দেশে আমার ভাস্কর্য বানানো উচিত: কুরাসাও গোলরক্ষক

দেশে আমার ভাস্কর্য বানানো উচিত: কুরাসাও গোলরক্ষক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে ইকুয়েডরের একের পর এক আক্রমণ একক নৈপুণ্যে নসাৎ করে কুরাসাওকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম পয়েন্ট এনে দিয়েছেন গোলরক্ষক এলয় রম। পুরো ম্যাচে অবিশ্বাস্য ১৫টি সেভ করে তিনি ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ করেন।
১৯৬৬ সাল থেকে বিশ্বকাপের রেকর্ড রাখার ইতিহাসে ৯০ মিনিটের ম্যাচে কোনো গোলরক্ষকের পক্ষে এটিই সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড। প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর কোচ ডিক অ্যাডভোকাটের শিষ্যদের এমন ঘুরে দাঁড়ানো মাত্র ১ লাখ ৫৮ হাজার জনসংখ্যার ক্যারিবীয় দেশটির জন্য এক ঐতিহাসিক অর্জন। এই ড্রয়ের ফলে গ্রুপ ‘ই’ থেকে তাদের নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনাও টিকে রইল। শেষ ম্যাচে আইভরি কোস্টকে হারাতে পারলেই নিশ্চিত হবে দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট।
ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত ৩৭ বছর বয়সী রম রসিকতা করে বলেন, এ পারফরম্যান্সের পর কুরাসাওয়ে এখন তার একটি মূর্তি বসানো উচিত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি এফসিতে খেলা গোলরক্ষকের এমন কীর্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঝড় উঠেছে। মাত্র এক ঘণ্টায় ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারী ১ লাখ ২২ হাজার থেকে বেড়ে ৭ লাখ ২৪ হাজারে দাঁড়িয়েছে। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই এনার ভ্যালেন্সিয়ার শট ঠেকিয়ে আত্মবিশ্বাস পাওয়া রম এরপর গঞ্জালো প্লাতা ও কেভিন রদ্রিগেজকে বারবার হতাশ করেন। শেষ দিকে রদ্রিগেজের একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে নিশ্চিত রক্ষা পায় কুরাসাও। অন্যদিকে সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মিডফিল্ডার তাহিথ চং, জুনিনিয়ো বাকুনা ও লিয়ান্দ্রো বাকুনার কল্যাণে কুরাসাও কিছু ভালো সুযোগ তৈরি করলেও ইকুয়েডরের গোলরক্ষক এরনান গালিন্দেজ ও ডিফেন্ডার মোইজেস কাইসেদোর বাধায় গোল পায়নি তারা। তবে সব আক্ষেপ ভুলে রুমের অতিমানবীয় দেয়াল হয়ে ওঠার ওপর ভর করেই এখন ইতিহাস গড়ার উৎসবে মাতোয়ারা পুরো কুরাসাও।

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে ইকুয়েডরের একের পর এক আক্রমণ একক নৈপুণ্যে নসাৎ করে কুরাসাওকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম পয়েন্ট এনে দিয়েছেন গোলরক্ষক এলয় রম। পুরো ম্যাচে অবিশ্বাস্য ১৫টি সেভ করে তিনি ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ করেন।
১৯৬৬ সাল থেকে বিশ্বকাপের রেকর্ড রাখার ইতিহাসে ৯০ মিনিটের ম্যাচে কোনো গোলরক্ষকের পক্ষে এটিই সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড। প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর কোচ ডিক অ্যাডভোকাটের শিষ্যদের এমন ঘুরে দাঁড়ানো মাত্র ১ লাখ ৫৮ হাজার জনসংখ্যার ক্যারিবীয় দেশটির জন্য এক ঐতিহাসিক অর্জন। এই ড্রয়ের ফলে গ্রুপ ‘ই’ থেকে তাদের নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনাও টিকে রইল। শেষ ম্যাচে আইভরি কোস্টকে হারাতে পারলেই নিশ্চিত হবে দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট।
ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত ৩৭ বছর বয়সী রম রসিকতা করে বলেন, এ পারফরম্যান্সের পর কুরাসাওয়ে এখন তার একটি মূর্তি বসানো উচিত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি এফসিতে খেলা গোলরক্ষকের এমন কীর্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঝড় উঠেছে। মাত্র এক ঘণ্টায় ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারী ১ লাখ ২২ হাজার থেকে বেড়ে ৭ লাখ ২৪ হাজারে দাঁড়িয়েছে। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই এনার ভ্যালেন্সিয়ার শট ঠেকিয়ে আত্মবিশ্বাস পাওয়া রম এরপর গঞ্জালো প্লাতা ও কেভিন রদ্রিগেজকে বারবার হতাশ করেন। শেষ দিকে রদ্রিগেজের একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে নিশ্চিত রক্ষা পায় কুরাসাও। অন্যদিকে সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মিডফিল্ডার তাহিথ চং, জুনিনিয়ো বাকুনা ও লিয়ান্দ্রো বাকুনার কল্যাণে কুরাসাও কিছু ভালো সুযোগ তৈরি করলেও ইকুয়েডরের গোলরক্ষক এরনান গালিন্দেজ ও ডিফেন্ডার মোইজেস কাইসেদোর বাধায় গোল পায়নি তারা। তবে সব আক্ষেপ ভুলে রুমের অতিমানবীয় দেয়াল হয়ে ওঠার ওপর ভর করেই এখন ইতিহাস গড়ার উৎসবে মাতোয়ারা পুরো কুরাসাও।

