শিরোনাম

৩০ হাজার মিটার ওপর থেকে পড়েও সচল আইফোন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ হাজার মিটার ওপর থেকে পড়েও সচল আইফোন

স্মার্টফোন ও অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্যের স্থায়িত্ব যাচাইয়ে ড্রপ টেস্ট বেশ পরিচিত একটি পদ্ধতি। সাধারণত নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে পণ্য ফেলে এর সহনশীলতা পরীক্ষা করা হয়। তবে এই প্রচলিত পরীক্ষায় নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে স্মার্টফোন কেস নির্মাতা রাইনোশিল্ড। নিজেদের তৈরি ফোন কেস কতটা আঘাত সহ্য করতে পারে, তা প্রমাণ করতে এবার তারা স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার থেকে কেসসহ একটি আইফোন ফেলে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে।

গত ২৪ জুন সুইডেনের এসরেঞ্জ স্পেস সেন্টারে চালানো হয় এই পরীক্ষা। একটি বেলুনের মাধ্যমে আইফোন ১৭কে প্রায় ৩০ হাজার ৬০৭ মিটার বা ১ লাখ ৪১৭ ফুট উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখান থেকেই ফোনটি নিচে ফেলে দেওয়া হয়। প্রায় ২৫ মিনিট ধরে চলা এই দীর্ঘ পতনের সময় ফোনটিকে মোকাবিলা করতে হয়েছে চরম আবহাওয়া ও প্রতিকূল পরিবেশ। এত কিছুর পরও মাটিতে পৌঁছানোর পরও ফোনটি সচল অবস্থায় পাওয়া যায়।

বিষয়টি দীর্ঘ সময় পর্যালোচনা করার পর গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ এটিকে প্রাকৃতিক ভূখণ্ডের ওপর কেসসহ ফোনের সর্বোচ্চ উচ্চতা থেকে পতনের বিশ্বরেকর্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

রাইনোশিল্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার সময় ফোনটি মাইনাস ৪০ থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রার মধ্যে ছিল। পাশাপাশি সেখানে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠের স্বাভাবিক চাপের মাত্র ১ শতাংশ। এত প্রতিকূলতার মধ্যেও ফোনটিকে সুরক্ষিত রেখেছিল প্রতিষ্ঠানটির ‘ফ্ল্যাগশিপ এয়ারএক্স আলট্রা কুশন্ড’ কেস।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এয়ারব্যাগের প্রযুক্তি থেকে ধারণা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে কেসটি। এর ভেতরে থাকা মাল্টি-লেয়ার শক-অ্যাবজরবিং ব্যবস্থা তীব্র আঘাতের শক্তি শোষণ করে ফোনকে সুরক্ষা দিতে পারে।

রাইনোশিল্ডের ব্র্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স ম্যানেজার মুজু শিয়াও বলেন, প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা এরিক ওয়াংয়ের পরিকল্পনাতেই স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার থেকে কেসসহ ফোন ফেলার এই অভিনব রেকর্ডের উদ্যোগ নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত সফল পরীক্ষার মাধ্যমে সেই পরিকল্পনাই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিয়েছে।

/এসবি/