শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: ব্যয় বাড়ছে ৮ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা

শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: ব্যয় বাড়ছে ৮ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজ প্রায় শতভাগ কাজ শেষ হওয়ার পরও নতুন করে ৯০২ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে আরও এক বছর। এর ফলে ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকার প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২২ হাজার ২৬৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর ৬ বছরের প্রকল্পের মেয়াদ গড়াচ্ছে প্রায় ১১ বছরে।
দেশের এভিয়েশন খাতকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে ২০১৭ সালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রথম পর্যায় অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হয় তৃতীয় টার্মিনাল। শুরুতে এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। ২০২২ সালের জুনে তা শেষ হওয়ার কথা।
নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় মেয়াদ ৩ বছর বাড়িয়ে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। এরপর দ্বিতীয় দফায় আরো এক বছর বাড়িয়ে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু আবারও এক বছর বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) প্রকল্পটির তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। সেখানে ব্যয় আরো ৯০২ কোটি টাকা বাড়িয়ে ২২ হাজার ২৬৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ৮ হাজার ৬৫৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত প্রকল্প কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৯৯ দশমিক ৯১ শতাংশ। বাকি আছে ১ শতাংশেরও কম কাজ। অথচ এই কাজ শেষ করতে নতুন করে সময় ও অর্থ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে টার্মিনাল ভবন নির্মাণ শেষ হলেও এখনও অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, টার্মিনাল পরিচালনার জন্য জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সেপ্টেম্বরে চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অপারেটর নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতার মাশুল দিতে হচ্ছে সরকারকে। তৃতীয় সংশোধনীতে রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ৬৬৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। অপারেটর নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত এই অর্থ ব্যয় করা হবে। তবে মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে রক্ষণাবেক্ষণ খাতে এমন বরাদ্দ ছিল না। প্রকল্পের শেষ পর্যায়ে এসে নতুন এই ব্যয় যুক্ত হয়েছে।
প্রকল্পের বিভিন্ন কাজের ব্যয়ও শেষ পর্যায়ে এসে বাড়ছে। সিভিল ওয়ার্কসের আওতায় রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ে সংক্রান্ত অবকাঠামোতে ৬৪৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং বিল্ডিং ওয়ার্কসে ৩৭২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি পরামর্শক সেবার মেয়াদ (৩৫৯ জন-মাস) বাড়িয়ে অতিরিক্ত ৪১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়ামের (এডিসি) বিভিন্ন দাবি প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত ১ হাজার ৫২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব কারণে প্রকল্পের ব্যয় শেষ পর্যায়ে এসে বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিমত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিমান যোগাযোগ ও অর্থনীতির জন্য তৃতীয় টার্মিনাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময়েও এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু না হওয়া হতাশাজনক।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজ প্রায় শতভাগ কাজ শেষ হওয়ার পরও নতুন করে ৯০২ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে আরও এক বছর। এর ফলে ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকার প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২২ হাজার ২৬৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর ৬ বছরের প্রকল্পের মেয়াদ গড়াচ্ছে প্রায় ১১ বছরে।
দেশের এভিয়েশন খাতকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে ২০১৭ সালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রথম পর্যায় অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হয় তৃতীয় টার্মিনাল। শুরুতে এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। ২০২২ সালের জুনে তা শেষ হওয়ার কথা।
নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় মেয়াদ ৩ বছর বাড়িয়ে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। এরপর দ্বিতীয় দফায় আরো এক বছর বাড়িয়ে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু আবারও এক বছর বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) প্রকল্পটির তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। সেখানে ব্যয় আরো ৯০২ কোটি টাকা বাড়িয়ে ২২ হাজার ২৬৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ৮ হাজার ৬৫৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত প্রকল্প কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৯৯ দশমিক ৯১ শতাংশ। বাকি আছে ১ শতাংশেরও কম কাজ। অথচ এই কাজ শেষ করতে নতুন করে সময় ও অর্থ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে টার্মিনাল ভবন নির্মাণ শেষ হলেও এখনও অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, টার্মিনাল পরিচালনার জন্য জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সেপ্টেম্বরে চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অপারেটর নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতার মাশুল দিতে হচ্ছে সরকারকে। তৃতীয় সংশোধনীতে রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ৬৬৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। অপারেটর নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত এই অর্থ ব্যয় করা হবে। তবে মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে রক্ষণাবেক্ষণ খাতে এমন বরাদ্দ ছিল না। প্রকল্পের শেষ পর্যায়ে এসে নতুন এই ব্যয় যুক্ত হয়েছে।
প্রকল্পের বিভিন্ন কাজের ব্যয়ও শেষ পর্যায়ে এসে বাড়ছে। সিভিল ওয়ার্কসের আওতায় রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ে সংক্রান্ত অবকাঠামোতে ৬৪৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং বিল্ডিং ওয়ার্কসে ৩৭২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি পরামর্শক সেবার মেয়াদ (৩৫৯ জন-মাস) বাড়িয়ে অতিরিক্ত ৪১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়ামের (এডিসি) বিভিন্ন দাবি প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত ১ হাজার ৫২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব কারণে প্রকল্পের ব্যয় শেষ পর্যায়ে এসে বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিমত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিমান যোগাযোগ ও অর্থনীতির জন্য তৃতীয় টার্মিনাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময়েও এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু না হওয়া হতাশাজনক।

শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: ব্যয় বাড়ছে ৮ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজ প্রায় শতভাগ কাজ শেষ হওয়ার পরও নতুন করে ৯০২ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে আরও এক বছর। এর ফলে ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকার প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২২ হাজার ২৬৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর ৬ বছরের প্রকল্পের মেয়াদ গড়াচ্ছে প্রায় ১১ বছরে।
দেশের এভিয়েশন খাতকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে ২০১৭ সালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রথম পর্যায় অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হয় তৃতীয় টার্মিনাল। শুরুতে এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। ২০২২ সালের জুনে তা শেষ হওয়ার কথা।
নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় মেয়াদ ৩ বছর বাড়িয়ে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। এরপর দ্বিতীয় দফায় আরো এক বছর বাড়িয়ে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু আবারও এক বছর বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) প্রকল্পটির তৃতীয় সংশোধনী প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে। সেখানে ব্যয় আরো ৯০২ কোটি টাকা বাড়িয়ে ২২ হাজার ২৬৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়াচ্ছে ৮ হাজার ৬৫৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত প্রকল্প কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৯৯ দশমিক ৯১ শতাংশ। বাকি আছে ১ শতাংশেরও কম কাজ। অথচ এই কাজ শেষ করতে নতুন করে সময় ও অর্থ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে টার্মিনাল ভবন নির্মাণ শেষ হলেও এখনও অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, টার্মিনাল পরিচালনার জন্য জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সেপ্টেম্বরে চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অপারেটর নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতার মাশুল দিতে হচ্ছে সরকারকে। তৃতীয় সংশোধনীতে রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ৬৬৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। অপারেটর নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত এই অর্থ ব্যয় করা হবে। তবে মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে রক্ষণাবেক্ষণ খাতে এমন বরাদ্দ ছিল না। প্রকল্পের শেষ পর্যায়ে এসে নতুন এই ব্যয় যুক্ত হয়েছে।
প্রকল্পের বিভিন্ন কাজের ব্যয়ও শেষ পর্যায়ে এসে বাড়ছে। সিভিল ওয়ার্কসের আওতায় রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ে সংক্রান্ত অবকাঠামোতে ৬৪৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং বিল্ডিং ওয়ার্কসে ৩৭২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি পরামর্শক সেবার মেয়াদ (৩৫৯ জন-মাস) বাড়িয়ে অতিরিক্ত ৪১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়ামের (এডিসি) বিভিন্ন দাবি প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত ১ হাজার ৫২২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব কারণে প্রকল্পের ব্যয় শেষ পর্যায়ে এসে বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিমত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিমান যোগাযোগ ও অর্থনীতির জন্য তৃতীয় টার্মিনাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময়েও এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু না হওয়া হতাশাজনক।

১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য সরকারের







