্স কমে যেতে পারে।
করণীয়: Settings > Update & Security-তে গিয়ে নতুন কোনো OS আপডেট বা অপশনাল ড্রাইভার আপডেট পেন্ডিং আছে কি না দেখে নিয়ে আপডেট দিয়ে নিন।
পরামর্শ
ওপরের পদক্ষেপগুলো নেওয়ার পরও যদি পিসির গতি না বাড়ে, তবে বুঝতে হবে এটি কোনো হার্ডওয়্যারজনিত সমস্যা (যেমন: কুলিং ফ্যানে ধুলো জমে হিটিং ইস্যু বা মেকানিক্যাল ট্রাবল)। কেবল তখনই নির্ভরযোগ্য কোনো সার্ভিসিং সেন্টারে নিয়ে গিয়ে হার্ডওয়্যার ক্লিন করা কিংবা নতুন SSD/RAM যুক্ত করার চিন্তা করা উচিত।

একটি ডিভাইস দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর গতি কিছুটা কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে স্লো হলেই বাটন চেপে সার্ভিসিং সেন্টারে দৌড়ানোর আগে কিছু সাধারণ কৌশল খাটিয়ে নিজেই পিসি বা ল্যাপটপের আগের গতি ফেরানো সম্ভব। এতে সময় ও টাকা দুটোই বাঁচবে।
টেক বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্ডওয়্যার নষ্ট না হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সফটওয়্যার সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই ডিভাইস ধীরগতির হয়ে পড়ে। আপনার সার্ভিসিং করার প্রয়োজনীয়তা আসলেই আছে কি না, তা বুঝতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:
১. স্টোরেজ খালি ও ক্যাশ ফাইল ডিলেট করুন
সি-ড্রাইভ অতিরিক্ত ফুল হয়ে গেলে সিস্টেম স্লো হয়ে যায়।
করণীয়: রান কমান্ড উইন্ডো ওপেন করে (Win + R) একে একে temp, %temp%, এবং prefetch লিখে এন্টার দিন। এখানে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো সব সিলেক্ট করে ডিলেট করে দিন। এছাড়া Disk Cleanup টুল ব্যবহার করে ক্যাশ ও টেম্পোরারি ফাইল রিমুভ করুন।
২. স্টার্টআপ অ্যাপস বন্ধ করুন
পিসি অন করার সাথে সাথে ব্যাকগ্রাউন্ডে অতিরিক্ত অ্যাপ চালু হয়ে গেলে প্রসেসর ও র্যামের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।
করণীয়: টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করুন (Ctrl + Shift + Esc) এবং Startup ট্যাবে যান। সেখানে যেসব সফটওয়্যার বুট হওয়ার সময় অপ্রয়োজনে চালু হয় (যেমন: Skype, Spotify, Cortona ইত্যাদি), সেগুলোকে Disable করে দিন।
৩. ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস ও র্যাম ব্যবহার পরীক্ষা
কোনো একটি নির্দিষ্ট অ্যাপ ল্যাপটপের সব প্রসেসিং পাওয়ার শুষে নিচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা জরুরি।
*=করণীয়: টাস্ক ম্যানেজারে প্রসেসর ও র্যাম ব্যবহারের হার কত তা দেখুন। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ভারী ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ চালু থাকলে সেটিতে রাইট ক্লিক করে End task করে দিন।
৪. মেলওয়্যার ও ভাইরাস স্ক্যান
অনেক সময় ক্ষতিকর ভাইরাস বা মেলওয়্যার ডিভাইসে ঢুকে পিসির গতি একেবারে কমিয়ে দেয়।
করণীয়: উইন্ডোজের বিল্ট-ইন Windows Security দিয়ে একটি ফুল সিস্টেম স্ক্যান চালান। থার্ড-পার্টি ভালো কোনো অ্যান্টিভাইরাস থাকলেও তা দিয়ে ডিপ স্ক্যান করে মেলওয়্যার মুক্ত করুন।
৫. অপারেটিং সিস্টেম ও ড্রাইভার আপডেট
পুরোনো বা করাপ্ট হয়ে যাওয়া ড্রাইভারের কারণেও ল্যাপটপের পারফরম্যান্স কমে যেতে পারে।
করণীয়: Settings > Update & Security-তে গিয়ে নতুন কোনো OS আপডেট বা অপশনাল ড্রাইভার আপডেট পেন্ডিং আছে কি না দেখে নিয়ে আপডেট দিয়ে নিন।
পরামর্শ
ওপরের পদক্ষেপগুলো নেওয়ার পরও যদি পিসির গতি না বাড়ে, তবে বুঝতে হবে এটি কোনো হার্ডওয়্যারজনিত সমস্যা (যেমন: কুলিং ফ্যানে ধুলো জমে হিটিং ইস্যু বা মেকানিক্যাল ট্রাবল)। কেবল তখনই নির্ভরযোগ্য কোনো সার্ভিসিং সেন্টারে নিয়ে গিয়ে হার্ডওয়্যার ক্লিন করা কিংবা নতুন SSD/RAM যুক্ত করার চিন্তা করা উচিত।

