কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ঘোষণা টাইমসের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ঘোষণা টাইমসের
সিজেডএন ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশ এবং এর অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্কের মাঝেই ২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ জনের ‘টাইম ১০০ এআই’ তালিকা প্রকাশ করেছে সাময়িকী টাইম। চতুর্থবারের মতো প্রকাশিত এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন শীর্ষ এআই প্রযুক্তির কর্ণধার, গবেষক, নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে শ্রম অধিকার কর্মী ও বিনোদন জগতের তারকারা। বিশ্বজুড়ে এ প্রযুক্তির গতিপথ তৈরিতে কার কতটা ভূমিকা রয়েছে, সেই বিবেচনাতেই নির্বাচিতদের চারটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে- নেতা (লিডারস), উদ্ভাবক (ইনোভেশনস), রূপকার (শেপার্স) এবং চিন্তাবিদ (থিংকার্স)।
লিডারস ক্যাটাগরিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছেন প্রযুক্তি দুনিয়ার শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা। এখানে রয়েছেন ওপেনএআই-এর চিফ রিসার্চ অফিসার মার্ক চেন, প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান ও প্রেসিডেন্ট গ্রেগ ব্রকম্যান। স্পেসএক্স-এর সিইও ইলন মাস্কের পাশাপাশি তালিকায় আছেন অ্যানথ্রোপিক-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডারিও ও ড্যানিয়েলা আমোডি, আইবিএম-এর চেয়ারম্যান অরবিন্দ কৃষ্ণ, গুগল ডিপমাইন্ড-এর লীলা ইব্রাহিম এবং বাইটড্যান্সের লিয়াং রুবো। এআই প্রযুক্তির এ বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলতে যাদের পরিকাঠামো ব্যাকবোন হিসেবে কাজ করছে, তাদেরও বাদ দেয়নি টাইম। ব্রডকমের সিইও হক ট্যান, ওরাকলের ল্যারি এলিসন, কোরউইভের মাইকেল ইন্ট্রেটর এবং এসএমআইসি-এর লিয়াং মং সং এই বিভাগেই জায়গা করে নিয়েছেন।
প্রযুক্তির নিত্যনতুন ব্যবহার ও নতুন ধারা উন্মোচনের স্বীকৃতি হিসেবে ইনোভেশনস বিভাগে এসেছেন গবেষক ও উদ্যোক্তারা। এই তালিকায় ক্যালটেকের অধ্যাপক অনিমা আনন্দকুমার, কার্সরের সিইও মাইকেল ট্রুয়েল, মুনশট এআই-এর সিইও ইয়াং ঝিলিন এবং সেরেব্রাস সিস্টেমস-এর অ্যান্ড্রু ফেল্ডম্যান রয়েছেন। সৃজনশীল মাধ্যমে এআই-র প্রভাব তুলে ধরতে গিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেতা বেন অ্যাফ্লেককেও রাখা হয়েছে এ দলে। তার সঙ্গে রয়েছেন সুনো-র সিইও মাইকি শুলম্যান এবং তারতিল-এর মোহাম্মদ মুসা।
অন্যদিকে, এআই-র নিয়মনীতি ও বৈশ্বিক ভারসাম্য রক্ষায় যারা কাজ করছেন, তারা ঠাঁই পেয়েছেন শেপার্স বা রূপকার ক্যাটাগরিতে। প্রযুক্তি সুবিধা সবার কাছে পৌঁছানোর উদ্যোগে ভূমিকা রাখায় এতে স্থান পেয়েছেন জাতিসংঘের আইটিইউ প্রধান ডরিন বোগদান-মার্টিন। একই সঙ্গে, এআই ব্যবহারে শিল্পীদের অধিকার রক্ষা এবং নীতি নির্ধারণে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা রাখা অভিনেতা জোসেফ গর্ডন-লেভিটও স্থান পেয়েছেন এ তালিকায়।
পুরো তালিকা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে টাইমের প্রধান সম্পাদক স্যাম জ্যাকবস জানান, এবারের তালিকাটি এআই বিশ্বের রূপান্তরকে ফুটিয়ে তুলেছে। ইলন মাস্কের শীর্ষ এআই সংস্থাকে বাজারে নিয়ে আসা, পেন্টাগনের সঙ্গে অ্যানথ্রোপিক সিইও ডারিও আমোদির দ্বন্দ্ব কিংবা ল্যারি এলিসনের ডেটা সেন্টার গড়ার লড়াই এর স্পষ্ট প্রমাণ। মার্কিন টেক প্রকাটদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চীনা চিপ ও এআই মডেলগুলো ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান বেশ ভালোভাবেই জোরদার করেছে। বাইটড্যান্সের লিয়াং রুবো, আলিবাবার সিইও এডি উ, মুনশট এআই-এর ইয়াং ঝিলিন, ঝিপুর সিইও ঝাং পেং এবং এসএমআইসি-এর লিয়াং মং সংয়ের মতো ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি তারই ইঙ্গিত দেয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশ এবং এর অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্কের মাঝেই ২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ জনের ‘টাইম ১০০ এআই’ তালিকা প্রকাশ করেছে সাময়িকী টাইম। চতুর্থবারের মতো প্রকাশিত এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন শীর্ষ এআই প্রযুক্তির কর্ণধার, গবেষক, নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে শ্রম অধিকার কর্মী ও বিনোদন জগতের তারকারা। বিশ্বজুড়ে এ প্রযুক্তির গতিপথ তৈরিতে কার কতটা ভূমিকা রয়েছে, সেই বিবেচনাতেই নির্বাচিতদের চারটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে- নেতা (লিডারস), উদ্ভাবক (ইনোভেশনস), রূপকার (শেপার্স) এবং চিন্তাবিদ (থিংকার্স)।
লিডারস ক্যাটাগরিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছেন প্রযুক্তি দুনিয়ার শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা। এখানে রয়েছেন ওপেনএআই-এর চিফ রিসার্চ অফিসার মার্ক চেন, প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান ও প্রেসিডেন্ট গ্রেগ ব্রকম্যান। স্পেসএক্স-এর সিইও ইলন মাস্কের পাশাপাশি তালিকায় আছেন অ্যানথ্রোপিক-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডারিও ও ড্যানিয়েলা আমোডি, আইবিএম-এর চেয়ারম্যান অরবিন্দ কৃষ্ণ, গুগল ডিপমাইন্ড-এর লীলা ইব্রাহিম এবং বাইটড্যান্সের লিয়াং রুবো। এআই প্রযুক্তির এ বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলতে যাদের পরিকাঠামো ব্যাকবোন হিসেবে কাজ করছে, তাদেরও বাদ দেয়নি টাইম। ব্রডকমের সিইও হক ট্যান, ওরাকলের ল্যারি এলিসন, কোরউইভের মাইকেল ইন্ট্রেটর এবং এসএমআইসি-এর লিয়াং মং সং এই বিভাগেই জায়গা করে নিয়েছেন।
প্রযুক্তির নিত্যনতুন ব্যবহার ও নতুন ধারা উন্মোচনের স্বীকৃতি হিসেবে ইনোভেশনস বিভাগে এসেছেন গবেষক ও উদ্যোক্তারা। এই তালিকায় ক্যালটেকের অধ্যাপক অনিমা আনন্দকুমার, কার্সরের সিইও মাইকেল ট্রুয়েল, মুনশট এআই-এর সিইও ইয়াং ঝিলিন এবং সেরেব্রাস সিস্টেমস-এর অ্যান্ড্রু ফেল্ডম্যান রয়েছেন। সৃজনশীল মাধ্যমে এআই-র প্রভাব তুলে ধরতে গিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেতা বেন অ্যাফ্লেককেও রাখা হয়েছে এ দলে। তার সঙ্গে রয়েছেন সুনো-র সিইও মাইকি শুলম্যান এবং তারতিল-এর মোহাম্মদ মুসা।
অন্যদিকে, এআই-র নিয়মনীতি ও বৈশ্বিক ভারসাম্য রক্ষায় যারা কাজ করছেন, তারা ঠাঁই পেয়েছেন শেপার্স বা রূপকার ক্যাটাগরিতে। প্রযুক্তি সুবিধা সবার কাছে পৌঁছানোর উদ্যোগে ভূমিকা রাখায় এতে স্থান পেয়েছেন জাতিসংঘের আইটিইউ প্রধান ডরিন বোগদান-মার্টিন। একই সঙ্গে, এআই ব্যবহারে শিল্পীদের অধিকার রক্ষা এবং নীতি নির্ধারণে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা রাখা অভিনেতা জোসেফ গর্ডন-লেভিটও স্থান পেয়েছেন এ তালিকায়।
পুরো তালিকা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে টাইমের প্রধান সম্পাদক স্যাম জ্যাকবস জানান, এবারের তালিকাটি এআই বিশ্বের রূপান্তরকে ফুটিয়ে তুলেছে। ইলন মাস্কের শীর্ষ এআই সংস্থাকে বাজারে নিয়ে আসা, পেন্টাগনের সঙ্গে অ্যানথ্রোপিক সিইও ডারিও আমোদির দ্বন্দ্ব কিংবা ল্যারি এলিসনের ডেটা সেন্টার গড়ার লড়াই এর স্পষ্ট প্রমাণ। মার্কিন টেক প্রকাটদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চীনা চিপ ও এআই মডেলগুলো ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান বেশ ভালোভাবেই জোরদার করেছে। বাইটড্যান্সের লিয়াং রুবো, আলিবাবার সিইও এডি উ, মুনশট এআই-এর ইয়াং ঝিলিন, ঝিপুর সিইও ঝাং পেং এবং এসএমআইসি-এর লিয়াং মং সংয়ের মতো ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি তারই ইঙ্গিত দেয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম ঘোষণা টাইমসের