দেশে আমার ভাস্কর্য বানানো উচিত: কুরাসাও গোলরক্ষক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটিতে ইকুয়েডরের একের পর এক আক্রমণ একক নৈপুণ্যে নসাৎ করে কুরাসাওকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম পয়েন্ট এনে দিয়েছেন গোলরক্ষক এলয় রম। পুরো ম্যাচে অবিশ্বাস্য ১৫টি সেভ করে তিনি ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ করেন।
১৯৬৬ সাল থেকে বিশ্বকাপের রেকর্ড রাখার ইতিহাসে ৯০ মিনিটের ম্যাচে কোনো গোলরক্ষকের পক্ষে এটিই সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড। প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর কোচ ডিক অ্যাডভোকাটের শিষ্যদের এমন ঘুরে দাঁড়ানো মাত্র ১ লাখ ৫৮ হাজার জনসংখ্যার ক্যারিবীয় দেশটির জন্য এক ঐতিহাসিক অর্জন। এই ড্রয়ের ফলে গ্রুপ ‘ই’ থেকে তাদের নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনাও টিকে রইল। শেষ ম্যাচে আইভরি কোস্টকে হারাতে পারলেই নিশ্চিত হবে দ্বিতীয় রাউন্ডের টিকিট।
ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত ৩৭ বছর বয়সী রম রসিকতা করে বলেন, এ পারফরম্যান্সের পর কুরাসাওয়ে এখন তার একটি মূর্তি বসানো উচিত। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি এফসিতে খেলা গোলরক্ষকের এমন কীর্তির পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঝড় উঠেছে। মাত্র এক ঘণ্টায় ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারী ১ লাখ ২২ হাজার থেকে বেড়ে ৭ লাখ ২৪ হাজারে দাঁড়িয়েছে। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই এনার ভ্যালেন্সিয়ার শট ঠেকিয়ে আত্মবিশ্বাস পাওয়া রম এরপর গঞ্জালো প্লাতা ও কেভিন রদ্রিগেজকে বারবার হতাশ করেন। শেষ দিকে রদ্রিগেজের একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে নিশ্চিত রক্ষা পায় কুরাসাও। অন্যদিকে সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মিডফিল্ডার তাহিথ চং, জুনিনিয়ো বাকুনা ও লিয়ান্দ্রো বাকুনার কল্যাণে কুরাসাও কিছু ভালো সুযোগ তৈরি করলেও ইকুয়েডরের গোলরক্ষক এরনান গালিন্দেজ ও ডিফেন্ডার মোইজেস কাইসেদোর বাধায় গোল পায়নি তারা। তবে সব আক্ষেপ ভুলে রুমের অতিমানবীয় দেয়াল হয়ে ওঠার ওপর ভর করেই এখন ইতিহাস গড়ার উৎসবে মাতোয়ারা পুরো কুরাসাও।

নিজের দলকে নিয়ে গর্বের শেষ নেই কুরাসাও কোচের


