নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেড়েছে এআইয়ের ব্যবহার

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেড়েছে এআইয়ের ব্যবহার
সিজেডএন ডেস্ক

যোগ্য ও দক্ষ কর্মী খুঁজে নিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্ভরতা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর। সনাতনী পদ্ধতির সীমানা পেরিয়ে প্রার্থীর মেধা ও বাস্তব দক্ষতার সঠিক মূল্যায়নে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জোরকদমে জায়গা করে নিচ্ছে প্রযুক্তি। ভারতের ইকোনমিক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারতে ক্যাম্পাস নিয়োগের ক্ষেত্রে দক্ষতার ওপর বাড়তি জোর দিতে গিয়ে ৮৬ শতাংশ নিয়োগদাতাই এখন এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন।
ডেলয়েড ইন্ডিয়ার ‘ক্যাম্পাস ওয়ার্কফোর্স ট্রেন্ডস ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য সামনে এসেছে। বিভিন্ন খাতের ২৫৭টি প্রতিষ্ঠান এবং ৫০৫টি ক্যাম্পাসের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এতে দেখা যায়, ক্যাম্পাস থেকে কর্মী বাছাইয়ের পুরো প্রক্রিয়াটিই এখন বেশ কৌশলগত রূপ নিয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৮৬ শতাংশ সংস্থাই জানিয়েছে, এআই বা এজেন্টিক এআইয়ের ব্যবহার তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে।
মেধাবী তরুণদের দলে টানতে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতাও এখন তুঙ্গে। এ দৌড়ে এগিয়ে থাকতে তারা ক্যাম্পাস নিয়োগের পেছনে বিনিয়োগ বাড়াতেও পিছপা হচ্ছে না। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কর্মী নিয়োগ ও ভবিষ্যতে বাড়তি সুবিধা পেতে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের নিয়োগ বাজেট সর্বোচ্চ ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
এর মূল উদ্দেশ্য হলো পুরোনো ধাঁচের নিয়ম বাদ দিয়ে আরও নিখুঁত, কাঠামোগত ও দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা। পাশাপাশি ইন্টার্নশিপ থেকে সরাসরি স্থায়ী চাকরিতে নেওয়ার প্রক্রিয়াকেও আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। নতুন ব্যবস্থার কারণে বিশেষ করে ডিজিটাল এবং গবেষণামূলক কাজে পারদর্শী উদীয়মান তরুণদের জন্য কাজের এক বিশাল সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
সূত্র: ইকোনমিক টাইমস

যোগ্য ও দক্ষ কর্মী খুঁজে নিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্ভরতা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর। সনাতনী পদ্ধতির সীমানা পেরিয়ে প্রার্থীর মেধা ও বাস্তব দক্ষতার সঠিক মূল্যায়নে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জোরকদমে জায়গা করে নিচ্ছে প্রযুক্তি। ভারতের ইকোনমিক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারতে ক্যাম্পাস নিয়োগের ক্ষেত্রে দক্ষতার ওপর বাড়তি জোর দিতে গিয়ে ৮৬ শতাংশ নিয়োগদাতাই এখন এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন।
ডেলয়েড ইন্ডিয়ার ‘ক্যাম্পাস ওয়ার্কফোর্স ট্রেন্ডস ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য সামনে এসেছে। বিভিন্ন খাতের ২৫৭টি প্রতিষ্ঠান এবং ৫০৫টি ক্যাম্পাসের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এতে দেখা যায়, ক্যাম্পাস থেকে কর্মী বাছাইয়ের পুরো প্রক্রিয়াটিই এখন বেশ কৌশলগত রূপ নিয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৮৬ শতাংশ সংস্থাই জানিয়েছে, এআই বা এজেন্টিক এআইয়ের ব্যবহার তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে।
মেধাবী তরুণদের দলে টানতে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতাও এখন তুঙ্গে। এ দৌড়ে এগিয়ে থাকতে তারা ক্যাম্পাস নিয়োগের পেছনে বিনিয়োগ বাড়াতেও পিছপা হচ্ছে না। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কর্মী নিয়োগ ও ভবিষ্যতে বাড়তি সুবিধা পেতে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের নিয়োগ বাজেট সর্বোচ্চ ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
এর মূল উদ্দেশ্য হলো পুরোনো ধাঁচের নিয়ম বাদ দিয়ে আরও নিখুঁত, কাঠামোগত ও দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা। পাশাপাশি ইন্টার্নশিপ থেকে সরাসরি স্থায়ী চাকরিতে নেওয়ার প্রক্রিয়াকেও আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। নতুন ব্যবস্থার কারণে বিশেষ করে ডিজিটাল এবং গবেষণামূলক কাজে পারদর্শী উদীয়মান তরুণদের জন্য কাজের এক বিশাল সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
সূত্র: ইকোনমিক টাইমস

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেড়েছে এআইয়ের ব্যবহার
সিজেডএন ডেস্ক

যোগ্য ও দক্ষ কর্মী খুঁজে নিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্ভরতা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর। সনাতনী পদ্ধতির সীমানা পেরিয়ে প্রার্থীর মেধা ও বাস্তব দক্ষতার সঠিক মূল্যায়নে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জোরকদমে জায়গা করে নিচ্ছে প্রযুক্তি। ভারতের ইকোনমিক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভারতে ক্যাম্পাস নিয়োগের ক্ষেত্রে দক্ষতার ওপর বাড়তি জোর দিতে গিয়ে ৮৬ শতাংশ নিয়োগদাতাই এখন এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন।
ডেলয়েড ইন্ডিয়ার ‘ক্যাম্পাস ওয়ার্কফোর্স ট্রেন্ডস ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য সামনে এসেছে। বিভিন্ন খাতের ২৫৭টি প্রতিষ্ঠান এবং ৫০৫টি ক্যাম্পাসের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এতে দেখা যায়, ক্যাম্পাস থেকে কর্মী বাছাইয়ের পুরো প্রক্রিয়াটিই এখন বেশ কৌশলগত রূপ নিয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৮৬ শতাংশ সংস্থাই জানিয়েছে, এআই বা এজেন্টিক এআইয়ের ব্যবহার তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে।
মেধাবী তরুণদের দলে টানতে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতাও এখন তুঙ্গে। এ দৌড়ে এগিয়ে থাকতে তারা ক্যাম্পাস নিয়োগের পেছনে বিনিয়োগ বাড়াতেও পিছপা হচ্ছে না। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কর্মী নিয়োগ ও ভবিষ্যতে বাড়তি সুবিধা পেতে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের নিয়োগ বাজেট সর্বোচ্চ ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
এর মূল উদ্দেশ্য হলো পুরোনো ধাঁচের নিয়ম বাদ দিয়ে আরও নিখুঁত, কাঠামোগত ও দক্ষতাভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা। পাশাপাশি ইন্টার্নশিপ থেকে সরাসরি স্থায়ী চাকরিতে নেওয়ার প্রক্রিয়াকেও আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। নতুন ব্যবস্থার কারণে বিশেষ করে ডিজিটাল এবং গবেষণামূলক কাজে পারদর্শী উদীয়মান তরুণদের জন্য কাজের এক বিশাল সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
সূত্র: ইকোনমিক টাইমস

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ঘোষণা টাইমসের