সিজেডএন ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশ এবং এর অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্কের মাঝেই ২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ জনের ‘টাইম ১০০ এআই’ তালিকা প্রকাশ করেছে সাময়িকী টাইম। চতুর্থবারের মতো প্রকাশিত এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন শীর্ষ এআই প্রযুক্তির কর্ণধার, গবেষক, নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে শ্রম অধিকার কর্মী ও বিনোদন জগতের তারকারা। বিশ্বজুড়ে এ প্রযুক্তির গতিপথ তৈরিতে কার কতটা ভূমিকা রয়েছে, সেই বিবেচনাতেই নির্বাচিতদের চারটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে- নেতা (লিডারস), উদ্ভাবক (ইনোভেশনস), রূপকার (শেপার্স) এবং চিন্তাবিদ (থিংকার্স)।
লিডারস ক্যাটাগরিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছেন প্রযুক্তি দুনিয়ার শীর্ষ ব্যক্তিত্বরা। এখানে রয়েছেন ওপেনএআই-এর চিফ রিসার্চ অফিসার মার্ক চেন, প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান ও প্রেসিডেন্ট গ্রেগ ব্রকম্যান। স্পেসএক্স-এর সিইও ইলন মাস্কের পাশাপাশি তালিকায় আছেন অ্যানথ্রোপিক-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ডারিও ও ড্যানিয়েলা আমোডি, আইবিএম-এর চেয়ারম্যান অরবিন্দ কৃষ্ণ, গুগল ডিপমাইন্ড-এর লীলা ইব্রাহিম এবং বাইটড্যান্সের লিয়াং রুবো। এআই প্রযুক্তির এ বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তুলতে যাদের পরিকাঠামো ব্যাকবোন হিসেবে কাজ করছে, তাদেরও বাদ দেয়নি টাইম। ব্রডকমের সিইও হক ট্যান, ওরাকলের ল্যারি এলিসন, কোরউইভের মাইকেল ইন্ট্রেটর এবং এসএমআইসি-এর লিয়াং মং সং এই বিভাগেই জায়গা করে নিয়েছেন।
প্রযুক্তির নিত্যনতুন ব্যবহার ও নতুন ধারা উন্মোচনের স্বীকৃতি হিসেবে ইনোভেশনস বিভাগে এসেছেন গবেষক ও উদ্যোক্তারা। এই তালিকায় ক্যালটেকের অধ্যাপক অনিমা আনন্দকুমার, কার্সরের সিইও মাইকেল ট্রুয়েল, মুনশট এআই-এর সিইও ইয়াং ঝিলিন এবং সেরেব্রাস সিস্টেমস-এর অ্যান্ড্রু ফেল্ডম্যান রয়েছেন। সৃজনশীল মাধ্যমে এআই-র প্রভাব তুলে ধরতে গিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেতা বেন অ্যাফ্লেককেও রাখা হয়েছে এ দলে। তার সঙ্গে রয়েছেন সুনো-র সিইও মাইকি শুলম্যান এবং তারতিল-এর মোহাম্মদ মুসা।
অন্যদিকে, এআই-র নিয়মনীতি ও বৈশ্বিক ভারসাম্য রক্ষায় যারা কাজ করছেন, তারা ঠাঁই পেয়েছেন শেপার্স বা রূপকার ক্যাটাগরিতে। প্রযুক্তি সুবিধা সবার কাছে পৌঁছানোর উদ্যোগে ভূমিকা রাখায় এতে স্থান পেয়েছেন জাতিসংঘের আইটিইউ প্রধান ডরিন বোগদান-মার্টিন। একই সঙ্গে, এআই ব্যবহারে শিল্পীদের অধিকার রক্ষা এবং নীতি নির্ধারণে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা রাখা অভিনেতা জোসেফ গর্ডন-লেভিটও স্থান পেয়েছেন এ তালিকায়।
পুরো তালিকা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে টাইমের প্রধান সম্পাদক স্যাম জ্যাকবস জানান, এবারের তালিকাটি এআই বিশ্বের রূপান্তরকে ফুটিয়ে তুলেছে। ইলন মাস্কের শীর্ষ এআই সংস্থাকে বাজারে নিয়ে আসা, পেন্টাগনের সঙ্গে অ্যানথ্রোপিক সিইও ডারিও আমোদির দ্বন্দ্ব কিংবা ল্যারি এলিসনের ডেটা সেন্টার গড়ার লড়াই এর স্পষ্ট প্রমাণ। মার্কিন টেক প্রকাটদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চীনা চিপ ও এআই মডেলগুলো ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান বেশ ভালোভাবেই জোরদার করেছে। বাইটড্যান্সের লিয়াং রুবো, আলিবাবার সিইও এডি উ, মুনশট এআই-এর ইয়াং ঝিলিন, ঝিপুর সিইও ঝাং পেং এবং এসএমআইসি-এর লিয়াং মং সংয়ের মতো ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি তারই ইঙ্গিত দেয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

চীন থেকে ৩০ লাখ গাড়ি ফেরত নিচ্ছে টেসলা, নেপথ্য কী