কম্পিউটার স্লো? সার্ভিসিং সেন্টারে নেওয়ার আগে ঘরেই করুন এই ৫ কাজ
অনলাইন ডেস্ক

একটি ডিভাইস দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর গতি কিছুটা কমে যাওয়া স্বাভাবিক। তবে স্লো হলেই বাটন চেপে সার্ভিসিং সেন্টারে দৌড়ানোর আগে কিছু সাধারণ কৌশল খাটিয়ে নিজেই পিসি বা ল্যাপটপের আগের গতি ফেরানো সম্ভব। এতে সময় ও টাকা দুটোই বাঁচবে।
টেক বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্ডওয়্যার নষ্ট না হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সফটওয়্যার সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই ডিভাইস ধীরগতির হয়ে পড়ে। আপনার সার্ভিসিং করার প্রয়োজনীয়তা আসলেই আছে কি না, তা বুঝতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন:
১. স্টোরেজ খালি ও ক্যাশ ফাইল ডিলেট করুন
সি-ড্রাইভ অতিরিক্ত ফুল হয়ে গেলে সিস্টেম স্লো হয়ে যায়।
করণীয়: রান কমান্ড উইন্ডো ওপেন করে (Win + R) একে একে temp, %temp%, এবং prefetch লিখে এন্টার দিন। এখানে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো সব সিলেক্ট করে ডিলেট করে দিন। এছাড়া Disk Cleanup টুল ব্যবহার করে ক্যাশ ও টেম্পোরারি ফাইল রিমুভ করুন।
২. স্টার্টআপ অ্যাপস বন্ধ করুন
পিসি অন করার সাথে সাথে ব্যাকগ্রাউন্ডে অতিরিক্ত অ্যাপ চালু হয়ে গেলে প্রসেসর ও র্যামের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।
করণীয়: টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করুন (Ctrl + Shift + Esc) এবং Startup ট্যাবে যান। সেখানে যেসব সফটওয়্যার বুট হওয়ার সময় অপ্রয়োজনে চালু হয় (যেমন: Skype, Spotify, Cortona ইত্যাদি), সেগুলোকে Disable করে দিন।
৩. ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস ও র্যাম ব্যবহার পরীক্ষা
কোনো একটি নির্দিষ্ট অ্যাপ ল্যাপটপের সব প্রসেসিং পাওয়ার শুষে নিচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা জরুরি।
*=করণীয়: টাস্ক ম্যানেজারে প্রসেসর ও র্যাম ব্যবহারের হার কত তা দেখুন। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ভারী ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ চালু থাকলে সেটিতে রাইট ক্লিক করে End task করে দিন।
৪. মেলওয়্যার ও ভাইরাস স্ক্যান
অনেক সময় ক্ষতিকর ভাইরাস বা মেলওয়্যার ডিভাইসে ঢুকে পিসির গতি একেবারে কমিয়ে দেয়।
করণীয়: উইন্ডোজের বিল্ট-ইন Windows Security দিয়ে একটি ফুল সিস্টেম স্ক্যান চালান। থার্ড-পার্টি ভালো কোনো অ্যান্টিভাইরাস থাকলেও তা দিয়ে ডিপ স্ক্যান করে মেলওয়্যার মুক্ত করুন।
৫. অপারেটিং সিস্টেম ও ড্রাইভার আপডেট
পুরোনো বা করাপ্ট হয়ে যাওয়া ড্রাইভারের কারণেও ল্যাপটপের পারফরম্যান্স কমে যেতে পারে।
করণীয়: Settings > Update & Security-তে গিয়ে নতুন কোনো OS আপডেট বা অপশনাল ড্রাইভার আপডেট পেন্ডিং আছে কি না দেখে নিয়ে আপডেট দিয়ে নিন।
পরামর্শ
ওপরের পদক্ষেপগুলো নেওয়ার পরও যদি পিসির গতি না বাড়ে, তবে বুঝতে হবে এটি কোনো হার্ডওয়্যারজনিত সমস্যা (যেমন: কুলিং ফ্যানে ধুলো জমে হিটিং ইস্যু বা মেকানিক্যাল ট্রাবল)। কেবল তখনই নির্ভরযোগ্য কোনো সার্ভিসিং সেন্টারে নিয়ে গিয়ে হার্ডওয়্যার ক্লিন করা কিংবা নতুন SSD/RAM যুক্ত করার চিন্তা করা উচিত।









